ঢাকা ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরেছে টাঙ্গাইলের মাঠ, স্বপ্ন দেখছেন কৃষক ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, শপথ নেবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার ভোলার চরাঞ্চলে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ: কৃষকের স্বপ্নে অর্থনৈতিক মুক্তির সম্ভাবনা প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের

অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ডিজাইন চূড়ান্ত হলেই কাজ শুরু 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫ ২০৫ বার পড়া হয়েছে

অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ডিজাইন চূড়ান্ত হবারই কাজ শুরু 

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তিস্তা রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে পাঁচটি গণশুনানী হয়েছে। এসব বিষয়ে নিয়ে আন্তভূক্ত করে অক্টোবর নাগাদ তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হচ্ছে। এরপর চীনের সঙ্গে দর কষাকষি কাজ শুরু করবে ইউনূস সরকার। পরবর্তী কাজ হাতে লাগাবে চীন। মঙ্গলবার বাংলাদেশের পরিবেশ ও পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান কুড়িগ্রামে তিস্তা তীর রক্ষায় চলমান কাজ পরিদর্শনে এসে এসব তথ্য দেন।

এসময় উপদেষ্টা বলেন,  অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্তর পর কাজ শুরু করবে চীন। বিগত হাসিনা সরকারের সঙ্গে ২০১৬ সালে চীনের সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে স্বাক্ষর হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ বেশি দূর এগোয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আবারও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীন সরকারের কথাবার্তা শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে তিস্তাপাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্খার কথা গণশুনানি করে সেগুলো পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হবে। তারপরই চীনের সঙ্গে দর কষাকষি শুরু করবে ইউনূস সরকার। এরপর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।

মঙ্গলবার কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তিস্তা নদীতীর রক্ষায় চলমান কাজ পরিদর্শনে আসেন পরিবেশ ও পানিসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা। সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিস্তা আমাদের নদী’।

ভাটির দেশ হিসেবে তিস্তা নদীর ওপর আমাদের অধিকার রয়েছে। আমাদের স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই তিস্তা নদী কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সে জন্য আমরা তিস্তার পাঁচটি স্থানে গণশুনানি করা হয়েছে। ইতিপূর্বে আমরা ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার অতিভাঙনপ্রবণ এলাকায় ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ডিজাইন চূড়ান্ত হলেই কাজ শুরু 

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

তিস্তা রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে পাঁচটি গণশুনানী হয়েছে। এসব বিষয়ে নিয়ে আন্তভূক্ত করে অক্টোবর নাগাদ তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হচ্ছে। এরপর চীনের সঙ্গে দর কষাকষি কাজ শুরু করবে ইউনূস সরকার। পরবর্তী কাজ হাতে লাগাবে চীন। মঙ্গলবার বাংলাদেশের পরিবেশ ও পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান কুড়িগ্রামে তিস্তা তীর রক্ষায় চলমান কাজ পরিদর্শনে এসে এসব তথ্য দেন।

এসময় উপদেষ্টা বলেন,  অক্টোবরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্তর পর কাজ শুরু করবে চীন। বিগত হাসিনা সরকারের সঙ্গে ২০১৬ সালে চীনের সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে স্বাক্ষর হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ বেশি দূর এগোয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আবারও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীন সরকারের কথাবার্তা শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে তিস্তাপাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্খার কথা গণশুনানি করে সেগুলো পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হবে। তারপরই চীনের সঙ্গে দর কষাকষি শুরু করবে ইউনূস সরকার। এরপর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।

মঙ্গলবার কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তিস্তা নদীতীর রক্ষায় চলমান কাজ পরিদর্শনে আসেন পরিবেশ ও পানিসম্পদ উন্নয়ন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা। সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিস্তা আমাদের নদী’।

ভাটির দেশ হিসেবে তিস্তা নদীর ওপর আমাদের অধিকার রয়েছে। আমাদের স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই তিস্তা নদী কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সে জন্য আমরা তিস্তার পাঁচটি স্থানে গণশুনানি করা হয়েছে। ইতিপূর্বে আমরা ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার অতিভাঙনপ্রবণ এলাকায় ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।