ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

Playboy Palace : যৌনতার চাহিদা মেটাতে অপারক মডেলদের বের করে দেওয়া হত 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩ ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে

মডেলদের নিয়ে প্লেবয় পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা হিউ হেফ্নার : ছবিগুলো সংগৃহিত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘প্লেবয় (ইংরেজি :  Playboy) মার্কিন পুরুষদের জীবনধারা এবং বিনোদন ম্যাগাজিন, যা সাংবাদিকতা ও কল্পকাহিনীর পাশাপাশি নগ্ন নারীর আলোকচিত্র প্রকাশ করে। এটা হিউ হেফ্নার এবং তার সহযোগী কর্তৃক ১৯৫৩ সালে শিকাগোতে প্রতিষ্ঠিত হয়’

অনলাইন ডেস্ক

সারাজাগানো এবং বহুল আলোচিত প্লেবয় (Playboy) পত্রিকা। এটি মার্কিন পুরুষদের জীবনধারা এবং বিনোদন ম্যাগাজিন। যা সাংবাদিকতা ও কল্পকাহিনীর পাশাপাশি নগ্ন নারীর আলোকচিত্র প্রকাশ করে। এটা হিউ হেফ্নার এবং তার সহযোগী কর্তৃক ১৯৫৩ সালে শিকাগোতে প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্লেবয় ম্যানসন। প্লেবয় পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা হিউ হেফনারের বিলাসবহুল প্রাসাদ। ১৯৭৪ সাল থেকে ২০১৭ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলেসের ওই প্রাসাদেই থাকতেন। সেই ইমারতের অন্দরের গোপন কথা এই বার প্রকাশ্যে আনলেন অধুনা মডেল তথা প্রাক্তন পর্ন তারকা কাইলা কায়ডেন।

লাস ভেগাসের নেভাদার বাসিন্দা কাইলা কায়ডেন এখন বড়দের ওয়েবসাইটে মডেল হিসাবে কাজ করলেও অতীতে তিনি পা রেখেছিলেন নীল ছবির দুনিয়ায়।

সেই সময়েই কাইলার ঠাঁই হয়েছিল হেফনারের বিখ্যাত প্রাসাদে। আর সেখানে থাকার সময় তাকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলেই দাবি।

কাইলার দাবি, হেফনারের প্রাসাদে কোনও মহিলা যদি সঙ্গম করতে রাজি না হতেন, তা হলে তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হত।

কাইলা জানিয়েছেন, ছোট থেকেই তার মডেল হওয়ার শখ ছিল। এক দিন তিনি প্লেবয় পত্রিকার মডেলদের দলে নাম লেখাবেন, এই স্বপ্নও বহু দিনের। ২০১৪ সালে নীল ছবির জগতে প্রবেশ করেন কাইলা। তার আগে কাইলা তার বেশ কিছু যৌন উত্তেজনা ছড়ানো ভিডিয়ো ক্লিপ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেন।

কাইলার বয়স যখন মাত্র ১৮, তখনই প্লেবয়-এর হয়ে কাজ করার জন্য অডিশন দেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাকে কাজের জন্য নেওয়া হয়নি। দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কাইলা এক বছর পরে ফের চেষ্টা করেছিলেন এবং নির্বাচকদের মন জয়ে করে নেন। হেফনারের প্রাসাদে অতিথি হওয়ার আগে প্লেবয়ের টিভি শো এবং পত্রিকার মুখ হওয়ার জন্য বাছাই করা হয় কায়লাকে।

কিন্তু কাইলার কোনও ধারণাই ছিল না যে, হেফানারের প্রাসাদে ঢুকলে তার অবস্থা কী হতে পারে। কাইলার দাবি, হেফনারের প্রাসাদে এক বিশেষ আমোদসভার আয়োজন করা হত। সেখানের নিরাপত্তারক্ষীদের হেফনারের কড়া নির্দেশ ছিল-কোনও মহিলা যদি কথা না শোনেন, তা হলে যেন তাদের সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে বার করে দেওয়া হয়।

কাইলার কথায়, হেফনার একবার এক মহিলাকে জনসমক্ষে এমন কাজ করতে বলেছিলেন, যাতে মহিলা রাজি ছিলেন না। ফলে হেফনার তাকে বাড়ি থেকে বার করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এই নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল, কোনও দিন যেন ওই মহিলাকে প্লেবয় ম্যানসনে ঢুকতে না পারে। পাশাপাশি তিনি যেন হলিউডে কাজ না পান, সেই ব্যবস্থা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

কাইলার দাবি করেন, হেফনারের ২৯ কামরার প্রাসাদের চারপাশে প্রচুর লুকানো ক্যামেরা ছিল। ওখানে অতিথিদের করা প্রতিটি শব্দ এবং পদক্ষেপের কথা হেফনারের কান অবধি পৌঁছে দিতেন রক্ষীরা।
কাইলা জানিয়েছেন, প্লেবয় ম্যানসন থেকে যে সব মহিলাকে বার করে দেওয়া হত, তাদের ‘ব্যাড বানি’ বলা হত। প্রাসাদের যে সব মহিলা ধূমপান করতেন না এবং পুরুষ সঙ্গীদের খুশি রাখতেন, তাদের বলা হত ‘গুড বানি’।

তিনি আরও দাবি করেছেন, হেফনারের তারকা বন্ধুর সংখ্যা নেহাত কম ছিল না। তার প্রাসাদের বান্ধবীরা সেই তারকা বন্ধুদের ‘খুশি’ করতে পারছেন কি না, সে দিকেও বিশেষ নজর থাকত হেফনারের।
কাইলা জানিয়েছেন, প্রাসাদে প্রায়ই এমন পার্টি হত, যেখানে মহিলারা গায়ে রং মেখে নগ্ন হয়ে পার্টিতে আসতেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Playboy Palace : যৌনতার চাহিদা মেটাতে অপারক মডেলদের বের করে দেওয়া হত 

