ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

গ্রাহকের ৫ কোটি টাকা আত্মসাত করে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যাওয়া ব্যাংক কর্মকর্তার ২৪ বছরের জেল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্ত্রীর সাত বছরের কারাদণ্ড

৬০ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধের নির্দেশ

পলাতক এই ব্যাংক কর্মকর্তা দম্পতির বিরুদ্ধে

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ব্যাংক কর্মকর্তা জাহিদ সারোয়ারকে ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা আত্মসাতের ২৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এবং তার স্ত্রী ফারহানা হাবিবকে ৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত ছাড়াও সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পলাতক ব্যাংক কর্মকর্তা দম্পতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট জাহিদ সারোয়ার গ্রাহকের ৫ কোটি টাকা আত্মসাত করে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যায়।

আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আত্মসাতকৃত টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এই রায় দেন।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ফেরদৌসী জামান নামের এক নারী বনানীর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রাহক। সাত বছর আগে (২০১৬ সাল) তিনি এবং মাইসা আবদুল্লাহ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের বনানী শাখায় একটি যৌথ হিসাব খোলেন। ব্যাংক হিসাবে ২০১৬ সালের ২ থেকে ৮ মে’র মধ্যে ৬৫ কোটি টাকা জমা করেন তারা।

এর তিন মাস পর ফেরদৌসী জামান একই ব্যাংকে অক্টোবর মাসে নিজ নামে একটি একক হিসাব খোলেন। পরে যৌথ হিসাবে জমা দেওয়া ৬৫ কোটি টাকা তার নিজ হিসাবে হস্তান্তর করেন। এই হিসাব দুটি তৎকালীন বনানীর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্টের তত্ত্বাবধানে খোলা হয়।

পরে ব্যাংকে তার হিসাবসংক্রান্ত তথ্য মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাওয়ার জন্য আবেদন করেন ফেরদৌসী জামান। সেখানে তিনি নিজের মুঠোফোন নম্বর উল্লেখ করেন। আসামি জাহিদ সারোয়ার গ্রাহক ফেরদৌসী জামানের স্বাক্ষর জাল করে আরেকটি নম্বর যুক্ত করেন। সেই নম্বর জাহিদ সারোয়ারের নামে নিবন্ধিত ছিল।

এ ছাড়া গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে চেক বই তোলেন আসামি জাহিদ সারোয়ার। সেই চেক দিয়ে ফেরদৌসী জামানের ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা তুলে নেন তিনি। পরবর্তী সময়ে এই টাকার মধ্যে ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা তার স্ত্রী ফারহানা হাবিবের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। পরে আসামি জাহিদ সারোয়ার ও তার স্ত্রী ফারহানা হাবিব সেই টাকা তুলে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় দুদকের তরফে থেকে জাহিদ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২ জানুয়ারি মামলা হয়। মামলা তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত বছরের ২৯ আগস্ট আদালত অভিযোগ গঠন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গ্রাহকের ৫ কোটি টাকা আত্মসাত করে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যাওয়া ব্যাংক কর্মকর্তার ২৪ বছরের জেল

আপডেট সময় : ০৯:২৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

স্ত্রীর সাত বছরের কারাদণ্ড

৬০ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধের নির্দেশ

পলাতক এই ব্যাংক কর্মকর্তা দম্পতির বিরুদ্ধে

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

ব্যাংক কর্মকর্তা জাহিদ সারোয়ারকে ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা আত্মসাতের ২৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এবং তার স্ত্রী ফারহানা হাবিবকে ৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত ছাড়াও সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পলাতক ব্যাংক কর্মকর্তা দম্পতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট জাহিদ সারোয়ার গ্রাহকের ৫ কোটি টাকা আত্মসাত করে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যায়।

আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আত্মসাতকৃত টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এই রায় দেন।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ফেরদৌসী জামান নামের এক নারী বনানীর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রাহক। সাত বছর আগে (২০১৬ সাল) তিনি এবং মাইসা আবদুল্লাহ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের বনানী শাখায় একটি যৌথ হিসাব খোলেন। ব্যাংক হিসাবে ২০১৬ সালের ২ থেকে ৮ মে’র মধ্যে ৬৫ কোটি টাকা জমা করেন তারা।

এর তিন মাস পর ফেরদৌসী জামান একই ব্যাংকে অক্টোবর মাসে নিজ নামে একটি একক হিসাব খোলেন। পরে যৌথ হিসাবে জমা দেওয়া ৬৫ কোটি টাকা তার নিজ হিসাবে হস্তান্তর করেন। এই হিসাব দুটি তৎকালীন বনানীর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্টের তত্ত্বাবধানে খোলা হয়।

পরে ব্যাংকে তার হিসাবসংক্রান্ত তথ্য মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাওয়ার জন্য আবেদন করেন ফেরদৌসী জামান। সেখানে তিনি নিজের মুঠোফোন নম্বর উল্লেখ করেন। আসামি জাহিদ সারোয়ার গ্রাহক ফেরদৌসী জামানের স্বাক্ষর জাল করে আরেকটি নম্বর যুক্ত করেন। সেই নম্বর জাহিদ সারোয়ারের নামে নিবন্ধিত ছিল।

এ ছাড়া গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে চেক বই তোলেন আসামি জাহিদ সারোয়ার। সেই চেক দিয়ে ফেরদৌসী জামানের ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা তুলে নেন তিনি। পরবর্তী সময়ে এই টাকার মধ্যে ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা তার স্ত্রী ফারহানা হাবিবের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। পরে আসামি জাহিদ সারোয়ার ও তার স্ত্রী ফারহানা হাবিব সেই টাকা তুলে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় দুদকের তরফে থেকে জাহিদ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২ জানুয়ারি মামলা হয়। মামলা তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত বছরের ২৯ আগস্ট আদালত অভিযোগ গঠন করেন।