ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বর্ণের বাহক বিমানকর্মী, নেপথ্যে কারা? ডেঙ্গুর থাবা মৃত্যু ২ একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৯৮৮ রবি-বোরো মৌসুমের আগে নন-ইউরিয়া সার আমদানিতে জোর শিক্ষক দিবসে ফিদেলের আয়নায় নিজের মুখ বিরোধীদলকে রিজভী গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কর্মসূচির পাশাপাশি বিকল্প পরিকল্পনা দিন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী গত তিন বছরে চার শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে আইডিবির ১ বিলিয়ন ডলারের  চুক্তি সই ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা দ্বীনের ময়দানে বিভাজনের ছায়া সংঘাত ঠেকানোই বড় চ্যালেঞ্জ

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই আইনে গুমের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪৭তম বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, “গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কাউকে বেআইনিভাবে আটক, অপহরণ বা গুম করলে তার দায়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

তিনি জানান, অধ্যাদেশে গুমের সংজ্ঞা, প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা ও পুনর্বাসন, এবং তদন্ত প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গুমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা পরিষদ জানিয়েছে, গুম প্রতিরোধে এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামো, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই আইনে গুমের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪৭তম বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, “গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কাউকে বেআইনিভাবে আটক, অপহরণ বা গুম করলে তার দায়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

তিনি জানান, অধ্যাদেশে গুমের সংজ্ঞা, প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা ও পুনর্বাসন, এবং তদন্ত প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গুমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা পরিষদ জানিয়েছে, গুম প্রতিরোধে এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামো, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।