ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর বেঁচে থাকার প্রমাণ ভুয়া নাকি আসল? ৫ আঙুল দেখানো ভিডিওই ডিপফেক? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধমঞ্চে ইরানের দাপট, পাল্টে গেল হিসাব! জিয়ার ঐতিহাসিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আবারও খাল খনন শুরু করলেন তারেক রহমান ক্যামেলী পালের কবিতা ‘চাইলেই কি যাওয়া যায়’ ধর্মপাশায় বৃষ্টিতে স্বস্তি, প্রাণ ফিরে পেল বোরো আবাদ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ বিষয়ে বৈঠক সংস্কার পরিষদের সাংবিধানিক অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের প্রতিবেশীদের উসকে দিতে ‘ভুয়া ড্রোন’ কৌশল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী

ভিডিওর ভয় দেখিয়ে কিশোরীকে শারীরিক হেনস্থা, পাহারায় ছিলেন স্ত্রী, নেতা গ্রেফতার

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩০০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে টানা আট মাস যাবত স্ত্রীর পাহারায় এক কিশোরীকে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক

পার্টির সভাপতি হোসেন আলী (৫০) আটক করেছে র‌্যাব-১৪। রবিবার রাতে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন নির্যাতিত কিশোরীর

পিতা। ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে রবিবার গভীর রাতে হোসেন আলী ও তার তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগমকে (১৯) আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল

আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত হোসেন আলীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ওসি জানান, নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকার সুবাদে

প্রতিবেশী হোসেন আলীর বাসায় যাতায়াত ছিল ভুক্তভোগী পরিবারের। সেই সুযোগে কিশোরীর সঙ্গে কথা হতো জাপা নেতার। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সকালে হোসেন আলীর তৃতীয় স্ত্রী

তামান্না বেগম কিশোরীকে ঘরে ডেকে নিয়ে কোমল পানীয়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় ওষুধ সেবন করিয়ে অচেতন করে। পরে কিশোরী অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইলে ভিডিও

ধারণ করে হোসেন আলী। এ ঘটনা প্রকাশ করলে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে কিশোরীকে তার সঙ্গে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক করতে বলে ধর্ষক। পরের দিন সকালে আবারও

তামান্না বেগম ওই কিশোরীকে ডেকে এনে তার স্বামী হোসেন আলীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে বাইরে বসে পাহারা দেয়। ওসি আরও জানান, সাম্প্রতিক

সময়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণকালে হোসেন আলী জনতার হাতে আটক হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি স্থানীয় সালিসে বিষয়টি মীমাংসা করে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি ওই কিশোরীর পিছু ছাড়েননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভিডিওর ভয় দেখিয়ে কিশোরীকে শারীরিক হেনস্থা, পাহারায় ছিলেন স্ত্রী, নেতা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১০:৫৮:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে টানা আট মাস যাবত স্ত্রীর পাহারায় এক কিশোরীকে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক

পার্টির সভাপতি হোসেন আলী (৫০) আটক করেছে র‌্যাব-১৪। রবিবার রাতে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন নির্যাতিত কিশোরীর

পিতা। ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে রবিবার গভীর রাতে হোসেন আলী ও তার তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগমকে (১৯) আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল

আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত হোসেন আলীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ওসি জানান, নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকার সুবাদে

প্রতিবেশী হোসেন আলীর বাসায় যাতায়াত ছিল ভুক্তভোগী পরিবারের। সেই সুযোগে কিশোরীর সঙ্গে কথা হতো জাপা নেতার। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সকালে হোসেন আলীর তৃতীয় স্ত্রী

তামান্না বেগম কিশোরীকে ঘরে ডেকে নিয়ে কোমল পানীয়ের সঙ্গে নেশা জাতীয় ওষুধ সেবন করিয়ে অচেতন করে। পরে কিশোরী অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইলে ভিডিও

ধারণ করে হোসেন আলী। এ ঘটনা প্রকাশ করলে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে কিশোরীকে তার সঙ্গে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক করতে বলে ধর্ষক। পরের দিন সকালে আবারও

তামান্না বেগম ওই কিশোরীকে ডেকে এনে তার স্বামী হোসেন আলীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে বাইরে বসে পাহারা দেয়। ওসি আরও জানান, সাম্প্রতিক

সময়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণকালে হোসেন আলী জনতার হাতে আটক হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি স্থানীয় সালিসে বিষয়টি মীমাংসা করে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি ওই কিশোরীর পিছু ছাড়েননি।