বায়ুদূষণ রোধে টাওয়ার
- আপডেট সময় : ১১:৫২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
ব্যস্ততম শহরে বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বায়ুদূষণ ঠেকাতে ভারতের রাজধানী দিল্লীতে একাধিক টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে।
গেল বছর নয়াদিল্লির সিটি পার্কে স্থাপন করা হয় বায়ু পরিশোধন টাওয়ার। ইট-পাথরের জালির ভেতরে বায়ু পরিশোধন যন্ত্র বসানো। ১৮ ফুট উচ্চতার টাওয়ারের সাদা রঙের জালি ভেদ করে ভেতরে বায়ু প্রবেশ করে। নির্মাণকারীরা বলছেন, টাওয়ারটি বাতাসের নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড এবং ভয়ানক কণা শোষণ করতে সক্ষম। প্রতিদিন ৬ লাখ কিউবিক মিটার বাতাস পরিশোধনে সক্ষম।
আন্তঃপাখাচালিত তাদের যন্ত্রটি ৬৫৬ থেকে ১ হাজার ৬৪০ ফুটের বাতাসের তেজস্ক্রিয় ও দূষিত উপাদান শোষণ করতে পারে। তবে খোলা স্থানে এটি ৩২৮ থেকে ১ হাজার ১৪৮ ফুটের বাতাস পরিশোধনে সক্ষমতা রয়েছে।
চিকিৎসাবিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেটের গবেষণায় দেখা গেছে, কেবল ২০১৯ সালে ভারতে বায়ুদূষণের কারণে ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নয়াদিল্লি প্রতিদিনই যানবাহনের নির্গত ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। শস্য পোড়ানো ও কয়লাভিত্তিক প্রকল্প থেকেও ধোঁয়া নির্গত হয়। এগুলো বাতাসের মান খারাপ করে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ এফেক্ট ইনস্টিটিউট জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র বস্তুকণা (পিএম ২.৫) রয়েছে ভারতের রাজধানী শহরে।
টাওয়ারটির ভেতরে বাতাস পরিশোধনের জন্য বসানো হয়েছে বৈদ্যুতিক পাখা। এটি বাতাস পরিশোধন করলেও কিছুটা দূষণও করছে। টাওয়ারের ভেতরে রয়েছে পরিশোধন ফিল্টার। এটি প্রতি ৩ থেকে ৯ মাসের মধ্যে পরিবর্তন করতে হয়। টাওয়ার থেকে ৭৫ ডেসিবেল শব্দ বের হয়। অমিত গুপ্ত মনে করেন, পুরো দিল্লিতে বাতাস পরিশোধনের জন্য কমপক্ষে ১০০টি পরিশোধন টাওয়ার প্রয়োজন হবে। সূত্র: সিএনএন।




















