ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

জ্বলানি সংকটে উৎপাদন বন্ধ, দৈনিক ক্ষতি ৩ কোটি টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দৈনিক ৩ কোটি টাকার আর্থির ক্ষতি গুণচ্ছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল)। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, গ্যাস সংকটে কারখানাটি ৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে উৎপাদন

ফাইল ছবি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

দৈনিক ৩ কোটি টাকার আর্থির ক্ষতি গুণচ্ছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল)। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, গ্যাস সংকটে কারখানাটি ৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে উৎপাদন।

এর আগে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানার মেরামত শেষে গত ২৭ মার্চ উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গ্যাস সংকটে উৎপাদনের চাকা বন্ধ রয়েছে ৬ মাস। বন্দর
নগরী চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ করে থাকে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)।

প্রতিষ্ঠানটি গত প্রায় ছয় মাস সিইউএফএলকে গ্যাস সরবরাহ করছে না। সিইউএফএল সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য কারখানাটি দৈনিক ৪০ থেকে ৪২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেলেই স্বাচ্ছন্দ্যে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারে। বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত চুল্লি মেরামতের পর ট্রায়ালের জন্য সাময়িক গ্যাস মিলেছিল। তারপর গত ২৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত এক ফোঁটা গ্যাস মেলেনি।

সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটিতে ১২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী গত প্রায় ছয় মাস ধরে অলস সময় কাটোচ্ছেন। এধরণের শিল্প-কারখানা উৎপাদনহীন বসিয়ে রাখা হলে যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে যায়।

সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গত ২৭ মার্চ থেকে উৎপাদনে যাবার অপেক্ষায়। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না বলে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছে, ওপর থেকে বরাদ্দ নেই। অথচ পাশের সার কারখানা কাফকো গ্যাস পেয়ে দিব্যি উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। কাফকোর মত কেজিডিসিএলের সঙ্গেও সম্পাদিত চুক্তি রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে চাহিদামাফিক গ্যাস দেওয়া সম্ভব না হলে গ্যাস কোম্পানিকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

গ্যাস কোম্পানি কেজিডিসিএলের ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার সফিউল আজম খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সিইউএফএল হচ্ছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। তাদের তরফে কোনো নির্দেশনা না পাওয়ায় গ্যাস সরবারহ করা হচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জ্বলানি সংকটে উৎপাদন বন্ধ, দৈনিক ক্ষতি ৩ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দৈনিক ৩ কোটি টাকার আর্থির ক্ষতি গুণচ্ছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল)। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, গ্যাস সংকটে কারখানাটি ৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে উৎপাদন

ফাইল ছবি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

দৈনিক ৩ কোটি টাকার আর্থির ক্ষতি গুণচ্ছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল)। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, গ্যাস সংকটে কারখানাটি ৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে উৎপাদন।

এর আগে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানার মেরামত শেষে গত ২৭ মার্চ উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গ্যাস সংকটে উৎপাদনের চাকা বন্ধ রয়েছে ৬ মাস। বন্দর
নগরী চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ করে থাকে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)।

প্রতিষ্ঠানটি গত প্রায় ছয় মাস সিইউএফএলকে গ্যাস সরবরাহ করছে না। সিইউএফএল সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য কারখানাটি দৈনিক ৪০ থেকে ৪২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেলেই স্বাচ্ছন্দ্যে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারে। বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত চুল্লি মেরামতের পর ট্রায়ালের জন্য সাময়িক গ্যাস মিলেছিল। তারপর গত ২৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত এক ফোঁটা গ্যাস মেলেনি।

সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটিতে ১২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী গত প্রায় ছয় মাস ধরে অলস সময় কাটোচ্ছেন। এধরণের শিল্প-কারখানা উৎপাদনহীন বসিয়ে রাখা হলে যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে যায়।

সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গত ২৭ মার্চ থেকে উৎপাদনে যাবার অপেক্ষায়। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না বলে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছে, ওপর থেকে বরাদ্দ নেই। অথচ পাশের সার কারখানা কাফকো গ্যাস পেয়ে দিব্যি উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে। কাফকোর মত কেজিডিসিএলের সঙ্গেও সম্পাদিত চুক্তি রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে চাহিদামাফিক গ্যাস দেওয়া সম্ভব না হলে গ্যাস কোম্পানিকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

গ্যাস কোম্পানি কেজিডিসিএলের ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার সফিউল আজম খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সিইউএফএল হচ্ছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। তাদের তরফে কোনো নির্দেশনা না পাওয়ায় গ্যাস সরবারহ করা হচ্ছে না।