ঢাকা ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

টেকনাফে ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’, বিরল শিকার ঘিরে চাঞ্চল্য

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১২৫ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফে ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’, : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির একটিপাখি মাছ গভীর সমুদ্রের বিশাল আকৃতির মাছটি রবিবার সন্ধ্যায় টেকনাফ মৎস্য বন্দরে আনা হলে তা দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। স্থানীয়ভাবে মাছটিমাইট্যা মাছনামেও পরিচিত।

মাছ কি পাখির মতো উড়তে পারে? না, উড়তে না পারলেও এর পিঠের উপরের লম্বা প্রসারিত পাখনাটি দেখতে অনেকটা পাখির ডানার মতো। বৈশিষ্ট্যের কারণেই জেলেদের মুখে মুখে এর নাম হয়েছেপাখি মাছ মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সম্ভবত সেলফিস (Sailfish) অথবা মার্লন প্রজাতির, যেগুলো বিলফিশ গোত্রের এবং বিশ্বের দ্রুততম সাঁতারু মাছের মধ্যে অন্যতম।

পূর্ণবয়স্ক সেলফিশ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে সক্ষম বলে গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে।

ট্রলার মালিক শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দা সব্বির আহমেদ জানান, শনিবার সকালে ১১ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে তার ট্রলারটি সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেন্টমার্নের এর পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেললে অন্যান্য মাছের সঙ্গে বিশাল আকৃতির এই মাছটি ধরা পড়ে।

বন্দরে আনার পর ওজন করে দেখা যায় মাছটির ওজন প্রায় ২০০ কেজি। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী সৈয়দ আলমের কাছে ৪০ হাজার টাকায় এটি বিক্রি করা হয়। টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারিতে বরফ দিয়ে মাছটি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বড় আকারের হওয়ায় স্থানীয় বাজারে উপযুক্ত দাম পাওয়া কঠিন হওয়ায় বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অধিক লাভের আশায় মাছটি চট্টগ্রামের বাজারে পাঠানো হয়েছে।

মৎস্য কর্মকর্তারা জানান, গভীর সমুদ্রে বড় জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন সাগরের স্রোতের পরিবর্তনের কারণে মাঝেমধ্যে এমন গভীর সমুদ্রের মাছ উপকূলীয় এলাকায় চলে আসে।

ধরনের মাছ ধরা পড়া স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হলেও প্রজননক্ষম বড় মাছ সংরক্ষণের বিষয়েও সচেতনতা প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টেকনাফে ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’, বিরল শিকার ঘিরে চাঞ্চল্য

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির একটিপাখি মাছ গভীর সমুদ্রের বিশাল আকৃতির মাছটি রবিবার সন্ধ্যায় টেকনাফ মৎস্য বন্দরে আনা হলে তা দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। স্থানীয়ভাবে মাছটিমাইট্যা মাছনামেও পরিচিত।

মাছ কি পাখির মতো উড়তে পারে? না, উড়তে না পারলেও এর পিঠের উপরের লম্বা প্রসারিত পাখনাটি দেখতে অনেকটা পাখির ডানার মতো। বৈশিষ্ট্যের কারণেই জেলেদের মুখে মুখে এর নাম হয়েছেপাখি মাছ মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সম্ভবত সেলফিস (Sailfish) অথবা মার্লন প্রজাতির, যেগুলো বিলফিশ গোত্রের এবং বিশ্বের দ্রুততম সাঁতারু মাছের মধ্যে অন্যতম।

পূর্ণবয়স্ক সেলফিশ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে সাঁতার কাটতে সক্ষম বলে গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে।

ট্রলার মালিক শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দা সব্বির আহমেদ জানান, শনিবার সকালে ১১ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে তার ট্রলারটি সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেন্টমার্নের এর পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেললে অন্যান্য মাছের সঙ্গে বিশাল আকৃতির এই মাছটি ধরা পড়ে।

বন্দরে আনার পর ওজন করে দেখা যায় মাছটির ওজন প্রায় ২০০ কেজি। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী সৈয়দ আলমের কাছে ৪০ হাজার টাকায় এটি বিক্রি করা হয়। টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারিতে বরফ দিয়ে মাছটি সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বড় আকারের হওয়ায় স্থানীয় বাজারে উপযুক্ত দাম পাওয়া কঠিন হওয়ায় বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অধিক লাভের আশায় মাছটি চট্টগ্রামের বাজারে পাঠানো হয়েছে।

মৎস্য কর্মকর্তারা জানান, গভীর সমুদ্রে বড় জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন সাগরের স্রোতের পরিবর্তনের কারণে মাঝেমধ্যে এমন গভীর সমুদ্রের মাছ উপকূলীয় এলাকায় চলে আসে।

ধরনের মাছ ধরা পড়া স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হলেও প্রজননক্ষম বড় মাছ সংরক্ষণের বিষয়েও সচেতনতা প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেন।