ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুটবলের পর ফুটসালেও সাফ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, সাবিনাকে নিয়ে গর্বিত বাফুফে সভাপতি নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি, ভারতের প্রতি তীব্র প্রতিবাদ বাংলাদেশের দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে বিএনপি, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রধান অঙ্গীকার: তারেক রহমান বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার

তিব্বত সফরে পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশ দিলেন শি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সম্প্রতি তিব্বত সফর করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেখানকার বাসিন্দাদের তিনি দেশটির ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এসময় তিনি

জাতিগত সম্প্রীতি প্রচার এবং তিব্বতের বৌদ্ধধর্মকে সক্রিয়ভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।

তিব্বতের প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শি বলেন, তিব্বতের পরিচিতি বৃদ্ধি করতে হবে। তবে তা হবে চীনের মূল ভূখণ্ড ও নীতির সঙ্গে সামজঞ্জস্যপূর্ণ। সেইসঙ্গে চীনের সংস্কৃতি, চীনা

কমিউনিস্ট পার্টি ও সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে তিব্বতকে উন্নত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সফল হলে নবজীবন পাবে চীন।

গত তিন দশকে এই প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্ট তিব্বত সফর করল। বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা ঝুকিতে পড়েছে চীন। যার কারণে বেশ গুরুত্ব দিয়েই তিব্বতে গিয়েছেন শি বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা চলে আসছে চীনের। তার সীমান্তে নিরাপত্তা এখন শি জিনপিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিব্বত সফর মূলত ভারতের প্রতি একটি বার্তা পৌছানো।

তাছাড়া চীনের সীমান্ত এলাকায় ছড়িয়ে থাকা উপজাতি ও সংখ্যালঘু মানুষদের একত্রে করার চেষ্টা করছে চীনা সরকার। যাতে তারা ভেদাভেদ ভুলে চীনা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হয়ে উঠে।

জানা যায়, গত ২১ ও ২২ জুলাই তিব্বত সফর করেছেন শি। জাতিগত সম্প্রীতি সৃষ্টির লক্ষ্যে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর নানাভাবে সমালোচনা করে আসছে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো। বিশেষ করে

উইঘুরদের মুসলিমদের প্রতি তার সিদ্ধান্তগুলো সবচেয়ে বেশি নজরে এসেছে বিশ্বনেতাদের। সূত্র: সাউথ চাইনা মর্নিং পোস্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিব্বত সফরে পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশ দিলেন শি

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১

সম্প্রতি তিব্বত সফর করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেখানকার বাসিন্দাদের তিনি দেশটির ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এসময় তিনি

জাতিগত সম্প্রীতি প্রচার এবং তিব্বতের বৌদ্ধধর্মকে সক্রিয়ভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।

তিব্বতের প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শি বলেন, তিব্বতের পরিচিতি বৃদ্ধি করতে হবে। তবে তা হবে চীনের মূল ভূখণ্ড ও নীতির সঙ্গে সামজঞ্জস্যপূর্ণ। সেইসঙ্গে চীনের সংস্কৃতি, চীনা

কমিউনিস্ট পার্টি ও সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে তিব্বতকে উন্নত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সফল হলে নবজীবন পাবে চীন।

গত তিন দশকে এই প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্ট তিব্বত সফর করল। বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা ঝুকিতে পড়েছে চীন। যার কারণে বেশ গুরুত্ব দিয়েই তিব্বতে গিয়েছেন শি বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা চলে আসছে চীনের। তার সীমান্তে নিরাপত্তা এখন শি জিনপিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিব্বত সফর মূলত ভারতের প্রতি একটি বার্তা পৌছানো।

তাছাড়া চীনের সীমান্ত এলাকায় ছড়িয়ে থাকা উপজাতি ও সংখ্যালঘু মানুষদের একত্রে করার চেষ্টা করছে চীনা সরকার। যাতে তারা ভেদাভেদ ভুলে চীনা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হয়ে উঠে।

জানা যায়, গত ২১ ও ২২ জুলাই তিব্বত সফর করেছেন শি। জাতিগত সম্প্রীতি সৃষ্টির লক্ষ্যে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর নানাভাবে সমালোচনা করে আসছে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো। বিশেষ করে

উইঘুরদের মুসলিমদের প্রতি তার সিদ্ধান্তগুলো সবচেয়ে বেশি নজরে এসেছে বিশ্বনেতাদের। সূত্র: সাউথ চাইনা মর্নিং পোস্ট।