ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা পানিতে ডুবে প্রতিদিন ৫১ জনের বেশি প্রাণহানি, ৭৫ শতাংশের বেশি শিশু সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ফোর্সের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা শার্শায় ভারতীয় মোবাইল ও নগদ ৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকাসহ আটক ২   পঞ্চগড়ে টানা ছয় দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রয়েছে: ভারতের সেনাপ্রধান বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি বাংলাদেশে, ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহযোগিতা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উসকানি,  রাষ্ট্রদূতকে তলব কড়া  বার্তা ঢাকার

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: পরিবারে ফিরলেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমিনুল হক ভূইয়া

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের শান্তির হাটের জেলেরা তিন মাস পাঁচ দিন পরে অবশেষে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এল। দীর্ঘ নির্যাতন অনিশ্চয়তার দিনগুলো পার করে তারা বুধবার সোয়া পাঁচটায়  মংলা ফোর্টে পৌঁছান। এই দীর্ঘকালীন বিচ্ছিন্নতা তাদের পরিবারের জন্যও ছিল নিঃসন্দেহে দুঃসহ উদ্বেগপূর্ণ সময়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন শেখ বলেন, জেলেদের জন্য অবিলম্বে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। আমরা উপজেলা প্রশাসন অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ভোলা সদর উপজেলা কর্মকর্তা আরিফুজ জামানের সঙ্গে আল মামুন শেখের যৌথ উদ্যোগেই জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যায়।

ডিসি মহোদয়ের সক্রিয় সহযোগিতা মৎস্য মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত প্রচেষ্টায় জেলেরা নিরাপদে দেশে ফিরে আসে। মংলা ফোর্টে পরিবার আত্মীয়স্বজন তাদের পাশে দাঁড়ায়। ১৯ জেলের প্রত্যেকের চোখে আনন্দের অশ্রু, দীর্ঘদিনের চাপ ভয় সামলানো সহজ ছিল না।

পরিবারগুলো বলেছে, এই সময় তাদের জীবনে সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল, যখন কোনো খবর বা যোগাযোগের সুযোগ ছিল না।

মৎস্যজীবীরা জানান, প্রতিদিনের মাছ ধরার কাজ ছিল তাদের জীবিকা গর্বের উৎস। দীর্ঘ সময়ের বিচ্ছিন্নতা বিদেশী কারাগারের কষ্ট তারা কখনও ভুলবেন না। তবে আজকের দিন তাদের জন্য নতুন আশার বার্তা, যে দেশে ফিরে তারা আবার স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারবে।

এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং স্থানীয় মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্যও শিক্ষণীয়। এটি প্রমাণ করে যে, সমন্বিত প্রচেষ্টা মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকেও পরিবার সমাজকে ফেরানো সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: পরিবারে ফিরলেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

আমিনুল হক ভূইয়া

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের শান্তির হাটের জেলেরা তিন মাস পাঁচ দিন পরে অবশেষে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এল। দীর্ঘ নির্যাতন অনিশ্চয়তার দিনগুলো পার করে তারা বুধবার সোয়া পাঁচটায়  মংলা ফোর্টে পৌঁছান। এই দীর্ঘকালীন বিচ্ছিন্নতা তাদের পরিবারের জন্যও ছিল নিঃসন্দেহে দুঃসহ উদ্বেগপূর্ণ সময়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন শেখ বলেন, জেলেদের জন্য অবিলম্বে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। আমরা উপজেলা প্রশাসন অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ভোলা সদর উপজেলা কর্মকর্তা আরিফুজ জামানের সঙ্গে আল মামুন শেখের যৌথ উদ্যোগেই জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যায়।

ডিসি মহোদয়ের সক্রিয় সহযোগিতা মৎস্য মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত প্রচেষ্টায় জেলেরা নিরাপদে দেশে ফিরে আসে। মংলা ফোর্টে পরিবার আত্মীয়স্বজন তাদের পাশে দাঁড়ায়। ১৯ জেলের প্রত্যেকের চোখে আনন্দের অশ্রু, দীর্ঘদিনের চাপ ভয় সামলানো সহজ ছিল না।

পরিবারগুলো বলেছে, এই সময় তাদের জীবনে সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল, যখন কোনো খবর বা যোগাযোগের সুযোগ ছিল না।

মৎস্যজীবীরা জানান, প্রতিদিনের মাছ ধরার কাজ ছিল তাদের জীবিকা গর্বের উৎস। দীর্ঘ সময়ের বিচ্ছিন্নতা বিদেশী কারাগারের কষ্ট তারা কখনও ভুলবেন না। তবে আজকের দিন তাদের জন্য নতুন আশার বার্তা, যে দেশে ফিরে তারা আবার স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারবে।

এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং স্থানীয় মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্যও শিক্ষণীয়। এটি প্রমাণ করে যে, সমন্বিত প্রচেষ্টা মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকেও পরিবার সমাজকে ফেরানো সম্ভব।