সাদিক অ্যাগ্রো উচ্ছেদের সময় ১৫ লাখ টাকার সেই ছাগল সরিয়ে নেওয়া হয়
- আপডেট সময় : ১০:১৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪ ১৮৪ বার পড়া হয়েছে
বৃহস্পতিবার ঢাকার মোহাম্মদপুরে সাদিক অ্যাগ্রো উচ্ছেদের সময় ১৫ লাখ টাকার সেই আলোচিত ছাগলটি সরিয়ে নেওয়া হয়। সাদিক অ্যাগ্রো ফার্মের স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বুলডোজার। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় অবৈধ জায়গায় গড়ে তোলা সাদিক অ্যাগ্রো ফার্মের স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বুলডোজার।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাদিক অ্যাগ্রো ফার্ম-এর দুটি খামারের অবৈধ অংশ ভেঙে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। খামার দুটির একটি সাতমসজিদ হাউজিংয়ের ১ নম্বর সড়কের শেষে রামচন্দ্রপুর খালের পাড়ে। অন্যটি মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ সড়কের পাশে নবীনগর হাউজিং এলাকার ৭ নম্বর সড়কের শুরুতে।
সাতমসজিদ হাউজিং এলাকায় মাত্র পৌনে ৫ শতক জমি ভাড়া নিয়ে ২০ শতকের ওপর খামার গড়ে তুলেছিল সাদিক অ্যাগ্রো। সেখানে তারা রামচন্দ্রপুর খালের প্রায় ১৫ শতক জায়গা দখলে নিয়েছিল। আর বেড়িবাঁধ সড়কের পাশে নবীনগর হাউজিংয়ে সাদিক অ্যাগ্রোর খামারটি গড়ে তোলা হয়েছিল পুরোটাই অবৈধ জায়গায়। সিটি করপোরেশনের প্রায় ৩৩ শতক (এক বিঘা) জমিতে তৈরি করা হয়েছিল এই খামার।
সিটি করপোরেশন সাদিক অ্যাগ্রোর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার সময় সেখান থেকে ১৫ লাখ টাকার আলোচিত সেই ছাগল সরিয়ে নেওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় সিটি করপোরেশন সাদিক অ্যাগ্রোর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার সময় সেখান থেকে ১৫ লাখ টাকার আলোচিত সেই ছাগল সরিয়ে নেওয়া হয়।
কোরবানির জন্য এই সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়েছিলেন এনবিআরের সদস্য মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তুমুল আলোচনা হয়। এরপর মতিউর রহমান ও তার পরিবারের বিপুল সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসে। মতিউরকে এরই মধ্যে এনবিআর থেকে অপসারণ করা হয়েছে। তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এ ছাড়া সাদিক অ্যাগ্রোর খামারের পেছনের অংশেই খাল ভরাট করা জায়গায় রিকশার গ্যারেজ ও বস্তিঘরের মতো বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা ছিল। অভিযানে এগুলোর বেশ কয়েকটি গ্যারেজ ও বস্তিঘর উচ্ছেদ করা হয়। তবে উচ্ছেদ অভিযানের খবর পেয়ে খাল ভরাট করে বসানো বস্তিঘরের বাসিন্দারা ছাউনির টিন ও বাঁশ-কাঠ খুলে ফেলতে শুরু করেন। পরে বাঁশ ও খুঁটিগুলো ভেঙে ফেলা হয়। এ সময় খালের পাড়ে অবৈধভাবে টিনের ছাউনি দিয়ে বানানো সাতমসজিদ ইউনিট আওয়ামী লীগের কার্যালয়ও ভাঙা হয়।



















