ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপ ইস্যুতে ট্রাম্পকে ইরানের কড়া জবাব পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা পাবনায় পেঁয়াজের বাজার ধস, কৃষকেরা এক্ষুণি লোকসানে বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ৫ বাংলাদেশি নিহত, আশঙ্কাজনক আরও ২ তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে

উইঘুর ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের পরিকল্পনা করছে জাপান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

সম্প্রতি চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে জাপানি কোম্পানিগুলো উইঘুর মুসলমানদের কাজ করতে বাধ্য করছে এমন অংশীদারদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করার পরিকল্পনা করছে। জাপান ফরোয়ার্ড নিউজ পোর্টালের খবরে বলা হয়েছে, পণ্য বয়কট নিয়ে জাপানি কোম্পানিগুলো চীনের হুমকির মুখে রয়েছে। এ হুমকি জাপানি কোম্পানিগুলোকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (এএসআইপি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুরদের বাধ্যতামূলক শ্রমের সঙ্গে জড়িত চীনা ফ্যাক্টরির সঙ্গে ব্যবসা করেছে এমন শীর্ষস্থানীয় ৮০ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মোট ১৪ টি জাপানি কোম্পানি রয়েছে।

গত মাসে জাপানের শীর্ষস্থানীয় কেচআপ(চাটনি) প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান‘কাগমি’, উইঘুরদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে জিনজিয়াং প্রদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। জনপ্রিয় পাশ্চাত্য ব্র্যান্ডের ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় যোগদান করে, শীর্ষস্থানীয় এ জাপানি কেচাপ প্রস্তুতকারক গত বছর তার কিছু সস পণ্যতে ব্যবহৃত জিনজিয়াং-এ উৎপাদিত টমেটো পেস্টের আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে।

কাগমির একজন প্রতিনিধি বলেন, খরচ এবং মানের পাশাপাশি “মানবাধিকার সমস্যাগুলি নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুর ইস্যু নিয়ে এই অঞ্চলের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ করা প্রথম জাপানি কর্পোরেশন হিসাবে কাগমিকে গণ্য করা হয়।

এর আগে, এইচএন্ডএম এবং নাইকিসহ বেশ কয়েকটি পশ্চিমা ব্র্যান্ড এই অঞ্চলে তৈরি কাঁচামাল ও উপকরণ ব্যাবহার করা বন্ধ করে দেয়। এর ফলেই চীনা পণ্যের গ্রাহকদের ভেতর উইঘুর ইস্যু নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জোর করে শ্রমের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ইতোমধ্যে, বেইজিং উইঘুর বাধ্যতামূলক শ্রমের ইস্যু নিয়ে যারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এমন পশ্চিমা সংস্থাগুলি বয়কট করার চেষ্টায় রয়েছে।

সূত্র: এএনআই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উইঘুর ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের পরিকল্পনা করছে জাপান

আপডেট সময় : ১০:৪২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

সম্প্রতি চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে জাপানি কোম্পানিগুলো উইঘুর মুসলমানদের কাজ করতে বাধ্য করছে এমন অংশীদারদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করার পরিকল্পনা করছে। জাপান ফরোয়ার্ড নিউজ পোর্টালের খবরে বলা হয়েছে, পণ্য বয়কট নিয়ে জাপানি কোম্পানিগুলো চীনের হুমকির মুখে রয়েছে। এ হুমকি জাপানি কোম্পানিগুলোকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (এএসআইপি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুরদের বাধ্যতামূলক শ্রমের সঙ্গে জড়িত চীনা ফ্যাক্টরির সঙ্গে ব্যবসা করেছে এমন শীর্ষস্থানীয় ৮০ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মোট ১৪ টি জাপানি কোম্পানি রয়েছে।

গত মাসে জাপানের শীর্ষস্থানীয় কেচআপ(চাটনি) প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান‘কাগমি’, উইঘুরদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে জিনজিয়াং প্রদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। জনপ্রিয় পাশ্চাত্য ব্র্যান্ডের ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় যোগদান করে, শীর্ষস্থানীয় এ জাপানি কেচাপ প্রস্তুতকারক গত বছর তার কিছু সস পণ্যতে ব্যবহৃত জিনজিয়াং-এ উৎপাদিত টমেটো পেস্টের আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে।

কাগমির একজন প্রতিনিধি বলেন, খরচ এবং মানের পাশাপাশি “মানবাধিকার সমস্যাগুলি নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইঘুর ইস্যু নিয়ে এই অঞ্চলের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ করা প্রথম জাপানি কর্পোরেশন হিসাবে কাগমিকে গণ্য করা হয়।

এর আগে, এইচএন্ডএম এবং নাইকিসহ বেশ কয়েকটি পশ্চিমা ব্র্যান্ড এই অঞ্চলে তৈরি কাঁচামাল ও উপকরণ ব্যাবহার করা বন্ধ করে দেয়। এর ফলেই চীনা পণ্যের গ্রাহকদের ভেতর উইঘুর ইস্যু নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জোর করে শ্রমের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ইতোমধ্যে, বেইজিং উইঘুর বাধ্যতামূলক শ্রমের ইস্যু নিয়ে যারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এমন পশ্চিমা সংস্থাগুলি বয়কট করার চেষ্টায় রয়েছে।

সূত্র: এএনআই।