সীমান্তে বাংলাদেশের স্থাপনা নির্মাণে আপত্তি প্রত্যাহার করবে ভারত
- আপডেট সময় : ১০:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে
আদানির ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত
১৮ মার্চ শিলিগুড়ি থেকে পাইপলাইনে ডিজেল আসবে বাংলাদেশে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশের স্থাপনা নির্মাণে ভারতের যে আপত্তি রয়েছে, তা তুলে নেবে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বৃহস্পতিবার অপরাহ্নে সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের কয়েকটি স্থাপনা নির্মাণে ভারত সরকার যে আপত্তি দিয়ে আসছে, তা তারা প্রত্যাহার করে নেবে। সম্প্রতি দিল্লি সফরে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান ড. মোমেন।
বাংলাদেশ-ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী কসবা রেলওয়ে স্টেশনের উন্নয়ন কাজ, সালদা নদীতে সেতু এবং আখাউড়া চেকপোস্টে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ভবন নির্মাণ শুরু পর ভারতের বাধার মুখে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ড. মোমেন বলেন, ১৫০ গজের মধ্যে যেসব স্থাপনা নির্মাণ করার চেষ্টা করেছিলাম, ভারত এটাতে বারবার বাধা দেওয়ায় কাজ হচ্ছে না। তারা এগুলোয় তাদের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এখন কাজগুলো সুচারু হবে। তাছাড়া কয়েক জায়গায় তারা তুলে নেবে।
তাছাড়া প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হঠাৎ সাপ্লাই বন্ধ করে দেয় ভারত, এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ভারত বলেছে, বিষয়টা তারা দেখবে। অন্যদিকে ১৮ মার্চ ভার্চ্যুয়ালী ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে পরিশোধিত ডিজেল আসবে দিনাজপুরের পাবর্তীপুর ডিপোতে। এদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন ।
এর আগে ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পাইপলাইন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। ভারতের লুমানিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এলআরএল) এবং বাংলাদেশের মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। আদানি গ্রুপের ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিড লাইনে যুক্ত হয়েছে।
জি-২০ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলন ও রাইসিনা ডায়লগে যোগ দেওয়ার ফাঁকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে সীমান্ত হত্যার প্রসঙ্গটি তোলেন আব্দুল মোমেন। তিনি জানান, যেগুলো ছোটখাটো সমস্যাগুলো নিয়ে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দিল্লি সফরটা খুব ফলপ্রসূ হয়েছে।




















