৩ শোয়র ভঙ্গি সাময়িক আরাম মিললেও পিঠে-কোমড়ে ব্যথা হতে পারে
- আপডেট সময় : ০৪:১২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৪৩ বার পড়া হয়েছে
শোয়ার দোষে মেরুদণ্ডের ওপর চাপ পড়ে। এতে সুষুন্মাকাণ্ডে চিড় ধরার আশঙ্কা থাকে। ঘাড়, পিঠ, কোমরের ব্যথা বাড়তে পারে
সুষুন্মাকাণ্ড হল একটি দীর্ঘ, পাতলা, নলাকার গঠন যা স্নায়ুবিক টিস্যু দ্বারা গঠিত, যা ব্রেনস্টেম এর মেডুলা অবলংগাটা থেকে মেরুদণ্ডের কটিদেশীয় কলামের (পিঠের হাড়) পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরুদণ্ড মেরুদন্ডের কেন্দ্রীয় খালকে ঘিরে রাখে, যেখানে সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড থাকে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
দিনভর ক্লান্তি মুছে দিতে ঘুম হচ্ছে মহাটনিক। আর একজন মানুষ যখন ঘুমাতে যান, তখন নিজের আরামের ভঙ্গিটি বেছে নেন। কেউ হাঁটু মুড়ে, বুকের কাছে পা তুলে, কেউ উপুড় হয়ে, আবার কেউ হাতের তলায় বালিশ নিয়ে ঘুমোতে পছন্দ করেন।
তখনতো আর খেয়াল থাকে না ঠিক কী ভাবে শুলে ঘাড়ে বা কোমরে ব্যথা হবে না। কী ভাবে শুলে ঘুমটি আরামের হবে, সেই দিকেই মন থাকে বেশি।
চিকিৎসকেরা বলছেন, এমন কিছু ভঙ্গি রয়েছে, যা ঘুমের সময় সাময়িক আরাম দিলেও শারীরিক নানা রকম সমস্যার জন্ম দেয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শোয়ার দোষে মেরুদণ্ডের ওপর চাপ পড়ে। এতে সুষুন্মাকাণ্ডে চিড় ধরার আশঙ্কা থাকে। ঘাড়, পিঠ, কোমরের ব্যথা বাড়তে পারে। অনেকেরই শরীরের বিভিন্ন অংশ অবশ হয়ে যায়।
সুষুন্মাকাণ্ড হল একটি দীর্ঘ, পাতলা, নলাকার গঠন যা স্নায়ুবিক টিস্যু দ্বারা গঠিত, যা ব্রেনস্টেম এর মেডুলা অবলংগাটা থেকে মেরুদণ্ডের কটিদেশীয় কলামের (পিঠের হাড়) পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরুদণ্ড মেরুদন্ডের কেন্দ্রীয় খালকে ঘিরে রাখে, যেখানে সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড থাকে।
১) পেটের উপর চাপ দিয়ে শোয়া
ভরপেট খাওয়াদাওয়া করে ওপুড় হয়ে সিরিজ দেখার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। পেটের ওপর চাপ দিয়ে শুলে মাথা যে কোনও এক পাশে ঘুরিয়ে রাখতে হয়। আর তাতেই ক্ষতি হয় ঘাড় এবং মেরুদণ্ডের। তবে মাথায় বালিশ না দেওয়ার অভ্যাস করতে পারলে ক্ষতির আশঙ্কা কম।
২) হাতের তলায় বালিশ নেওয়া
হাতের তলায় নরম বালিশ নিয়ে শোয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। এই ভঙ্গিতে শোয়ার অভ্যাসে স্নায়ুর ওপর অত্যধিক চাপ পড়ে। দীর্ঘ ক্ষণ এই ভাবে শুলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়।
৩) মাথায় উঁচু করে বালিশ দেওয়া
মাথায় অনেকগুলি বালিশ দিয়ে, মাথা উঁচু করে শোয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। এই ভঙ্গিতে শুলে ঘাড়, কাঁধের ওপর চাপ পড়ে। দেহের সঙ্গে মাথা সমান্তরাল অবস্থায় না থাকলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে। দীর্ঘ ক্ষণ এই অবস্থায় থাকলে স্নায়ু অবশ হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি হয়।




















