ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

মৃত্যুর পরও আলোচনার কেন্দ্রে তার নাম, বিপুল সম্পদ কার হাতে?

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

মৃত্যুর পরও আলোচনার কেন্দ্রে তার নাম, বিপুল সম্পদ কার হাতে?

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন অ্যাডলফ হিটলার। তিনি বার্লিনের ফুয়েরারবাংকারে আত্মহত্যা করেন, যেখানে তিনি তার স্ত্রী ইভা ব্রাউন-এর সাথে ছিলেন।

অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নাৎসি শাসনের নেতৃত্ব দেন।

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-এর ইউরোপীয় রণাঙ্গনে জার্মানির পরাজয় নিশ্চিত হওয়ার পর, হিটলার বার্লিনের ফুয়েরারবাংকারে আত্মহত্যা করেন।

তার স্ত্রী ইভা ব্রাউনও একই দিনে বিষক্রিয়ায় আত্মহত্যা করেন।

হিটলার ও ব্রাউনের মৃতদেহ পোড়ানোর জন্য একটি বাঙ্কার থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পরে তাদের দেহাবশেষ পুড়িয়ে ফেলা হয়।

অ্যাডলফ হিটলারের মৃত্যুর অনেক পরে তার কোটি কোটি টাকার সম্পদ ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়।

ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করতেন জামার্ন ইহুদি হেরম্যান
রথম্যান। ১৯৪৫ সালের সেই সকালটায় ঘুম থেকে উঠে তিনি বুঝতেও পারেননি কী তথ্য পেতে যাচ্ছেন, আর কত বিশেষ ও অনন্য হয়ে উঠতে যাচ্ছে তার মিশন।

গোয়েন্দারা তখনও জানতেন না যে, নাৎসি প্রচার বিষয়ক মন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের প্রেস সেক্রেটারি হাইনজ লরেঞ্জ জাল নথি রাখার দায়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।

১৯৪৫ সালে হিটলারের মৃত্যুর বিষয়ে যৌথ গোয়েন্দা কমিটির তদন্তকারী কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন, তাতে লেখা আছে, যখন প্রহরী লরেঞ্জের কাঁধে হাত রাখেন, তখন তিনি তার কাপড়ের নিচে কিছু কাগজপত্র আছে বলে টের পান।

তার জ্যাকেট থেকে এমন কিছু নথিপত্র পাওয়া যায়, যেগুলো লরেঞ্জের হাতে দিয়ে বার্লিন থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অ্যাডলফ হিটলারের ব্যক্তিগত সচিব মার্টিন বোরম্যান।

২০১৪ সালে হিটলার সম্পর্কে তার বই প্রকাশের সময় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রথম্যান বলেছিলেন যে, তাকে এবং তার চার জন সহকর্মীকে এই নথিগুলি অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে অনুবাদ করতে বলা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মৃত্যুর পরও আলোচনার কেন্দ্রে তার নাম, বিপুল সম্পদ কার হাতে?

আপডেট সময় : ০৪:০০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন অ্যাডলফ হিটলার। তিনি বার্লিনের ফুয়েরারবাংকারে আত্মহত্যা করেন, যেখানে তিনি তার স্ত্রী ইভা ব্রাউন-এর সাথে ছিলেন।

অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নাৎসি শাসনের নেতৃত্ব দেন।

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-এর ইউরোপীয় রণাঙ্গনে জার্মানির পরাজয় নিশ্চিত হওয়ার পর, হিটলার বার্লিনের ফুয়েরারবাংকারে আত্মহত্যা করেন।

তার স্ত্রী ইভা ব্রাউনও একই দিনে বিষক্রিয়ায় আত্মহত্যা করেন।

হিটলার ও ব্রাউনের মৃতদেহ পোড়ানোর জন্য একটি বাঙ্কার থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পরে তাদের দেহাবশেষ পুড়িয়ে ফেলা হয়।

অ্যাডলফ হিটলারের মৃত্যুর অনেক পরে তার কোটি কোটি টাকার সম্পদ ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়।

ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করতেন জামার্ন ইহুদি হেরম্যান
রথম্যান। ১৯৪৫ সালের সেই সকালটায় ঘুম থেকে উঠে তিনি বুঝতেও পারেননি কী তথ্য পেতে যাচ্ছেন, আর কত বিশেষ ও অনন্য হয়ে উঠতে যাচ্ছে তার মিশন।

গোয়েন্দারা তখনও জানতেন না যে, নাৎসি প্রচার বিষয়ক মন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের প্রেস সেক্রেটারি হাইনজ লরেঞ্জ জাল নথি রাখার দায়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।

১৯৪৫ সালে হিটলারের মৃত্যুর বিষয়ে যৌথ গোয়েন্দা কমিটির তদন্তকারী কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন, তাতে লেখা আছে, যখন প্রহরী লরেঞ্জের কাঁধে হাত রাখেন, তখন তিনি তার কাপড়ের নিচে কিছু কাগজপত্র আছে বলে টের পান।

তার জ্যাকেট থেকে এমন কিছু নথিপত্র পাওয়া যায়, যেগুলো লরেঞ্জের হাতে দিয়ে বার্লিন থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অ্যাডলফ হিটলারের ব্যক্তিগত সচিব মার্টিন বোরম্যান।

২০১৪ সালে হিটলার সম্পর্কে তার বই প্রকাশের সময় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রথম্যান বলেছিলেন যে, তাকে এবং তার চার জন সহকর্মীকে এই নথিগুলি অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে অনুবাদ করতে বলা হয়েছিল।