ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক

বাংলাদেশে যে সরকারই থাকুক, একসঙ্গে কাজ করবে চীন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের পছন্দকে মেনে নেওয়া এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সহায়তা দিচ্ছি। আমরা আশা করি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সব ধরনের সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে

বাংলাদেশে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না, এক সঙ্গে কাজ করবে চীন। মঙ্গলবার সেন্টার ফর অলটারনেটিভ আয়োজিত ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং অংশীদার চীন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থার যেকোনও পরিবর্তনে আমাদের নীতি একই রকম থাকে। এ দেশে যারাই সরকারে থাকুক, চীন তাদের অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

আমরা নির্দিষ্ট কোনও দল বা অংশীদারকে কেন্দ্র করে নীতি গ্রহণ করি না। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের সব জনগণের মঙ্গলের জন্য।

চীনের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের পছন্দকে মেনে নেওয়া এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সহায়তা দিচ্ছি। আমরা আশা করি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সব ধরনের সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে বাংলাদেশের মানুষ কী চায়, সেটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। চীনের অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। চীন সম্পর্কে আমরা জানাতে চাই বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়ছে জানিয়ে রাষ্ট্র বলেন, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ৫৮টি ফ্লাইট চলাচল করছে। এসব ফ্লাইটে ১১ হাজার যাত্রী বহনে সক্ষম। চীনা সরকার যাত্রীসেবা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর এবং সেন্টার ফর অলটারনেটিভের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ ‘ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ শীর্ষক গবেষণার প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন। সেমিনারে সাবেক রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে সামস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও গবেষক সৈয়দ শাহনেওয়াজ মোহসিন বক্তব্য রাখেন।

রোহিঙ্গা সংকট

সেন্টার ফর অলটারনেটিভের গবেষণায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কোন কোন দেশের আরও বেশি কাজ করা উচিত প্রশ্নে ৫৮ শতাংশ বাংলাদেশি মনে করেন যে, চীনের আরও বেশি কাজ করা উচিত।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা উৎসাহ বোধ করছি— বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের আরও বড় ভূমিকা দেখতে চায়। আমি এ কারণে আমার ঘাড়ে বেশি চাপ অনুভব করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশে যে সরকারই থাকুক, একসঙ্গে কাজ করবে চীন

আপডেট সময় : ০৯:২৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

চীনের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের পছন্দকে মেনে নেওয়া এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সহায়তা দিচ্ছি। আমরা আশা করি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সব ধরনের সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে

বাংলাদেশে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না, এক সঙ্গে কাজ করবে চীন। মঙ্গলবার সেন্টার ফর অলটারনেটিভ আয়োজিত ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং অংশীদার চীন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থার যেকোনও পরিবর্তনে আমাদের নীতি একই রকম থাকে। এ দেশে যারাই সরকারে থাকুক, চীন তাদের অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

আমরা নির্দিষ্ট কোনও দল বা অংশীদারকে কেন্দ্র করে নীতি গ্রহণ করি না। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের সব জনগণের মঙ্গলের জন্য।

চীনের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের পছন্দকে মেনে নেওয়া এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সহায়তা দিচ্ছি। আমরা আশা করি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সব ধরনের সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে বাংলাদেশের মানুষ কী চায়, সেটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। চীনের অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। চীন সম্পর্কে আমরা জানাতে চাই বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়ছে জানিয়ে রাষ্ট্র বলেন, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ৫৮টি ফ্লাইট চলাচল করছে। এসব ফ্লাইটে ১১ হাজার যাত্রী বহনে সক্ষম। চীনা সরকার যাত্রীসেবা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর এবং সেন্টার ফর অলটারনেটিভের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ ‘ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ শীর্ষক গবেষণার প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন। সেমিনারে সাবেক রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে সামস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও গবেষক সৈয়দ শাহনেওয়াজ মোহসিন বক্তব্য রাখেন।

রোহিঙ্গা সংকট

সেন্টার ফর অলটারনেটিভের গবেষণায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কোন কোন দেশের আরও বেশি কাজ করা উচিত প্রশ্নে ৫৮ শতাংশ বাংলাদেশি মনে করেন যে, চীনের আরও বেশি কাজ করা উচিত।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা উৎসাহ বোধ করছি— বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের আরও বড় ভূমিকা দেখতে চায়। আমি এ কারণে আমার ঘাড়ে বেশি চাপ অনুভব করছি।