ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ধর্মপাশায় বৃষ্টিতে স্বস্তি, প্রাণ ফিরে পেল বোরো আবাদ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ বিষয়ে বৈঠক সংস্কার পরিষদের সাংবিধানিক অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের প্রতিবেশীদের উসকে দিতে ‘ভুয়া ড্রোন’ কৌশল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের প্রতি মানবিক সহমর্মিতা জানিয়ে পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন মার্কিন হামলার পরও খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি অব্যাহত: ইরান ডলার নয়, ইউয়ানে লেনদেন হলে খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা

জঙ্গি সংগঠন হেফাজতকে নিষিদ্ধের দাবি ওঠলো সংসদে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০২১ ২৯৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

হেফাজতে ইসলামকে স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠেছে জাতীয় সংসদে।   ২০২১-২২ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সোমবার এই দাবি জানান আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে বিএনপি, জামায়াত, হেফাজত দেশের বিভিন্নস্থানে তাণ্ডব চালিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সরকার পতন। স্বাধীনতা দিবস ওরা সহ্য করতে পারে না, ওদের বুকে ব্যথা লাগে। কথা নাই বার্তা নাই বায়তুল মোকাররমে জমা হয়ে তাণ্ডব চালায়।

সেখানে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে পারেন না। বায়তুল মোকাররমে এ ধরণের সমাবেশ নিষিদ্ধ করা উচিত। তারা বায়তুল মোকাররমকে প্লাটফর্ম বানিয়েছেন। কোরান শরিফ পুড়িয়েছে, মানুষ পুড়িয়েছে। এই হেফাজতে ইসলাম এরা ছিল স্বাধীনতা বিরোধী নেজামে ইসলামি। মানুষ মেরে এরা ইসলামকে হেফাজত করবে কিভাবে।

এটা জঙ্গি সংগঠন, এ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হোক। যেভাবে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখানো হয়েছে সেভাবে।

শেখ সেলিম বলেন, আমাদের প্রধান শত্রু সাম্প্রদায়িকতা। স্বাধীনাতর পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করা, সম্প্রাদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। জিয়াউর রহমান এসে এদের রাজনীতি করার অনুমতি দেন, সম্প্রদায়িক রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন।

জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠন করেছেন যার বাংলা করলে দাঁড়ায় বি মানে বাংলাদেশ, এন মানে না এবং পি মানে পাকিস্তান। অর্থাৎ বাংলাদেশ না পাকিস্তান। জিয়া জঙ্গি সন্ত্রাসীদের স্থান করে দিয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি ও মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জঙ্গি সংগঠন হেফাজতকে নিষিদ্ধের দাবি ওঠলো সংসদে

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০২১

ছবি সংগ্রহ

হেফাজতে ইসলামকে স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠেছে জাতীয় সংসদে।   ২০২১-২২ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সোমবার এই দাবি জানান আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে বিএনপি, জামায়াত, হেফাজত দেশের বিভিন্নস্থানে তাণ্ডব চালিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সরকার পতন। স্বাধীনতা দিবস ওরা সহ্য করতে পারে না, ওদের বুকে ব্যথা লাগে। কথা নাই বার্তা নাই বায়তুল মোকাররমে জমা হয়ে তাণ্ডব চালায়।

সেখানে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে পারেন না। বায়তুল মোকাররমে এ ধরণের সমাবেশ নিষিদ্ধ করা উচিত। তারা বায়তুল মোকাররমকে প্লাটফর্ম বানিয়েছেন। কোরান শরিফ পুড়িয়েছে, মানুষ পুড়িয়েছে। এই হেফাজতে ইসলাম এরা ছিল স্বাধীনতা বিরোধী নেজামে ইসলামি। মানুষ মেরে এরা ইসলামকে হেফাজত করবে কিভাবে।

এটা জঙ্গি সংগঠন, এ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হোক। যেভাবে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখানো হয়েছে সেভাবে।

শেখ সেলিম বলেন, আমাদের প্রধান শত্রু সাম্প্রদায়িকতা। স্বাধীনাতর পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করা, সম্প্রাদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। জিয়াউর রহমান এসে এদের রাজনীতি করার অনুমতি দেন, সম্প্রদায়িক রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন।

জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠন করেছেন যার বাংলা করলে দাঁড়ায় বি মানে বাংলাদেশ, এন মানে না এবং পি মানে পাকিস্তান। অর্থাৎ বাংলাদেশ না পাকিস্তান। জিয়া জঙ্গি সন্ত্রাসীদের স্থান করে দিয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি ও মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ করা।