ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন সামনে রেখে লুটের অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে  শঙ্কা, নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ গোপালগঞ্জের শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: এক দশক পর পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত ইরানের দিকে আরও মার্কিন সামরিক বহর: চাপ ও সমঝোতার বার্তায় বাড়ছে উত্তেজনা সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে নবনির্মিত দুটি বিওপি উদ্বোধন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক জাতীয় স্বার্থে বৈদেশিক নীতিতে ন্যূনতম রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনা চট্টগ্রামের বিশ্বযুদ্ধ সমাধিক্ষেত্রে মানবতার স্মরণে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের শ্রদ্ধা বেতন বাড়ানোর ক্ষমতা নেই অন্তর্বর্তী সরকারের, সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার নির্বাচনে জনগণের আস্থা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ ড. ইউনূসের

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: পরিবারে ফিরলেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমিনুল হক ভূইয়া

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের শান্তির হাটের জেলেরা তিন মাস পাঁচ দিন পরে অবশেষে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এল। দীর্ঘ নির্যাতন অনিশ্চয়তার দিনগুলো পার করে তারা বুধবার সোয়া পাঁচটায়  মংলা ফোর্টে পৌঁছান। এই দীর্ঘকালীন বিচ্ছিন্নতা তাদের পরিবারের জন্যও ছিল নিঃসন্দেহে দুঃসহ উদ্বেগপূর্ণ সময়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন শেখ বলেন, জেলেদের জন্য অবিলম্বে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। আমরা উপজেলা প্রশাসন অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ভোলা সদর উপজেলা কর্মকর্তা আরিফুজ জামানের সঙ্গে আল মামুন শেখের যৌথ উদ্যোগেই জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যায়।

ডিসি মহোদয়ের সক্রিয় সহযোগিতা মৎস্য মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত প্রচেষ্টায় জেলেরা নিরাপদে দেশে ফিরে আসে। মংলা ফোর্টে পরিবার আত্মীয়স্বজন তাদের পাশে দাঁড়ায়। ১৯ জেলের প্রত্যেকের চোখে আনন্দের অশ্রু, দীর্ঘদিনের চাপ ভয় সামলানো সহজ ছিল না।

পরিবারগুলো বলেছে, এই সময় তাদের জীবনে সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল, যখন কোনো খবর বা যোগাযোগের সুযোগ ছিল না।

মৎস্যজীবীরা জানান, প্রতিদিনের মাছ ধরার কাজ ছিল তাদের জীবিকা গর্বের উৎস। দীর্ঘ সময়ের বিচ্ছিন্নতা বিদেশী কারাগারের কষ্ট তারা কখনও ভুলবেন না। তবে আজকের দিন তাদের জন্য নতুন আশার বার্তা, যে দেশে ফিরে তারা আবার স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারবে।

এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং স্থানীয় মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্যও শিক্ষণীয়। এটি প্রমাণ করে যে, সমন্বিত প্রচেষ্টা মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকেও পরিবার সমাজকে ফেরানো সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: পরিবারে ফিরলেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

আমিনুল হক ভূইয়া

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের শান্তির হাটের জেলেরা তিন মাস পাঁচ দিন পরে অবশেষে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এল। দীর্ঘ নির্যাতন অনিশ্চয়তার দিনগুলো পার করে তারা বুধবার সোয়া পাঁচটায়  মংলা ফোর্টে পৌঁছান। এই দীর্ঘকালীন বিচ্ছিন্নতা তাদের পরিবারের জন্যও ছিল নিঃসন্দেহে দুঃসহ উদ্বেগপূর্ণ সময়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন শেখ বলেন, জেলেদের জন্য অবিলম্বে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। আমরা উপজেলা প্রশাসন অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ভোলা সদর উপজেলা কর্মকর্তা আরিফুজ জামানের সঙ্গে আল মামুন শেখের যৌথ উদ্যোগেই জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যায়।

ডিসি মহোদয়ের সক্রিয় সহযোগিতা মৎস্য মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত প্রচেষ্টায় জেলেরা নিরাপদে দেশে ফিরে আসে। মংলা ফোর্টে পরিবার আত্মীয়স্বজন তাদের পাশে দাঁড়ায়। ১৯ জেলের প্রত্যেকের চোখে আনন্দের অশ্রু, দীর্ঘদিনের চাপ ভয় সামলানো সহজ ছিল না।

পরিবারগুলো বলেছে, এই সময় তাদের জীবনে সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল, যখন কোনো খবর বা যোগাযোগের সুযোগ ছিল না।

মৎস্যজীবীরা জানান, প্রতিদিনের মাছ ধরার কাজ ছিল তাদের জীবিকা গর্বের উৎস। দীর্ঘ সময়ের বিচ্ছিন্নতা বিদেশী কারাগারের কষ্ট তারা কখনও ভুলবেন না। তবে আজকের দিন তাদের জন্য নতুন আশার বার্তা, যে দেশে ফিরে তারা আবার স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারবে।

এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং স্থানীয় মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্যও শিক্ষণীয়। এটি প্রমাণ করে যে, সমন্বিত প্রচেষ্টা মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকেও পরিবার সমাজকে ফেরানো সম্ভব।