ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

মমতাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১ ২৭০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের সংবিধানে মতে ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে জিতলেই মুখ্যমন্ত্রিত্ব টেকানোর চ্যানেঞ্জে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে পরাজিত হওয়ার পর লালকার্ডের মতো বিষয়টি ঘুরপাক খাচ্ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে।

একারণে উপনির্বাচন সামনে রেখে ভবানীপুর হয়ে ওঠেছিলো মমতার ভাগ্যনির্ধারণের একমাত্র নিশানা। অবশেষে পশ্চিমবঙ্গ হাসলো। মমতার জয় নিয়ে তেমন একটা সন্দিহান ছিলেন না নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। তবে কতটা ব্যবধানে জয়ী হবেন মমতা সেটাই দেখার বিষয়।

সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেকর্ড ভোটে জয়ী হলেন। এই উপনির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নিজের রেকর্ড ভেঙে দিলেন মমতা। ভোট পেলেন ১ লাখ ১৭ হাজারেরও বেশি। আর জয়ী হয়েছেন ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটে।

২০১১ সালে যখন প্রথম পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন এই ভবানীপুর থেকে ৫৪ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এরপর ২০১৬ এই কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ভোট। ফলে শতকরার হিসেবে মমতা পেলেন ৮০ শতাংশের বেশি ভোট।

বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল ভোট পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩২০ ভোট এবং বামপ্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস পেয়েছেন ৪ হাজার ২০১ ভোট।

চলতি বছরের এপ্রিলে হয়ে যাওয়া পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে এই ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন বর্তমান কৃষিমন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। তখন এই কেন্দ্র থেকে শোভন

জিতেছিলেন ২৭ হাজার ৮০০ ভোটে। সেখানে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর কেন্দ্র থেকে পদত্যাগ করেন শোভন। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে প্রার্থী হন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের

মুখে এখন স্লোগান ভি ফর ভিক্টরি/ ভি ফর ভবানীপুর/ ভি ফর ভারত। অর্থাৎ এই উপনির্বাচনে জয়ের পর মমতার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মসনদ যেমন শক্তিশালী হলো, তেমনি দিল্লির দিকে এক ধাপ এগোলেন তিনি।

২০২৪ সালে পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম দাবিদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সে কারণেই নরেন্দ্র মোদির বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে কয়েক মাস ধরে একত্রিত করছিলেন মমতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মমতাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১

ভারতের সংবিধানে মতে ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে জিতলেই মুখ্যমন্ত্রিত্ব টেকানোর চ্যানেঞ্জে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে পরাজিত হওয়ার পর লালকার্ডের মতো বিষয়টি ঘুরপাক খাচ্ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে।

একারণে উপনির্বাচন সামনে রেখে ভবানীপুর হয়ে ওঠেছিলো মমতার ভাগ্যনির্ধারণের একমাত্র নিশানা। অবশেষে পশ্চিমবঙ্গ হাসলো। মমতার জয় নিয়ে তেমন একটা সন্দিহান ছিলেন না নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। তবে কতটা ব্যবধানে জয়ী হবেন মমতা সেটাই দেখার বিষয়।

সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেকর্ড ভোটে জয়ী হলেন। এই উপনির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নিজের রেকর্ড ভেঙে দিলেন মমতা। ভোট পেলেন ১ লাখ ১৭ হাজারেরও বেশি। আর জয়ী হয়েছেন ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটে।

২০১১ সালে যখন প্রথম পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন এই ভবানীপুর থেকে ৫৪ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এরপর ২০১৬ এই কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ভোট। ফলে শতকরার হিসেবে মমতা পেলেন ৮০ শতাংশের বেশি ভোট।

বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল ভোট পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩২০ ভোট এবং বামপ্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস পেয়েছেন ৪ হাজার ২০১ ভোট।

চলতি বছরের এপ্রিলে হয়ে যাওয়া পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে এই ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন বর্তমান কৃষিমন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। তখন এই কেন্দ্র থেকে শোভন

জিতেছিলেন ২৭ হাজার ৮০০ ভোটে। সেখানে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর কেন্দ্র থেকে পদত্যাগ করেন শোভন। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে প্রার্থী হন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের

মুখে এখন স্লোগান ভি ফর ভিক্টরি/ ভি ফর ভবানীপুর/ ভি ফর ভারত। অর্থাৎ এই উপনির্বাচনে জয়ের পর মমতার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মসনদ যেমন শক্তিশালী হলো, তেমনি দিল্লির দিকে এক ধাপ এগোলেন তিনি।

২০২৪ সালে পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম দাবিদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সে কারণেই নরেন্দ্র মোদির বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে কয়েক মাস ধরে একত্রিত করছিলেন মমতা।