ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে

ফুটবল মাঠে হঠাৎ ৩০ ফুট গভীর গর্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল মাঠে হঠাৎ ৩০ ফুট গভীর গর্ত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ফুটবল মাঠের মাঝখানে হঠাৎ করে ১০০ ফুট বিস্তৃত এবং ৩০ ফুট গভীর একটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।গর্ত সৃষ্টি হওয়ার মূহূর্তটি ধরা পড়ে মাঠের পাশে থাকা সিসি ক্যামেরায়। এতে দেখা যাচ্ছে, হঠাৎ করে মাঠে যেন কোনো কিছুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। এরপর তৈরি হয় বিশাল গর্ত। ওই সময় মাটির নিচ থেকে তীব্র বেগে পানিও বের হয়ে আসে।

এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়নিসে। তখন মাঠে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ করে এমন গর্ত সৃষ্টি হওয়াকে ‘সিঙ্কহোল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ধস-গহ্বর বা সিঙ্কহোল হল কোনো কারণে ভূগর্ভের কোনো স্তর ধসে যাবার কারণে ভূ-পৃষ্ঠতলে সৃষ্ট অবনমন বা গহ্বর (গর্ত)। একটি সিঙ্কহোল আয়তনের দিক থেকে ১ ফিট থেকে ১০০ একরের বেশি পর্যন্ত এবং উচ্চতায় দিক থেকে ১০০ ফিট পর্যন্ত হতে পারে।

জানা গেছে, ভূপৃষ্ঠের নিচে রয়েছে পানির প্রবাহ (যেখান থেকে আমরা গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের নিচ থেকে পানি উঠাতে পারি)। মাটির একদম নিচের স্তর বা ভূগর্ভস্থ পানির উপরিভাগে রয়েছে অনেক পাথর যেগুলিকে বলা হয় কার্বনেট বেরক বা বেডরক। বছরের পর বছর বিভিন্ন জায়গায় মাটির নিচে পানি প্রবাহ চলমান থাকা অবস্থায় ধীরে ধীরে ছোট পাথরগুলি সরে যেতে শুরু করে। পীঠশিলাগুলি (বেডরক) সরে যেতে যেতে মাটির তলদেশে এক সময় বিশাল আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়।

বহু বছর ধরে তৈরি হওয়া গর্ত যখন বড় হতে থাকে তখন সেটির চারপাশের মাটি এবং পাথর সেই গর্তে নিমজ্জিত হতে শুরু করে। ফলস্বরূপ একসময় ভূগর্ভস্থ সেই গর্তের আয়তন বৃদ্ধি পেতে থাকে। উপরিভাগের জমি যখন আর সেই চাপ সহ্য করতে পারে না তখনই হঠাৎ মাটির উপরিভাগের বিশাল এলাকা সঙ্গে নিয়ে সেটি মাটির তলদেশে বিলীন হয়ে যায়। এইভাবেই সৃষ্টি হয় দানব আকৃতির বড় বড় সব সিঙ্কহোল।

সূত্র: সিবিএস নিউজ, উইকিপিডিয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফুটবল মাঠে হঠাৎ ৩০ ফুট গভীর গর্ত

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪

 

ফুটবল মাঠের মাঝখানে হঠাৎ করে ১০০ ফুট বিস্তৃত এবং ৩০ ফুট গভীর একটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।গর্ত সৃষ্টি হওয়ার মূহূর্তটি ধরা পড়ে মাঠের পাশে থাকা সিসি ক্যামেরায়। এতে দেখা যাচ্ছে, হঠাৎ করে মাঠে যেন কোনো কিছুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। এরপর তৈরি হয় বিশাল গর্ত। ওই সময় মাটির নিচ থেকে তীব্র বেগে পানিও বের হয়ে আসে।

এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়নিসে। তখন মাঠে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ করে এমন গর্ত সৃষ্টি হওয়াকে ‘সিঙ্কহোল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ধস-গহ্বর বা সিঙ্কহোল হল কোনো কারণে ভূগর্ভের কোনো স্তর ধসে যাবার কারণে ভূ-পৃষ্ঠতলে সৃষ্ট অবনমন বা গহ্বর (গর্ত)। একটি সিঙ্কহোল আয়তনের দিক থেকে ১ ফিট থেকে ১০০ একরের বেশি পর্যন্ত এবং উচ্চতায় দিক থেকে ১০০ ফিট পর্যন্ত হতে পারে।

জানা গেছে, ভূপৃষ্ঠের নিচে রয়েছে পানির প্রবাহ (যেখান থেকে আমরা গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের নিচ থেকে পানি উঠাতে পারি)। মাটির একদম নিচের স্তর বা ভূগর্ভস্থ পানির উপরিভাগে রয়েছে অনেক পাথর যেগুলিকে বলা হয় কার্বনেট বেরক বা বেডরক। বছরের পর বছর বিভিন্ন জায়গায় মাটির নিচে পানি প্রবাহ চলমান থাকা অবস্থায় ধীরে ধীরে ছোট পাথরগুলি সরে যেতে শুরু করে। পীঠশিলাগুলি (বেডরক) সরে যেতে যেতে মাটির তলদেশে এক সময় বিশাল আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়।

বহু বছর ধরে তৈরি হওয়া গর্ত যখন বড় হতে থাকে তখন সেটির চারপাশের মাটি এবং পাথর সেই গর্তে নিমজ্জিত হতে শুরু করে। ফলস্বরূপ একসময় ভূগর্ভস্থ সেই গর্তের আয়তন বৃদ্ধি পেতে থাকে। উপরিভাগের জমি যখন আর সেই চাপ সহ্য করতে পারে না তখনই হঠাৎ মাটির উপরিভাগের বিশাল এলাকা সঙ্গে নিয়ে সেটি মাটির তলদেশে বিলীন হয়ে যায়। এইভাবেই সৃষ্টি হয় দানব আকৃতির বড় বড় সব সিঙ্কহোল।

সূত্র: সিবিএস নিউজ, উইকিপিডিয়া