আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩ টার দিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় পুতিনের। ফোনকলে প্রেসিডেন্ট পুতিন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক জানান। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানও রুশ প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন তথ্য জানান।
তাদের ফোনালাপের কিছু সময় পর একটি বিবৃতি দেওয়া হয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিন থেকে। সেই বিবৃতিতে বলা হয়, “রাশিয়া জরুরিভিত্তিতে ইরানে যাবতীয় সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে। সেই সঙ্গে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগের কৌশল ত্যাগ করে রাজনীতি ও কূটনীতির পথে ফিরে আসার ব্যাপারে রাশিয়া তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পুতিন নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপে ইরানের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদা রক্ষার এই লড়াইয়ে পূর্ণ সংহতি জানিয়েছেন।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ যুদ্ধে ইরানকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।

















