ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে

উইঘুর ইস্যুতে চীনের প্রতি সমর্থন বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীন সরকারের উইঘুরদের প্রতি গণহত্যা ও মানবধিকার লঙ্ঘনের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানকে উইঘুর ইস্যুতে চীনের প্রতি সমর্থন বাড়াতে দেখা যাচ্ছে। চীনা সরকারের আহ্বানে এবার দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্তের কাছে অবস্থান করা মুক্তিকামী মুসলিম উইঘুরদের ব্যক্তিগত পর্যায়েও হস্তক্ষেপ করা শুরু করেছে পাকিস্তান।

কুনওয়ার খুলদুনে শহীদ দ্য ডিপ্লোম্যাটে জানান, চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের রাজধানী উরুমকির দাবানচেং এর উইগুর মুসলিম পরিবারের সদস্য আব্দুল ওয়ালির বড় ভাই যিনি একজন টেক্সটাইল এবং কার্পেট ব্যবসায়ী, তাঁকে পাকিস্তানের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আব্দুল ওয়ালি বলেন, ‘তার বড় ভাই একজন ইসলামিক ধর্মপ্রচারক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তিনি পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্টের সদস্য।

এ সংগঠনটির সদস্য হওয়া চীন এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই নিষিদ্ধ বলে গণ্য। ‘ ওয়ালির বন্ধু ইব্রাহিম আহমেদ জানান, ‘পাকিস্তানে চীনা প্রভাবের কারণে শেষ কয়েক বছর যাবৎ পাকিস্তানি উইঘুর সম্প্রদায় নিজেদের পরিচয় গোপন রাখছে। আমি নিজেও কাজের জন্য পাকিস্তানের সব অঞ্চলে যেতে হয়। চীনা সরকার এ দেশটি দখল করে নিয়েছে। চীন গিলগিট থেকে উইঘুরদের উচ্ছেদ করতে চায়।

উল্লেখ্য, গিলগিট-বাল্টিস্তান ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের প্রবেশদ্বার যা চীন সরকারের বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগ। এটি বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ছাড়াও চীনের প্রচুর বিনিয়োগ রয়েছে পাকিস্তানে। এ কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে প্রায় সময় উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের ব্যাপারটি এড়িয়ে যেতে দেখা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উইঘুর ইস্যুতে চীনের প্রতি সমর্থন বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১

চীন সরকারের উইঘুরদের প্রতি গণহত্যা ও মানবধিকার লঙ্ঘনের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানকে উইঘুর ইস্যুতে চীনের প্রতি সমর্থন বাড়াতে দেখা যাচ্ছে। চীনা সরকারের আহ্বানে এবার দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্তের কাছে অবস্থান করা মুক্তিকামী মুসলিম উইঘুরদের ব্যক্তিগত পর্যায়েও হস্তক্ষেপ করা শুরু করেছে পাকিস্তান।

কুনওয়ার খুলদুনে শহীদ দ্য ডিপ্লোম্যাটে জানান, চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের রাজধানী উরুমকির দাবানচেং এর উইগুর মুসলিম পরিবারের সদস্য আব্দুল ওয়ালির বড় ভাই যিনি একজন টেক্সটাইল এবং কার্পেট ব্যবসায়ী, তাঁকে পাকিস্তানের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আব্দুল ওয়ালি বলেন, ‘তার বড় ভাই একজন ইসলামিক ধর্মপ্রচারক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তিনি পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্টের সদস্য।

এ সংগঠনটির সদস্য হওয়া চীন এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই নিষিদ্ধ বলে গণ্য। ‘ ওয়ালির বন্ধু ইব্রাহিম আহমেদ জানান, ‘পাকিস্তানে চীনা প্রভাবের কারণে শেষ কয়েক বছর যাবৎ পাকিস্তানি উইঘুর সম্প্রদায় নিজেদের পরিচয় গোপন রাখছে। আমি নিজেও কাজের জন্য পাকিস্তানের সব অঞ্চলে যেতে হয়। চীনা সরকার এ দেশটি দখল করে নিয়েছে। চীন গিলগিট থেকে উইঘুরদের উচ্ছেদ করতে চায়।

উল্লেখ্য, গিলগিট-বাল্টিস্তান ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের প্রবেশদ্বার যা চীন সরকারের বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগ। এটি বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ছাড়াও চীনের প্রচুর বিনিয়োগ রয়েছে পাকিস্তানে। এ কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে প্রায় সময় উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের ব্যাপারটি এড়িয়ে যেতে দেখা যায়।