ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন

ইসরায়েল-হামাস শান্তিচুক্তি নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েল-হামাস শান্তিচুক্তি নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েল হামাসের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স (পূর্বে টুইটার)– পোস্ট করে তিনি বলেন, আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপের চুক্তিকে স্বাগত জানাই। এটি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দৃঢ় নেতৃত্বের প্রতিফলন। বন্দিদের মুক্তি মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি সবার জন্য স্বস্তি আনবে এবং স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে।

মোদি আরও বলেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকে সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলি পাল্টা অভিযানে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৭ হাজার ১৯৪ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ, যাদের বেশিরভাগই নারী শিশু। দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা এই সংঘাতের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্প্রতি ইসরায়েল হামাস ২০ দফা শান্তিচুক্তিতে উপনীত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, হামাস ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের হাতে থাকা সব বন্দিকে মুক্তি দেবে এবং ইসরায়েল প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দেবে। গাজায় হামাসের ভবিষ্যৎ ভূমিকা থাকবে না, তবে ইসরায়েল গাজা দখল করবে নাবরং সীমান্তে একটি বাফার জোন তৈরি করবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া, ট্রাম্প শিগগিরই ইসরায়েল সফরে যেতে পারেন। আন্তর্জাতিক মহল এই চুক্তিকে স্বাগত জানালেও অনেকে মনে করছেন, বাস্তবে শান্তির পথে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইসরায়েল-হামাস শান্তিচুক্তি নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

ইসরায়েল হামাসের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স (পূর্বে টুইটার)– পোস্ট করে তিনি বলেন, আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপের চুক্তিকে স্বাগত জানাই। এটি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দৃঢ় নেতৃত্বের প্রতিফলন। বন্দিদের মুক্তি মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি সবার জন্য স্বস্তি আনবে এবং স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে।

মোদি আরও বলেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকে সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলি পাল্টা অভিযানে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৭ হাজার ১৯৪ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ, যাদের বেশিরভাগই নারী শিশু। দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা এই সংঘাতের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্প্রতি ইসরায়েল হামাস ২০ দফা শান্তিচুক্তিতে উপনীত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, হামাস ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের হাতে থাকা সব বন্দিকে মুক্তি দেবে এবং ইসরায়েল প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দেবে। গাজায় হামাসের ভবিষ্যৎ ভূমিকা থাকবে না, তবে ইসরায়েল গাজা দখল করবে নাবরং সীমান্তে একটি বাফার জোন তৈরি করবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ট্রাম্প নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া, ট্রাম্প শিগগিরই ইসরায়েল সফরে যেতে পারেন। আন্তর্জাতিক মহল এই চুক্তিকে স্বাগত জানালেও অনেকে মনে করছেন, বাস্তবে শান্তির পথে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।