ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের হারে ইতিহাসের চাবিকাঠি বাংলাদেশের হাতে তরুণদের কর্মসংস্থান ও বস্তিবাসীর পুনর্বাসনে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ নাম লিখানোর উদ্যোগ রমজানের আগে বাজারে মূল্যচাপ, নিত্যপণ্যে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী  নির্বাচন বানচালে দেশজুড়ে গুপ্ত হামলা চালাচ্ছে: মির্জা ফখরুল যুদ্ধ বন্ধে প্রথমবার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, তারপরও ভারতে ম্যাচ! আইসিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ফারুকীর ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, ‘গ্রিনেসবুকে’ উদ্যোগ

একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী ফকির আলমগীর প্রয়াত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মারা গিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত জনপ্রিয় গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর। ৭১ বছর বয়সের এই শিল্পী করোনায় আক্রান্ত হন। তাকে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত ১৪ জুলাই হাসপাতালে ভর্তির পর ১৫ জুলাই থেকে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। এসময় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৯ জুলাই তাকে লাইফ সাপোর্টে

নেওয়া হয়। শুক্রবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তিনি স্ত্রী ও তিন ছেলেসহ অংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরও গত ১৪ জুলাই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকলে পরদিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।

উল্লেখ্য, ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত ফকির আলমগীর ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শামিল হন। পরে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’,

‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয়পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে তার।

সংগীতের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এ পর্যন্ত পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় ‘একুশে পদক’, ‘শেরেবাংলা পদক’, ‘ভাসানী পদক’, ‘সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার’, ‘তর্কবাগীশ স্বর্ণপদক’, ‘জসীমউদ্দীন স্বর্ণপদক’, ‘কান্তকবি পদক’, ‘গণনাট্য পুরস্কার’, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মহাসম্মাননা’, ‘ত্রিপুরা

সংস্কৃতি সমন্বয় পুরস্কার’, ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড যুক্তরাষ্ট্র’, ‘জনসংযোগ সমিতি বিশেষ সম্মাননা’, ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড বিশেষ সম্মাননা’ ও ‘বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ’।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী ফকির আলমগীর প্রয়াত

আপডেট সময় : ০৭:১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১

মারা গিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত জনপ্রিয় গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর। ৭১ বছর বয়সের এই শিল্পী করোনায় আক্রান্ত হন। তাকে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত ১৪ জুলাই হাসপাতালে ভর্তির পর ১৫ জুলাই থেকে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। এসময় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৯ জুলাই তাকে লাইফ সাপোর্টে

নেওয়া হয়। শুক্রবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তিনি স্ত্রী ও তিন ছেলেসহ অংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরও গত ১৪ জুলাই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকলে পরদিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।

উল্লেখ্য, ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত ফকির আলমগীর ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শামিল হন। পরে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’,

‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয়পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে তার।

সংগীতের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এ পর্যন্ত পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় ‘একুশে পদক’, ‘শেরেবাংলা পদক’, ‘ভাসানী পদক’, ‘সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার’, ‘তর্কবাগীশ স্বর্ণপদক’, ‘জসীমউদ্দীন স্বর্ণপদক’, ‘কান্তকবি পদক’, ‘গণনাট্য পুরস্কার’, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মহাসম্মাননা’, ‘ত্রিপুরা

সংস্কৃতি সমন্বয় পুরস্কার’, ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড যুক্তরাষ্ট্র’, ‘জনসংযোগ সমিতি বিশেষ সম্মাননা’, ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড বিশেষ সম্মাননা’ ও ‘বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ’।