ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

কানাডায় নির্বাসিত পাকিস্তানি মানবাধিকার কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ ৫৭২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

কানাডার টরেন্টোতে নির্বাসিত পাকিস্তানি মানবাধিকারকর্মী কারিমা বালুচের (৩৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাকিস্তান রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনীর কঠোর সমালোচক এই অধিকারকর্মী গত রবিবার নিখোঁজ হওয়ার পর তার সন্ধান চেয়ে আবেদন জানায় পুলিশ। পরে তার বন্ধুরা মৃতদেহ পাওয়ার কথা জানায়। এ ঘটনা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার গ্রুপ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

পাকিস্তানের অশান্ত অঞ্চল বেলুচিস্তানের বাসিন্দা কারিমা বালুচ। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্রব্যবস্থার কঠোর এই সমালোচক ২০১৬ সালে বিবিসি’র একশ’ অনুপ্রেরণামূলক নারীর একজন মনোনীত হয়েছিলেন।

টরেন্টো পুলিশ সোমবার এক টুইট বার্তায় জানায়, কারিমা বালুচকে সর্বশেষ বে-স্ট্রিট এলাকায় রবিবার দেখা যায়। পরে বিস্তারিত তথ্য না জানিয়ে বাহিনীটির তরফে বলা হয়, তার অবস্থান শনাক্ত হয়েছে। কারিমা বালুচের বন্ধু ও সহকর্মীরা জানান, তার মরদেহ শনাক্ত হয়েছে। কিন্তু তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কারিমার বোন মঙ্গলবার বিবিসিকে বলেন, তার মৃত্যু কেবল পরিবারের জন্যই বেদনার নয়; বরং বালুচ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের জন্যও ক্ষতির কারণ। তিনি বলেন, কারিমা বিদেশে যেতে চেয়েছিল বলে যায়নিৃ যেতে হয়েছিল। কারণ, পাকিস্তানে উন্মুক্তভাবে অ্যাক্টিভিজম করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে দীর্ঘদিন থেকেই স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই চলছে। পাকিস্তানে বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকা বালুচ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের সাবেক প্রধান ছিলেন কারিমা বালুচ। ২০১৫ সাল থেকে কানাডায় বসবাস করে আসছিলেন তিনি। ওই সময় তিনি নিজের জীবন শঙ্কার কথা জানিয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কানাডায় নির্বাসিত পাকিস্তানি মানবাধিকার কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

কানাডার টরেন্টোতে নির্বাসিত পাকিস্তানি মানবাধিকারকর্মী কারিমা বালুচের (৩৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাকিস্তান রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনীর কঠোর সমালোচক এই অধিকারকর্মী গত রবিবার নিখোঁজ হওয়ার পর তার সন্ধান চেয়ে আবেদন জানায় পুলিশ। পরে তার বন্ধুরা মৃতদেহ পাওয়ার কথা জানায়। এ ঘটনা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার গ্রুপ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

পাকিস্তানের অশান্ত অঞ্চল বেলুচিস্তানের বাসিন্দা কারিমা বালুচ। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্রব্যবস্থার কঠোর এই সমালোচক ২০১৬ সালে বিবিসি’র একশ’ অনুপ্রেরণামূলক নারীর একজন মনোনীত হয়েছিলেন।

টরেন্টো পুলিশ সোমবার এক টুইট বার্তায় জানায়, কারিমা বালুচকে সর্বশেষ বে-স্ট্রিট এলাকায় রবিবার দেখা যায়। পরে বিস্তারিত তথ্য না জানিয়ে বাহিনীটির তরফে বলা হয়, তার অবস্থান শনাক্ত হয়েছে। কারিমা বালুচের বন্ধু ও সহকর্মীরা জানান, তার মরদেহ শনাক্ত হয়েছে। কিন্তু তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কারিমার বোন মঙ্গলবার বিবিসিকে বলেন, তার মৃত্যু কেবল পরিবারের জন্যই বেদনার নয়; বরং বালুচ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের জন্যও ক্ষতির কারণ। তিনি বলেন, কারিমা বিদেশে যেতে চেয়েছিল বলে যায়নিৃ যেতে হয়েছিল। কারণ, পাকিস্তানে উন্মুক্তভাবে অ্যাক্টিভিজম করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে দীর্ঘদিন থেকেই স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই চলছে। পাকিস্তানে বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকা বালুচ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের সাবেক প্রধান ছিলেন কারিমা বালুচ। ২০১৫ সাল থেকে কানাডায় বসবাস করে আসছিলেন তিনি। ওই সময় তিনি নিজের জীবন শঙ্কার কথা জানিয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করেন।