ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার

ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্যোগে ‘ফার্মা কানেক্ট’ বাংলাদেশ–ভারত ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

‘ফার্মা কানেক্ট’ বাংলাদেশ–ভারত ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা : হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশেষ প্রতিরিনধি

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন ১৮ নভেম্বর  বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিয়ে নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান-বিনিময় অনুষ্ঠান “ফার্মা কানেক্ট” আয়োজন করে। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ওষুধশিল্প-সংক্রান্ত প্রদর্শনী সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫-এ বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের আগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি দুই দেশের ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে ভারত ও বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের পরিপূরক সম্পর্ক বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। আলোচনা হয়—ভারতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান উৎপাদনশক্তি কীভাবে একত্রে কাজ করে সাপ্লাই চেইনকে শক্তিশালী করতে পারে, নতুন প্রযুক্তি অর্জনের সুযোগ বাড়াতে পারে এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে পারে।

বক্তব্য প্রদানকালে ভারতের হাই কমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে ওষুধশিল্পের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এপিআই সোর্সিং, প্রক্রিয়াগত প্রযুক্তি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলা হয়, এই খাতে আরও গভীর সহযোগিতা শিল্পোন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, “ফার্মা কানেক্ট” দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে উদ্ভাবন-নির্ভর নতুন কাঠামোর দিকে আরও এগিয়ে নেবে।

‘ফার্মা কানেক্ট’বাংলাদেশ–ভারত ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা
‘ফার্মা কানেক্ট’ বাংলাদেশ–ভারত ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা আয়োজনে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্পের শীর্ষ ব্যক্তিরা যোগদেন

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই)-এর সভাপতি জনাব আবদুল মুকতাদিরসহ শীর্ষস্থানীয় শিল্পনেতারা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অবস্থান তুলে ধরে প্রযুক্তি স্থানান্তর, গবেষণা ও উন্নয়ন (আর অ্যান্ড ডি), সাপ্লাই-চেইন একীকরণ এবং বিনিয়োগে ভারতের সাথে আরও গভীর সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা জানান, এই ধরনের উদ্যোগ আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বাড়াবে, প্রযুক্তি অ্যাক্সেস সহজ করবে এবং সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা উন্নত করে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

স্বাস্থ্য ও ওষুধশিল্প খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বহু বাংলাদেশি ওষুধ কোম্পানি ২৫–২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫-এ অংশগ্রহণ করবে, যা বৈশ্বিক উৎপাদক, উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের মিলনমেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্যোগে ‘ফার্মা কানেক্ট’ বাংলাদেশ–ভারত ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বিশেষ প্রতিরিনধি

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন ১৮ নভেম্বর  বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিয়ে নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান-বিনিময় অনুষ্ঠান “ফার্মা কানেক্ট” আয়োজন করে। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ওষুধশিল্প-সংক্রান্ত প্রদর্শনী সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫-এ বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের আগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি দুই দেশের ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে ভারত ও বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের পরিপূরক সম্পর্ক বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। আলোচনা হয়—ভারতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান উৎপাদনশক্তি কীভাবে একত্রে কাজ করে সাপ্লাই চেইনকে শক্তিশালী করতে পারে, নতুন প্রযুক্তি অর্জনের সুযোগ বাড়াতে পারে এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে পারে।

বক্তব্য প্রদানকালে ভারতের হাই কমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে ওষুধশিল্পের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এপিআই সোর্সিং, প্রক্রিয়াগত প্রযুক্তি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলা হয়, এই খাতে আরও গভীর সহযোগিতা শিল্পোন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, “ফার্মা কানেক্ট” দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে উদ্ভাবন-নির্ভর নতুন কাঠামোর দিকে আরও এগিয়ে নেবে।

‘ফার্মা কানেক্ট’বাংলাদেশ–ভারত ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা
‘ফার্মা কানেক্ট’ বাংলাদেশ–ভারত ওষুধশিল্প সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা আয়োজনে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্পের শীর্ষ ব্যক্তিরা যোগদেন

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই)-এর সভাপতি জনাব আবদুল মুকতাদিরসহ শীর্ষস্থানীয় শিল্পনেতারা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অবস্থান তুলে ধরে প্রযুক্তি স্থানান্তর, গবেষণা ও উন্নয়ন (আর অ্যান্ড ডি), সাপ্লাই-চেইন একীকরণ এবং বিনিয়োগে ভারতের সাথে আরও গভীর সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা জানান, এই ধরনের উদ্যোগ আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বাড়াবে, প্রযুক্তি অ্যাক্সেস সহজ করবে এবং সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা উন্নত করে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

স্বাস্থ্য ও ওষুধশিল্প খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বহু বাংলাদেশি ওষুধ কোম্পানি ২৫–২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫-এ অংশগ্রহণ করবে, যা বৈশ্বিক উৎপাদক, উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের মিলনমেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।