ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরেছে টাঙ্গাইলের মাঠ, স্বপ্ন দেখছেন কৃষক ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, শপথ নেবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার ভোলার চরাঞ্চলে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ: কৃষকের স্বপ্নে অর্থনৈতিক মুক্তির সম্ভাবনা প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের

জাতীয় সংসদ ভবনে জানাজা শেষে স্বামীর সমাধির পাশে দাফন

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদ ভবনে জানাজা শেষে স্বামীর সমাধির পাশে দাফন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশ-বিদেশের নেতাদের উপস্থিতিতে শেষকৃত্য, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। বুধবার সকালে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তাঁর মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনে নেওয়া হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত জানাজায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। জানাজা শেষে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে দাফন করা হয় স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে।

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিএনপির শীর্ষ নেতারা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং দেশ-বিদেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শুরুর আগে খালেদা জিয়ার মরদেহে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় বিউগলের করুণ সুরে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে ঢাকাজুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে জাতীয় সংসদ ভবন এবং সেখান থেকে দাফনস্থল পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য। পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। পুরো কর্মসূচিতে ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তা সদস্য নিয়োজিত ছিলেন।

শেষকৃত্যে অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের পাশাপাশি পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকা ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁরা শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে উত্থান-পতন, সংগ্রাম ও কারাবাসের মধ্য দিয়ে পথচলা এই আপসহীন নেত্রী শেষ পর্যন্ত চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তাঁর জীবনসঙ্গী জিয়াউর রহমানের পাশে। তাঁর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় সংসদ ভবনে জানাজা শেষে স্বামীর সমাধির পাশে দাফন

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশ-বিদেশের নেতাদের উপস্থিতিতে শেষকৃত্য, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। বুধবার সকালে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তাঁর মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনে নেওয়া হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত জানাজায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। জানাজা শেষে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে দাফন করা হয় স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে।

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিএনপির শীর্ষ নেতারা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং দেশ-বিদেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শুরুর আগে খালেদা জিয়ার মরদেহে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় বিউগলের করুণ সুরে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে ঢাকাজুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে জাতীয় সংসদ ভবন এবং সেখান থেকে দাফনস্থল পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য। পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। পুরো কর্মসূচিতে ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তা সদস্য নিয়োজিত ছিলেন।

শেষকৃত্যে অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের পাশাপাশি পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকা ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁরা শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে উত্থান-পতন, সংগ্রাম ও কারাবাসের মধ্য দিয়ে পথচলা এই আপসহীন নেত্রী শেষ পর্যন্ত চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তাঁর জীবনসঙ্গী জিয়াউর রহমানের পাশে। তাঁর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।