ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের

The Modi Question : মোদীকে নিয়ে বিবিসি-র তথ্যচিত্র প্রোপাগন্ডা, ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ভারতের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩ ২৪১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী : ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

সংবাদ সংস্থা বিবিসি-র নতুন তথ্যচিত্র ইন্ডিয়া: দ্যা মোদী কোয়েশ্চেন (ওহফরধ: ঞযব গড়ফর ছঁবংঃরড়হ) নিয়ে রীতিমত ক্ষুব্দ কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন, এটি একটি প্রোপাগন্ডার অংশ। বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, এটি একটি অবিচ্ছিন্ন ঔপনিবেশিক মানসিকতাকে আঘাত করেছে। বিদেশ মন্ত্রক এই তথ্যচিত্রের পিছনে কোনও এজেন্ডা রয়েছে বলেও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংএর বিবিসির তথ্যচিত্র নিয়ে ভারত সরকারে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, এই তথ্যচিত্র ভারতে প্রদর্শিত হয়নি। লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনের থেকে পাওয়া ইনপুটগুলির ভিত্তিতেই তিনি প্রতিক্রিয়া জানাবেন।

বলেন, আমি মনে করি এটি একটি প্রচারের অংশ যা দেশের একটি অংশকে ধাক্কা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে, পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠতার অভাব রয়েছে। সত্যি বলতে কি এটির মধ্যে একটি অব্যাহত ঔপনিবেশিক মাসনিকতা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, এ জাতীয় তথ্যচিত্র তৈরির পিছনে একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা রয়েছে। আর ভারত সরকার এজাতীয় প্রচেষ্টাকে কোনও মর্যাদা ও গুরুত্ব দেয় না।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী : ফাইল চিত্র।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোয়েশ্চন’ শিরোনামে দুই পর্বের একটি ডকুমেন্টারি সিরিজ তৈরি করেছে ব্রিটিশ সম্প্রচার মাধ্যম বিবিসি। ২০০২ সালে গুজরাত হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে সেই রাজ্যে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে ওই তথ্যচিত্রে। এছাড়াও দাঙ্গায় মোদীর ভূমিকা ছিল বলে অনেকে দাবি করে, সেই বিষয়েও তদন্ত করা হয়েছে। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মোদীর ওপর বিবিসির এই তথ্যচিত্রকে ‘প্রচার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

অরিন্দম বাগচি আরও বলেন, লক্ষ্য করার মতো বিষয় হল এই তথ্যচিত্র তৈরি হয়েছে একটি সংস্থা এবং ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে। যে ঘটনায় আমরা আরও বেশি বিস্মিত, তা হল এই তথ্যচিত্রটি বানানোর উদ্দেশ্য কী? সত্যি বলতে কী, এই ধরনের প্রয়াসকে মান্যতা দিতেই আমরা রাজি নই।
তথ্যচিত্রটির বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছেন, এখানে যেভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে তুলে ধরা হয়েছে এর সঙ্গে তিনি একমত নন।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এমপি ইমরান হোসেইনের এক প্রশ্নের জবাবে সুনাক বলেছেন, এ বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের অবস্থান পরিষ্কার। আর এ অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। কোনো ধরনের নিপীড়নের আমরা সহ্য করব না। কিন্তু এখানে সম্মানিত ব্যক্তি (নরেন্দ্র মোদি) যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে আমি তাঁর সঙ্গে একেবারে একমত নই।

বিবিসির এ প্রতিবেদনে ক্ষোভ জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য রমি রেঞ্জার। তিনি বলেছেন, ‘বিবিসি নিউজ শতকোটি ভারতীয়কে কষ্ট দিয়েছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী, ভারতের পুলিশ এবং দেশটির বিচার বিভাগকে অপমান করেছে। আমরা দাঙ্গা, প্রাণহানির নিন্দা করি। আবার সেই সঙ্গে একেপেশে রিপোর্টেরও নিন্দা জানাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

