ভারীবর্ষণ ও উজানের ঢলে ভেসে গেলো সিলেটে ঈদ আনন্দ
- আপডেট সময় : ০৬:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
ভারীবর্ষণ ও উজানের ঢলে ভেসে গেলো সিলেটে ঈদ আনন্দ। সিলেটের নগরীর ৭০ শতাংশ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ঈদ জামাতের অংশ নিতে পারেননি বহু মানুষ। কোরবানির দিতেও বেগ পেতে হয়েছে। দুর্ভোগকে সঙ্গী করেই সিলেট ও সুনামগঞ্জের বাসিন্দারা ঈদ পালন করতে হয়েছে। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জিতে ১৫ জুন সকাল ৯টা থেকে ১৬ জুন সকাল ৯টা পর্যন্ত ৪৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
এর আগের ২৪ ঘণ্টায় চেরাপুঞ্জিতে ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। চেরাপুঞ্জির বৃষ্টির জল পুরোটাই বাংলাদেশের সিলেট ও সুনামগঞ্জ নেমে আসে। এরই মধ্যে সুনামগঞ্জের অধিকাংশ এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ঈদের দিন সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সিলেটে ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ১৭৩ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
চেরাপুঞ্জি ও স্থানীয়ভাবে বৃষ্টির কারণে সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারাসহ সকল নদ নদীর জল বিপৎসীমা অতিক্রম করে সুরমার জলে প্লাবিত হয়ে পড়ে সিলেট নগরীর অধিকাংশ এলাকা । তাতে করে সিলেটে ঈদ আনন্দ ভেসে যায় বানের জলে। ভোর থেকে ভারী বর্ষণে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রাস্তায় কোমর সমান জল। নগরীর বহু বাসিন্দা ঈদ জামাতে অংশ নিতে পারেননি। কোরবানি দিতেও সমস্যা হয়।
সিলেট নগরীর মেজরটিলা ইসলামপুরের বিভিন্ন এলাকা, উপশহরের বিভিন্ন এলাকা, তেররতন, যতরপুর, শাপলাবাগ, মাছিমপুর, ছড়ারপাড়. কালীঘাট, সুবহানীঘাট, শিবগঞ্জ, সোনারপাড়া, মিরাবাজার, আগপাড়া, ঝেরঝেরীপাড়া, লামাবাজার, মীরের ময়দান, বাগবাড়ি, মদীনা মার্কেট, কুয়ারপাড় লালা দিঘীর পাড়, কানিশাইল, শাহী ঈদগাহ, খাসদবির, চৌখিদেখি, এয়ারপোর্ট সড়ক ও বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু-কোমর সমান জল।

জলমগ্ন এলাকার রাস্তাঘাটে স্রোত। প্রতিটি রাস্তাই ছোটখাটো খালে পরিণত হয়েছে। ড্রেনের নোংরা জল ঘরবাড়িতে প্রবেশ করেছে। খাবার জলের সংকট দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির কারণে কারণে কর্তৃপক্ষ ঈদের জামাতের স্থান ও সময় পরিবর্তন করা হয়। নগরের অন্তত ৭০ ভাগ জলমগ্ন। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ ও মসজিদ-মাদরাসা জল প্রবেশ করেছে।



















