ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

উইঘুর ইস্যুতে চীনের প্রতি সমর্থন বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১ ২১০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীন সরকারের উইঘুরদের প্রতি গণহত্যা ও মানবধিকার লঙ্ঘনের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানকে উইঘুর ইস্যুতে চীনের প্রতি সমর্থন বাড়াতে দেখা যাচ্ছে। চীনা সরকারের আহ্বানে এবার দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্তের কাছে অবস্থান করা মুক্তিকামী মুসলিম উইঘুরদের ব্যক্তিগত পর্যায়েও হস্তক্ষেপ করা শুরু করেছে পাকিস্তান।

কুনওয়ার খুলদুনে শহীদ দ্য ডিপ্লোম্যাটে জানান, চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের রাজধানী উরুমকির দাবানচেং এর উইগুর মুসলিম পরিবারের সদস্য আব্দুল ওয়ালির বড় ভাই যিনি একজন টেক্সটাইল এবং কার্পেট ব্যবসায়ী, তাঁকে পাকিস্তানের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আব্দুল ওয়ালি বলেন, ‘তার বড় ভাই একজন ইসলামিক ধর্মপ্রচারক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তিনি পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্টের সদস্য।

এ সংগঠনটির সদস্য হওয়া চীন এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই নিষিদ্ধ বলে গণ্য। ‘ ওয়ালির বন্ধু ইব্রাহিম আহমেদ জানান, ‘পাকিস্তানে চীনা প্রভাবের কারণে শেষ কয়েক বছর যাবৎ পাকিস্তানি উইঘুর সম্প্রদায় নিজেদের পরিচয় গোপন রাখছে। আমি নিজেও কাজের জন্য পাকিস্তানের সব অঞ্চলে যেতে হয়। চীনা সরকার এ দেশটি দখল করে নিয়েছে। চীন গিলগিট থেকে উইঘুরদের উচ্ছেদ করতে চায়।

উল্লেখ্য, গিলগিট-বাল্টিস্তান ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের প্রবেশদ্বার যা চীন সরকারের বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগ। এটি বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ছাড়াও চীনের প্রচুর বিনিয়োগ রয়েছে পাকিস্তানে। এ কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে প্রায় সময় উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের ব্যাপারটি এড়িয়ে যেতে দেখা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উইঘুর ইস্যুতে চীনের প্রতি সমর্থন বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১

চীন সরকারের উইঘুরদের প্রতি গণহত্যা ও মানবধিকার লঙ্ঘনের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানকে উইঘুর ইস্যুতে চীনের প্রতি সমর্থন বাড়াতে দেখা যাচ্ছে। চীনা সরকারের আহ্বানে এবার দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্তের কাছে অবস্থান করা মুক্তিকামী মুসলিম উইঘুরদের ব্যক্তিগত পর্যায়েও হস্তক্ষেপ করা শুরু করেছে পাকিস্তান।

কুনওয়ার খুলদুনে শহীদ দ্য ডিপ্লোম্যাটে জানান, চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের রাজধানী উরুমকির দাবানচেং এর উইগুর মুসলিম পরিবারের সদস্য আব্দুল ওয়ালির বড় ভাই যিনি একজন টেক্সটাইল এবং কার্পেট ব্যবসায়ী, তাঁকে পাকিস্তানের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আব্দুল ওয়ালি বলেন, ‘তার বড় ভাই একজন ইসলামিক ধর্মপ্রচারক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তিনি পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্টের সদস্য।

এ সংগঠনটির সদস্য হওয়া চীন এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই নিষিদ্ধ বলে গণ্য। ‘ ওয়ালির বন্ধু ইব্রাহিম আহমেদ জানান, ‘পাকিস্তানে চীনা প্রভাবের কারণে শেষ কয়েক বছর যাবৎ পাকিস্তানি উইঘুর সম্প্রদায় নিজেদের পরিচয় গোপন রাখছে। আমি নিজেও কাজের জন্য পাকিস্তানের সব অঞ্চলে যেতে হয়। চীনা সরকার এ দেশটি দখল করে নিয়েছে। চীন গিলগিট থেকে উইঘুরদের উচ্ছেদ করতে চায়।

উল্লেখ্য, গিলগিট-বাল্টিস্তান ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের প্রবেশদ্বার যা চীন সরকারের বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগ। এটি বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ছাড়াও চীনের প্রচুর বিনিয়োগ রয়েছে পাকিস্তানে। এ কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে প্রায় সময় উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের ব্যাপারটি এড়িয়ে যেতে দেখা যায়।