ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

ভোটের আগে উন্নয়ন প্রকল্পে ‘না’: অনুমোদন ও উদ্বোধনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ইসির

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

ভোটের আগে উন্নয়ন প্রকল্পে ‘না’: অনুমোদন ও উদ্বোধনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ইসির

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে প্রভাবমুক্ত ও সুষ্ঠু করতে ভোটের আগে সব ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৪(৪) অনুযায়ী নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার দিন থেকে শুরু করে নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কোনো অনুদান ঘোষণা, বরাদ্দ বা অর্থ অবমুক্ত করতে পারবেন না।

নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখতে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় কোনো প্রার্থী সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি—যেমন অফিস, যানবাহন, মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ওয়াকিটকি বা অন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকি নির্ধারিত মাশুল দিয়েও এসব ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনি কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৪(৩) অনুযায়ী কোনো প্রার্থী নির্বাচনের আগে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কিংবা ফলক উন্মোচন করতে পারবেন না। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনি কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় অনুদান বা ত্রাণ বিতরণ সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

তবে আগে অনুমোদিত কোনো প্রকল্পে অর্থ অবমুক্ত করা একান্তভাবে প্রয়োজন হলে সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতি নিতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর এসব বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিধিমালার বিধি ২৭ অনুযায়ী শাস্তির আওতায় পড়বেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভোটের আগে উন্নয়ন প্রকল্পে ‘না’: অনুমোদন ও উদ্বোধনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ইসির

আপডেট সময় : ০৪:২২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে প্রভাবমুক্ত ও সুষ্ঠু করতে ভোটের আগে সব ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৪(৪) অনুযায়ী নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার দিন থেকে শুরু করে নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কোনো অনুদান ঘোষণা, বরাদ্দ বা অর্থ অবমুক্ত করতে পারবেন না।

নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখতে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় কোনো প্রার্থী সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি—যেমন অফিস, যানবাহন, মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ওয়াকিটকি বা অন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকি নির্ধারিত মাশুল দিয়েও এসব ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনি কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৪(৩) অনুযায়ী কোনো প্রার্থী নির্বাচনের আগে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কিংবা ফলক উন্মোচন করতে পারবেন না। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনি কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় অনুদান বা ত্রাণ বিতরণ সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

তবে আগে অনুমোদিত কোনো প্রকল্পে অর্থ অবমুক্ত করা একান্তভাবে প্রয়োজন হলে সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতি নিতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর এসব বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিধিমালার বিধি ২৭ অনুযায়ী শাস্তির আওতায় পড়বেন।