ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত হবেন না, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: উপকূলীয় ৩২ লাখ শিশু ঝুঁকিতে: ইউনিসেফ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪ ২২৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি থাকা ৮৪ লাখের বেশি মানুষ যার মধ্যে রয়েছে ৩২ লাখ শিশু রয়েছে

 

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রমালের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের ৩২ লাখ শিশু ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। রেমালের আঘাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি থাকা ৮৪ লাখের বেশি মানুষ যার মধ্যে রয়েছে ৩২ লাখ শিশু রয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট। বিবৃতিতে মি. শেলডন বলেন, এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ে ভোলা, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার অনেক উপজেলা প্লাবিত হয়েছে।

ইউনিসেফ শুরু থেকেই মাঠে রয়েছে এবং ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রাথমিক সতর্কতামূলক প্রচারণা ও প্রচেষ্টা থেকে শুরু করে সর্বাত্মক সহায়তা করছে।

ছবি সংগ্রহ

মি. শেলডন বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকার ও অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা ও ত্রাণ প্রদানে সমন্বিত প্রচেষ্টা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমাদের অগ্রাধিকার হলো সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে শিশুদের, যারা এ ধরনের দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে।

তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়াতে এবং ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব মোকাবেলা করে ঘুরে দাঁড়াতে তাদের সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় সব কিছু প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত কমিউনিটি ও আশ্রয়কেন্দ্রে বিতরণের জন্য ইউনিসেফ দেশব্যাপী ৩৫টি গুদামে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, জেরিক্যান, মোবাইল টয়লেট, স্বাস্থ্যবিধি (হাইজিন) ও পরিবারের জন্য উপযোগী (ফ্যামিলি) কিটসহ বিভিন্ন সামগ্রী মজুদ রেখেছে।

প্রাথমিকভাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, কক্সবাজারসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: উপকূলীয় ৩২ লাখ শিশু ঝুঁকিতে: ইউনিসেফ

আপডেট সময় : ১০:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪

 

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি থাকা ৮৪ লাখের বেশি মানুষ যার মধ্যে রয়েছে ৩২ লাখ শিশু রয়েছে

 

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রমালের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের ৩২ লাখ শিশু ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। রেমালের আঘাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি থাকা ৮৪ লাখের বেশি মানুষ যার মধ্যে রয়েছে ৩২ লাখ শিশু রয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট। বিবৃতিতে মি. শেলডন বলেন, এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ে ভোলা, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার অনেক উপজেলা প্লাবিত হয়েছে।

ইউনিসেফ শুরু থেকেই মাঠে রয়েছে এবং ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রাথমিক সতর্কতামূলক প্রচারণা ও প্রচেষ্টা থেকে শুরু করে সর্বাত্মক সহায়তা করছে।

ছবি সংগ্রহ

মি. শেলডন বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকার ও অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা ও ত্রাণ প্রদানে সমন্বিত প্রচেষ্টা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমাদের অগ্রাধিকার হলো সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে শিশুদের, যারা এ ধরনের দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে।

তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়াতে এবং ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব মোকাবেলা করে ঘুরে দাঁড়াতে তাদের সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় সব কিছু প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত কমিউনিটি ও আশ্রয়কেন্দ্রে বিতরণের জন্য ইউনিসেফ দেশব্যাপী ৩৫টি গুদামে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, জেরিক্যান, মোবাইল টয়লেট, স্বাস্থ্যবিধি (হাইজিন) ও পরিবারের জন্য উপযোগী (ফ্যামিলি) কিটসহ বিভিন্ন সামগ্রী মজুদ রেখেছে।

প্রাথমিকভাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, কক্সবাজারসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি।