খালেদা জিয়া উপমহাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের অবিসংবাদিত নেতা: শামা ওবায়েদ ইসলাম
- আপডেট সময় : ০৭:৩১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বা একটি দলের চেয়ারপার্সন ছিলেন না; তিনি ছিলেন উপমহাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য এক অবিসংবাদিত ও অনুপ্রেরণাদায়ী নেতা। তাঁর নেতৃত্ব, সাহস ও আপসহীন অবস্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের কিত্তা গ্রামের একটি মাদ্রাসা মাঠে আটঘর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম, মানবাধিকার রক্ষা এবং মানুষের কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। অর্থনৈতিক মুক্তি ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি আজীবন রাজপথে থেকেছেন। সেই কারণেই তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতন, মামলা-হামলা ও দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন। অনেকে ঘরে থাকতে পারেননি, কথা বলার অধিকার হারিয়েছেন। এই সময়টায় দেশে প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুপস্থিত ছিল। সেই ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মাটিতে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তা হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। তিনি বলেন, “আমার বাবার মৃত্যুর পর সালথা উপজেলার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী নির্বাচনে যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে পারি, তাহলে সালথাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”
সালথার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, উপজেলার অনেক গ্রামে এখনও ভালো রাস্তা নেই, মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতেও রয়েছে ঘাটতি। তিনি সালথায় উন্নত সড়ক যোগাযোগ, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি মাদ্রাসা ও নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
দোয়া মাহফিলে সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শাহিন মাতুব্বর, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আজাদ খন্দকার, যুবদল নেতা হাসান আশরাফসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।




















