ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের প্রায় ১০ কোটি মানুষ এখনও নিরাপদ পানির বাইরে, পানি দিবসে বার্তা ইসরায়েলি শহর ও উপসাগরীয় ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, আইআরজিসির দাবি নিহত ২০০ ছড়িয়ে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা সড়কে পুলিশ সার্জেন্টের সঙ্গে কোলাকুলি, মানবিকতায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী ভোর রাতে কুমিল্লায় মৃত্যু মিছিল: বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ঝরল ১২ প্রাণ দিয়েগো গার্সিয়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা  ‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ’ গড়তে দেশবাসীর সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী পরিবার নিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান ঈদ আনন্দ আর মানবিকতার উজ্জ্বল উৎসব আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর, আনন্দ আর মানবিকতার এক অনন্য মিলনমেলা

আজিজুলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা চান পুলিশ কর্মকর্তারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

আজিজুল হক ও হারুন অর রশিদ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত

হারুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি  সানজিদা আফরিনও এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন তার স্বামী আজিজুল।

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনায় পুলিশের এডিসি হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটিও। পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অথচ বারডেমে হারুন অর রশিদের ওপর ‘হামলাকারী’ রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, ছাত্রলীগের নেতাদের মারধরের ঘটনায় পুলিশ বিব্রত। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক থানায় নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হচ্ছে। দোষী প্রমাণিত হলে বিভাগীয় মামলা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুতও করা হতে পারে।

হারুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত।

ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি (অতিরিক্ত উপকমিশনার) সানজিদা আফরিনও চ্যানেল আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি চিকিৎসা নিতে গত শনিবার সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন তাঁর স্বামী আজিজুল।

বুধবার পর্যন্ত এ বিষয়ে আজিজুল হক কোনো বক্তব্য দেননি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এপিডি) আবদুস সবুর মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গণমাধ্যমে খবর দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। তবে আজিজুল হকের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি (ডিএমপির পক্ষ থেকে) করা হয়েছে। তারা যে সুপারিশ দেবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

থানায় মারধরের ঘটনায় পুলিশের গঠন করা তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিল বুধবার। তদন্ত কার্যক্রম শেষ করতে না পারায় প্রতিবেদন জমা দিতে আরও পাঁচ দিনের সময় বাড়িয়েছে ডিএমপি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজিজুলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা চান পুলিশ কর্মকর্তারা

আপডেট সময় : ০৯:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত

হারুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি  সানজিদা আফরিনও এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন তার স্বামী আজিজুল।

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনায় পুলিশের এডিসি হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটিও। পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অথচ বারডেমে হারুন অর রশিদের ওপর ‘হামলাকারী’ রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, ছাত্রলীগের নেতাদের মারধরের ঘটনায় পুলিশ বিব্রত। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক থানায় নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হচ্ছে। দোষী প্রমাণিত হলে বিভাগীয় মামলা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুতও করা হতে পারে।

হারুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত।

ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে এপিএস আজিজুল হকের স্ত্রী ডিএমপির এডিসি (অতিরিক্ত উপকমিশনার) সানজিদা আফরিনও চ্যানেল আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি চিকিৎসা নিতে গত শনিবার সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে তিনি সহকর্মী হিসেবে এডিসি হারুন অর রশিদের সহায়তা নেন। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে এসে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন তাঁর স্বামী আজিজুল।

বুধবার পর্যন্ত এ বিষয়ে আজিজুল হক কোনো বক্তব্য দেননি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এপিডি) আবদুস সবুর মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গণমাধ্যমে খবর দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। তবে আজিজুল হকের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি (ডিএমপির পক্ষ থেকে) করা হয়েছে। তারা যে সুপারিশ দেবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

থানায় মারধরের ঘটনায় পুলিশের গঠন করা তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিল বুধবার। তদন্ত কার্যক্রম শেষ করতে না পারায় প্রতিবেদন জমা দিতে আরও পাঁচ দিনের সময় বাড়িয়েছে ডিএমপি।