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৩

‘প্লেবয় (ইংরেজি :  Playboy) মার্কিন পুরুষদের জীবনধারা এবং বিনোদন ম্যাগাজিন, যা সাংবাদিকতা ও কল্পকাহিনীর পাশাপাশি নগ্ন নারীর আলোকচিত্র প্রকাশ করে। এটা হিউ হেফ্নার এবং তার সহযোগী কর্তৃক ১৯৫৩ সালে শিকাগোতে প্রতিষ্ঠিত হয়’

অনলাইন ডেস্ক

সারাজাগানো এবং বহুল আলোচিত প্লেবয় (Playboy) পত্রিকা। এটি মার্কিন পুরুষদের জীবনধারা এবং বিনোদন ম্যাগাজিন। যা সাংবাদিকতা ও কল্পকাহিনীর পাশাপাশি নগ্ন নারীর আলোকচিত্র প্রকাশ করে। এটা হিউ হেফ্নার এবং তার সহযোগী কর্তৃক ১৯৫৩ সালে শিকাগোতে প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্লেবয় ম্যানসন। প্লেবয় পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা হিউ হেফনারের বিলাসবহুল প্রাসাদ। ১৯৭৪ সাল থেকে ২০১৭ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলেসের ওই প্রাসাদেই থাকতেন। সেই ইমারতের অন্দরের গোপন কথা এই বার প্রকাশ্যে আনলেন অধুনা মডেল তথা প্রাক্তন পর্ন তারকা কাইলা কায়ডেন।

লাস ভেগাসের নেভাদার বাসিন্দা কাইলা কায়ডেন এখন বড়দের ওয়েবসাইটে মডেল হিসাবে কাজ করলেও অতীতে তিনি পা রেখেছিলেন নীল ছবির দুনিয়ায়।

সেই সময়েই কাইলার ঠাঁই হয়েছিল হেফনারের বিখ্যাত প্রাসাদে। আর সেখানে থাকার সময় তাকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলেই দাবি।

কাইলার দাবি, হেফনারের প্রাসাদে কোনও মহিলা যদি সঙ্গম করতে রাজি না হতেন, তা হলে তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হত।

কাইলা জানিয়েছেন, ছোট থেকেই তার মডেল হওয়ার শখ ছিল। এক দিন তিনি প্লেবয় পত্রিকার মডেলদের দলে নাম লেখাবেন, এই স্বপ্নও বহু দিনের। ২০১৪ সালে নীল ছবির জগতে প্রবেশ করেন কাইলা। তার আগে কাইলা তার বেশ কিছু যৌন উত্তেজনা ছড়ানো ভিডিয়ো ক্লিপ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেন।

কাইলার বয়স যখন মাত্র ১৮, তখনই প্লেবয়-এর হয়ে কাজ করার জন্য অডিশন দেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাকে কাজের জন্য নেওয়া হয়নি। দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কাইলা এক বছর পরে ফের চেষ্টা করেছিলেন এবং নির্বাচকদের মন জয়ে করে নেন। হেফনারের প্রাসাদে অতিথি হওয়ার আগে প্লেবয়ের টিভি শো এবং পত্রিকার মুখ হওয়ার জন্য বাছাই করা হয় কায়লাকে।

কিন্তু কাইলার কোনও ধারণাই ছিল না যে, হেফানারের প্রাসাদে ঢুকলে তার অবস্থা কী হতে পারে। কাইলার দাবি, হেফনারের প্রাসাদে এক বিশেষ আমোদসভার আয়োজন করা হত। সেখানের নিরাপত্তারক্ষীদের হেফনারের কড়া নির্দেশ ছিল-কোনও মহিলা যদি কথা না শোনেন, তা হলে যেন তাদের সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে বার করে দেওয়া হয়।

কাইলার কথায়, হেফনার একবার এক মহিলাকে জনসমক্ষে এমন কাজ করতে বলেছিলেন, যাতে মহিলা রাজি ছিলেন না। ফলে হেফনার তাকে বাড়ি থেকে বার করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এই নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল, কোনও দিন যেন ওই মহিলাকে প্লেবয় ম্যানসনে ঢুকতে না পারে। পাশাপাশি তিনি যেন হলিউডে কাজ না পান, সেই ব্যবস্থা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

কাইলার দাবি করেন, হেফনারের ২৯ কামরার প্রাসাদের চারপাশে প্রচুর লুকানো ক্যামেরা ছিল। ওখানে অতিথিদের করা প্রতিটি শব্দ এবং পদক্ষেপের কথা হেফনারের কান অবধি পৌঁছে দিতেন রক্ষীরা।
কাইলা জানিয়েছেন, প্লেবয় ম্যানসন থেকে যে সব মহিলাকে বার করে দেওয়া হত, তাদের ‘ব্যাড বানি’ বলা হত। প্রাসাদের যে সব মহিলা ধূমপান করতেন না এবং পুরুষ সঙ্গীদের খুশি রাখতেন, তাদের বলা হত ‘গুড বানি’।

তিনি আরও দাবি করেছেন, হেফনারের তারকা বন্ধুর সংখ্যা নেহাত কম ছিল না। তার প্রাসাদের বান্ধবীরা সেই তারকা বন্ধুদের ‘খুশি’ করতে পারছেন কি না, সে দিকেও বিশেষ নজর থাকত হেফনারের।
কাইলা জানিয়েছেন, প্রাসাদে প্রায়ই এমন পার্টি হত, যেখানে মহিলারা গায়ে রং মেখে নগ্ন হয়ে পার্টিতে আসতেন।