ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন মজুদ পর্যাপ্ত, তবু বাজারে তেলের সংকট  মুনাফাখোরদের কারসাজি বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ গুম হওয়া পরিবারের সন্তানদের জন্য ভাতা চালুর উদ্যোগ: মির্জা ফখরুল

বায়ুদূষণ রোধে টাওয়ার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩ ৩০১ বার পড়া হয়েছে

দিল্লীতে বায়ুদূষণ রোধে টাওয়ার-সিএনএন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

ব্যস্ততম শহরে বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বায়ুদূষণ ঠেকাতে ভারতের রাজধানী দিল্লীতে একাধিক টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে।

গেল বছর নয়াদিল্লির সিটি পার্কে স্থাপন করা হয় বায়ু পরিশোধন টাওয়ার। ইট-পাথরের জালির ভেতরে বায়ু পরিশোধন যন্ত্র বসানো। ১৮ ফুট উচ্চতার টাওয়ারের সাদা রঙের জালি ভেদ করে ভেতরে বায়ু প্রবেশ করে। নির্মাণকারীরা বলছেন, টাওয়ারটি বাতাসের নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড এবং ভয়ানক কণা শোষণ করতে সক্ষম। প্রতিদিন ৬ লাখ কিউবিক মিটার বাতাস পরিশোধনে সক্ষম।

আন্তঃপাখাচালিত তাদের যন্ত্রটি ৬৫৬ থেকে ১ হাজার ৬৪০ ফুটের বাতাসের তেজস্ক্রিয় ও দূষিত উপাদান শোষণ করতে পারে। তবে খোলা স্থানে এটি ৩২৮ থেকে ১ হাজার ১৪৮ ফুটের বাতাস পরিশোধনে সক্ষমতা রয়েছে।

চিকিৎসাবিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেটের গবেষণায় দেখা গেছে, কেবল ২০১৯ সালে ভারতে বায়ুদূষণের কারণে ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নয়াদিল্লি প্রতিদিনই যানবাহনের নির্গত ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। শস্য পোড়ানো ও কয়লাভিত্তিক প্রকল্প থেকেও ধোঁয়া নির্গত হয়। এগুলো বাতাসের মান খারাপ করে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ এফেক্ট ইনস্টিটিউট জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র বস্তুকণা (পিএম ২.৫) রয়েছে ভারতের রাজধানী শহরে।

টাওয়ারটির ভেতরে বাতাস পরিশোধনের জন্য বসানো হয়েছে বৈদ্যুতিক পাখা। এটি বাতাস পরিশোধন করলেও কিছুটা দূষণও করছে। টাওয়ারের ভেতরে রয়েছে পরিশোধন ফিল্টার। এটি প্রতি ৩ থেকে ৯ মাসের মধ্যে পরিবর্তন করতে হয়। টাওয়ার থেকে ৭৫ ডেসিবেল শব্দ বের হয়। অমিত গুপ্ত মনে করেন, পুরো দিল্লিতে বাতাস পরিশোধনের জন্য কমপক্ষে ১০০টি পরিশোধন টাওয়ার প্রয়োজন হবে। সূত্র: সিএনএন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বায়ুদূষণ রোধে টাওয়ার

আপডেট সময় : ১১:৫২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

ব্যস্ততম শহরে বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বায়ুদূষণ ঠেকাতে ভারতের রাজধানী দিল্লীতে একাধিক টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে।

গেল বছর নয়াদিল্লির সিটি পার্কে স্থাপন করা হয় বায়ু পরিশোধন টাওয়ার। ইট-পাথরের জালির ভেতরে বায়ু পরিশোধন যন্ত্র বসানো। ১৮ ফুট উচ্চতার টাওয়ারের সাদা রঙের জালি ভেদ করে ভেতরে বায়ু প্রবেশ করে। নির্মাণকারীরা বলছেন, টাওয়ারটি বাতাসের নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড এবং ভয়ানক কণা শোষণ করতে সক্ষম। প্রতিদিন ৬ লাখ কিউবিক মিটার বাতাস পরিশোধনে সক্ষম।

আন্তঃপাখাচালিত তাদের যন্ত্রটি ৬৫৬ থেকে ১ হাজার ৬৪০ ফুটের বাতাসের তেজস্ক্রিয় ও দূষিত উপাদান শোষণ করতে পারে। তবে খোলা স্থানে এটি ৩২৮ থেকে ১ হাজার ১৪৮ ফুটের বাতাস পরিশোধনে সক্ষমতা রয়েছে।

চিকিৎসাবিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেটের গবেষণায় দেখা গেছে, কেবল ২০১৯ সালে ভারতে বায়ুদূষণের কারণে ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নয়াদিল্লি প্রতিদিনই যানবাহনের নির্গত ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। শস্য পোড়ানো ও কয়লাভিত্তিক প্রকল্প থেকেও ধোঁয়া নির্গত হয়। এগুলো বাতাসের মান খারাপ করে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ এফেক্ট ইনস্টিটিউট জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র বস্তুকণা (পিএম ২.৫) রয়েছে ভারতের রাজধানী শহরে।

টাওয়ারটির ভেতরে বাতাস পরিশোধনের জন্য বসানো হয়েছে বৈদ্যুতিক পাখা। এটি বাতাস পরিশোধন করলেও কিছুটা দূষণও করছে। টাওয়ারের ভেতরে রয়েছে পরিশোধন ফিল্টার। এটি প্রতি ৩ থেকে ৯ মাসের মধ্যে পরিবর্তন করতে হয়। টাওয়ার থেকে ৭৫ ডেসিবেল শব্দ বের হয়। অমিত গুপ্ত মনে করেন, পুরো দিল্লিতে বাতাস পরিশোধনের জন্য কমপক্ষে ১০০টি পরিশোধন টাওয়ার প্রয়োজন হবে। সূত্র: সিএনএন।