ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের প্রতি মানবিক সহমর্মিতা জানিয়ে পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন মার্কিন হামলার পরও খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি অব্যাহত: ইরান ডলার নয়, ইউয়ানে লেনদেন হলে খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা ৫০ হাজার কোটি টাকার পোলট্রি খাত ঝুঁকিতে, খামারিদের রক্ষায় ৬ দফা দাবি পেঁয়াজ-আলুর দামপতনে কৃষকের কান্না, `কৃষিপণ্য কমিশন গঠনের দাবি’ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভোটের কালি শুকানোর আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু: প্রধানমন্ত্রী ফিরলেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই আইনে গুমের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪৭তম বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, “গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কাউকে বেআইনিভাবে আটক, অপহরণ বা গুম করলে তার দায়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

তিনি জানান, অধ্যাদেশে গুমের সংজ্ঞা, প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা ও পুনর্বাসন, এবং তদন্ত প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গুমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা পরিষদ জানিয়েছে, গুম প্রতিরোধে এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামো, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই আইনে গুমের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪৭তম বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, “গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কাউকে বেআইনিভাবে আটক, অপহরণ বা গুম করলে তার দায়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

তিনি জানান, অধ্যাদেশে গুমের সংজ্ঞা, প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা ও পুনর্বাসন, এবং তদন্ত প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গুমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা পরিষদ জানিয়েছে, গুম প্রতিরোধে এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামো, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।