ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশি উদ্ধার, আজারবাইজান হয়ে দেশে ফেরার পথে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে  ইসরায়েলের পক্ষে হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত  বার্লিনের যুদ্ধ নয়, কৌশলী পিছু হটা: ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নতুন হিসাব তেলের আগুনে বিশ্ববাজার অস্থির, চাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা “তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও’ অমৃতাকে নিয়ে মিত্রা সেনের কবিতা ‘তুমি চেয়েছো শিক্ষা’ ঝড়ের তাণ্ডবে মেঘনায় ডুবলো ১৯ লাখ টাকার তরমুজ, চোখের জলে ভেসে গেল আবুল হাসানের ঈদ-আশা বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশন’র সভাপতি শাহাবুদ্দীন ফরাজীর ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেলবাজারে আগুন, ব্যারেল ১১৫ ডলার ছাড়াল ঈদুল ফিতরে তারেক রহমানকে মোদির শুভেচ্ছা: বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা

জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা “তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও’

জীবনানন্দ দাশ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা “তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও’

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে
ধবল রোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে
নেচে চলে-একবার — দুইবার — তারপর হঠাৎ তাহারে
বনের হিজল গাছ ডাক দিয়ে নিয়ে হৃদয়ের পাশে;
দেখিব মেয়েলি হাত সকরুণ — শাদা শাঁখা ধূসর বাতাসে
শঙ্খের মতো কাঁদে: সন্ধ্যায় দাঁড়ালে সে পুকুরের ধারে,
খইরঙা হাঁসটিরে নিয়ে যাবে যেন কোন্‌ কাহিনীর দেশে —
‘পরণ-কথা’র গন্ধ লেগে আছে যেন তার নরম শরীরে,
কল্‌মীদামের থেকে জন্মেছে সে যেন এই পুকুরের নীরে —
নীরবে পা ধোয় জলে একবার — তারপর দূরে নিরুদ্দেশে
চ’লে যায় কুয়াশায় — তবু জানি কোনোদিন পৃথিবীর ভিড়ে
হারাব না তারে আমি — সে যে আছে আমার এ বাংলার তীরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা “তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও’

আপডেট সময় : ১২:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে
ধবল রোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে
নেচে চলে-একবার — দুইবার — তারপর হঠাৎ তাহারে
বনের হিজল গাছ ডাক দিয়ে নিয়ে হৃদয়ের পাশে;
দেখিব মেয়েলি হাত সকরুণ — শাদা শাঁখা ধূসর বাতাসে
শঙ্খের মতো কাঁদে: সন্ধ্যায় দাঁড়ালে সে পুকুরের ধারে,
খইরঙা হাঁসটিরে নিয়ে যাবে যেন কোন্‌ কাহিনীর দেশে —
‘পরণ-কথা’র গন্ধ লেগে আছে যেন তার নরম শরীরে,
কল্‌মীদামের থেকে জন্মেছে সে যেন এই পুকুরের নীরে —
নীরবে পা ধোয় জলে একবার — তারপর দূরে নিরুদ্দেশে
চ’লে যায় কুয়াশায় — তবু জানি কোনোদিন পৃথিবীর ভিড়ে
হারাব না তারে আমি — সে যে আছে আমার এ বাংলার তীরে।