প্রবাসীকে নিতে এসে প্রাণ গেলো স্ত্রী সন্তানসহ ৭ জনের
- আপডেট সময় : ০৯:২১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫ ২০০ বার পড়া হয়েছে
মা, শ্বাশুড়ি, স্ত্রী, সন্তানসহ ১১জন ঢাকায় এসেছিলেন ওমান ফেরত বাহারকে বাড়ি নিয়ে যেতে। ফেরার পথে নোয়াখালী এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি জলাশয়ে পড়ে যায় ।
মা, শ্বাশুড়ি, স্ত্রী, সন্তানসহ ১১জন ঢাকায় এসেছিলেন ওমান ফেরত বাহারকে বাড়ি নিয়ে যেতে। ফেরার পথে নোয়াখালী এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি জলাশয়ে পড়ে যায় । তাতে স্ত্রী, সন্তান, মাসহ ৭জন প্রাণ হারায়। বাড়ি ফেরার আনন্দ ঢেকে যায় বিষাদে। বুধবার দুর্ঘটনার পর মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
সৃষ্টি হয় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের। সকাল থেকে পারিবারিক কবরস্থানে খোঁড়া হয় একে একে ৬টি কবর। একই সারিত শায়িত করা হয় তাদের। বাকি একজনকে অন্যত্র সমাহিত করা হয়। বাহার বলেন, দুই ভাইয়ের দুই শিশু মেয়ে মারা গেছে, এক ভাইয়ের স্ত্রী মারা গেছে।
ভাইয়েরা বিদেশে, তাদের কি জবাব দেব? নিজের স্ত্রী-সন্তানেরও প্রাণ গেল। মা মারা গেল। কি নিয়ে বাঁচব আমি? ওমান প্রবাসী বাহার উদ্দিন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চৌপল্লী গ্রামের কাশারি বাড়ির বাসিন্দা।
সড়ক দুর্ঘটনায় মা, নানি, স্ত্রী, সন্তানসহ বাহারের ৭ জনের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরেন। আড়াই বছর পর ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’, ফেসবুকে এমন স্ট্যাটাস দিয়ে ওমান থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন মো. বাহার। তাকে স্বাগত জানাতে বাড়ি থেকে পরিবারের শিশুসহ ১১ জন সদস্য যান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।
ঢাকার বিমানবন্দর থেকে আসার পথে তাদের বহনকৃত মাইক্রোবাসটি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজারে রহমতখালী খালে পড়ে যায়। এতে গাড়িসহ পানিতে ডুবে তিন শিশুসহ সাতজন নিহত হয়। নিহতরা সবাই নারী। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফিরেছেন চালকসহ ছয়জন।



