The Modi Question : মোদীকে নিয়ে বিবিসি-র তথ্যচিত্র প্রোপাগন্ডা, ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ভারতের

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

সংবাদ সংস্থা বিবিসি-র নতুন তথ্যচিত্র ইন্ডিয়া: দ্যা মোদী কোয়েশ্চেন (ওহফরধ: ঞযব গড়ফর ছঁবংঃরড়হ) নিয়ে রীতিমত ক্ষুব্দ কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন, এটি একটি প্রোপাগন্ডার অংশ। বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, এটি একটি অবিচ্ছিন্ন ঔপনিবেশিক মানসিকতাকে আঘাত করেছে। বিদেশ মন্ত্রক এই তথ্যচিত্রের পিছনে কোনও এজেন্ডা রয়েছে বলেও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংএর বিবিসির তথ্যচিত্র নিয়ে ভারত সরকারে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, এই তথ্যচিত্র ভারতে প্রদর্শিত হয়নি। লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনের থেকে পাওয়া ইনপুটগুলির ভিত্তিতেই তিনি প্রতিক্রিয়া জানাবেন।

বলেন, আমি মনে করি এটি একটি প্রচারের অংশ যা দেশের একটি অংশকে ধাক্কা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে, পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠতার অভাব রয়েছে। সত্যি বলতে কি এটির মধ্যে একটি অব্যাহত ঔপনিবেশিক মাসনিকতা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, এ জাতীয় তথ্যচিত্র তৈরির পিছনে একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা রয়েছে। আর ভারত সরকার এজাতীয় প্রচেষ্টাকে কোনও মর্যাদা ও গুরুত্ব দেয় না।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী : ফাইল চিত্র।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোয়েশ্চন’ শিরোনামে দুই পর্বের একটি ডকুমেন্টারি সিরিজ তৈরি করেছে ব্রিটিশ সম্প্রচার মাধ্যম বিবিসি। ২০০২ সালে গুজরাত হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে সেই রাজ্যে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে ওই তথ্যচিত্রে। এছাড়াও দাঙ্গায় মোদীর ভূমিকা ছিল বলে অনেকে দাবি করে, সেই বিষয়েও তদন্ত করা হয়েছে। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মোদীর ওপর বিবিসির এই তথ্যচিত্রকে ‘প্রচার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

অরিন্দম বাগচি আরও বলেন, লক্ষ্য করার মতো বিষয় হল এই তথ্যচিত্র তৈরি হয়েছে একটি সংস্থা এবং ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে। যে ঘটনায় আমরা আরও বেশি বিস্মিত, তা হল এই তথ্যচিত্রটি বানানোর উদ্দেশ্য কী? সত্যি বলতে কী, এই ধরনের প্রয়াসকে মান্যতা দিতেই আমরা রাজি নই।
তথ্যচিত্রটির বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছেন, এখানে যেভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে তুলে ধরা হয়েছে এর সঙ্গে তিনি একমত নন।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এমপি ইমরান হোসেইনের এক প্রশ্নের জবাবে সুনাক বলেছেন, এ বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের অবস্থান পরিষ্কার। আর এ অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। কোনো ধরনের নিপীড়নের আমরা সহ্য করব না। কিন্তু এখানে সম্মানিত ব্যক্তি (নরেন্দ্র মোদি) যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে আমি তাঁর সঙ্গে একেবারে একমত নই।

বিবিসির এ প্রতিবেদনে ক্ষোভ জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য রমি রেঞ্জার। তিনি বলেছেন, ‘বিবিসি নিউজ শতকোটি ভারতীয়কে কষ্ট দিয়েছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী, ভারতের পুলিশ এবং দেশটির বিচার বিভাগকে অপমান করেছে। আমরা দাঙ্গা, প্রাণহানির নিন্দা করি। আবার সেই সঙ্গে একেপেশে রিপোর্টেরও নিন্দা জানাই।