ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের  শয্যাপাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ৩,১০০ সহিংসতার তথ্য ভারতের রাজ্যসভায় স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার: রেলমন্ত্রী জামায়াতের শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা, তাহের উপনেতা মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ৫ বাংলাদেশি নিহত, আশঙ্কাজনক আরও ২ তুরস্কে ন্যাটোর ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা: যা জানা গেছে ইরানের হামলার মুখে ঘাঁটি ছেড়ে লুকিয়ে পড়ছেন হাজারো মার্কিন সেনা মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী ওমানে ড্রোন বিধ্বস্ত : দুই শ্রমিক নিহত

জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১ ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

জম্মু ও কাশ্মীর সরকার এপ্রিলে ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ ঘোষণা করেছে। ফলে এখন থেকে বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর। ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ বাস্তবায়িত হওয়ার পরপরই কাশ্মীরের ফেডারেশন চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ নতুন নীতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, ‘এটি উদ্যোক্তাদের মধ্যে আশা সঞ্চার করেছে।’

সম্প্রতি লেফটেন্যান্ট গভ. বাসির আহমাদ খানের উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে সবচেয়ে বিনিয়োগবান্ধব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা বলেন।

নতুন শিল্প নীতি অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছরের জন্য সবচেয়ে বড় প্রণোদনা হিসেবে জম্মু ও কাশ্মীরের শিল্প উন্নয়নে ২৮,৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। ১ এপ্রিল থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসা সমস্ত শিল্প ইউনিটের পাশাপাশি বিদ্যমান ইউনিটগুলো এই নীতির অধীনে প্রণোদনা পাবে।

নতুন শিল্প নীতি আগের নীতিগুলো থেকে আলাদা। পুরনো শিল্প নীতির অধীনে কাশ্মীরের শিল্প খাত দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এটি প্রথম ব্লক-স্তরের উন্নয়ন প্রকল্প যা দেশীয়ভাবে উপলব্ধ স্থানীয় সম্পদ, দক্ষতা এবং প্রতিভা ব্যবহার করে খুব তৃণমূল পর্যায়ে শিল্পায়নের প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে চায়। এই নীতিতে বিশেষভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের যুগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বহিরাগতদের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসে বিনিয়োগ করতে কোনও বাধা নেই।

সরকারি পরিসংখ্যানুযায়ী, যেদিন থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে, সেদিন থেকে ৪০টিরও বেশি সংস্থা বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এসেছে এবং সরকার ১৫০০ কোটি টাকা (১৫ বিলিয়ন টাকা) পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:৫১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

জম্মু ও কাশ্মীর সরকার এপ্রিলে ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ ঘোষণা করেছে। ফলে এখন থেকে বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর। ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ বাস্তবায়িত হওয়ার পরপরই কাশ্মীরের ফেডারেশন চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ নতুন নীতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, ‘এটি উদ্যোক্তাদের মধ্যে আশা সঞ্চার করেছে।’

সম্প্রতি লেফটেন্যান্ট গভ. বাসির আহমাদ খানের উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে সবচেয়ে বিনিয়োগবান্ধব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা বলেন।

নতুন শিল্প নীতি অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছরের জন্য সবচেয়ে বড় প্রণোদনা হিসেবে জম্মু ও কাশ্মীরের শিল্প উন্নয়নে ২৮,৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। ১ এপ্রিল থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসা সমস্ত শিল্প ইউনিটের পাশাপাশি বিদ্যমান ইউনিটগুলো এই নীতির অধীনে প্রণোদনা পাবে।

নতুন শিল্প নীতি আগের নীতিগুলো থেকে আলাদা। পুরনো শিল্প নীতির অধীনে কাশ্মীরের শিল্প খাত দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এটি প্রথম ব্লক-স্তরের উন্নয়ন প্রকল্প যা দেশীয়ভাবে উপলব্ধ স্থানীয় সম্পদ, দক্ষতা এবং প্রতিভা ব্যবহার করে খুব তৃণমূল পর্যায়ে শিল্পায়নের প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে চায়। এই নীতিতে বিশেষভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের যুগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বহিরাগতদের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসে বিনিয়োগ করতে কোনও বাধা নেই।

সরকারি পরিসংখ্যানুযায়ী, যেদিন থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে, সেদিন থেকে ৪০টিরও বেশি সংস্থা বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এসেছে এবং সরকার ১৫০০ কোটি টাকা (১৫ বিলিয়ন টাকা) পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।