প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যার হত্যার ছক
- আপডেট সময় : ০৯:১২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১ ৩১৩ বার পড়া হয়েছে
প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যার হত্যার ছক আঁকে প্রত্যাবাসবিরোধী গোষ্ঠী। আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ছিলেন মুহিবুল্লাহ মাস্টার। হিন্দি সিনেমার গা হিম করা পরিকল্পনার জাল বিস্তার করে একটি দুর্বৃত্ত
সংগঠনের শীর্ষ নেতার নির্দেশে মহিবুল্লাহ হত্যা মিশনে অংশ নেয় ১৯ জন। যার পাঁচজন ছিলো অস্ত্রধারী। পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে কয়েক মিনিটেই কিলিং মিশন শেষে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুর্বৃত্তরা। কিলিং স্কোয়াডের সদস্য আজিজুল হককে গ্রেফতাররের পর শনিবার মুহিবুল্লাহ মাস্টার
হত্যার ছক সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলেন ধরেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক। এর আগে ভোরে আজিজুল হককে লাম্বাশিয়া পুলিশ ক্যাম্পের লোহার ব্রিজ এলাকা থেকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে এপিবিএন-১৪-এর সদস্যরা।
আজিজুল হক ছাড়াও হত্যায় সহযোগিতা করা কুতুপালং শিবির-১ এর ডি-৮ ব্লকের মোহাম্মদ রশিদ ওরফে মুরশিদ আমিন ও একই শিবিরের বি ব্লকের মোহাম্মদ আনাস ও নুর মোহাম্মদকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুলের স্বীকারোক্তির কথা জানিয়ে ১৪ আমর্ড পুলিশ
ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক বলেন, মুহিবুল্লার হত্যার দু’দিন আগে মরকাজ পাহাড়ে মুহিবুল্লার হত্যা বিষয়ে বৈঠক করে দুর্বৃত্তরা। সেখান থেকে ১৯ জনকে মিশনে অংশ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে পাঁচজনকে সশস্ত্র অবস্থায় পাঠানো হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে আজিজুল হক জানায়, মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গাদের নেতা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। তার উত্থান ও প্রত্যাবাসন ঠেকাতে যেকোনো মূল্যে তাকে হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনা মতো ২৯ সেপ্টেম্বর মুহিবুল্লাহকে অফিসে ডাকা হয়। প্রত্যাবাসন বিষয়ে
কয়েকজন কথা বলতে ডাকছে বলে বাসা থেকে বের করে আনে গ্রেফতার মুরশিদ। এরপর বাকিদের সংকেত দিয়ে সে অফিস থেকে চলে যায়। নাইমুল হক আরও বলেন, সশস্ত্র টিম অফিসে ঢুকে একজন মুহিবুল্লাহকে বলে ‘ওঠ’ তোর সঙ্গে কথা আছে। বসা থেকে উঠতেই
প্রথমজনের একটি, তার পরেরজনের দুটিসহ মোট চারটি গুলি করা হয় মুহিবুল্লাহকে। এরপর মুহিবুল্লার বাড়ির পেছন দিয়ে পালিয়ে যায় স্কোয়াডের পাঁচজন। পরে সবাই সতর্ক হয়ে যায়। বিভিন্নজনের ওপর দোষ চাপাতে থাকে। অপর জড়িতদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।

























