ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সিইসি, ড. ইউনূস ও বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগী সরকার: কৃষক-উদ্যোক্তা উৎসাহিত হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী নন্দনে নিউজ কলকাতার ত্রৈমাসিক সাহিত্য অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা বাংলাদেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু : স্বনির্ভর দেশ গড়ার ডাক প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদের নতুন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস, দেশবাসীর দোয়া চাইলেন আফরোজা আব্বাস ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরেছে টাঙ্গাইলের মাঠ, স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

Jamaat : বিএনপির যুগপৎ কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে জামায়াত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৩ ৩২১ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ বিলুপ্তসহ ১০ দফা দাবি নিয়ে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের ডাক দেয় বিএনপি। তারই অংশ হিসাবে গণ-অবস্থান কর্মসূিচ পালন করে বিএনপি। কিন্তু তাদের এই গণ-অবস্থানে যোগ না দিয়ে আলাদা ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করে অন্যতম মিত্র জামায়াতে ইসলাম। এটা স্রেফ রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজী না দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবার চক তা সন্দেহ পোষণ করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। তারা অভিন্ন কর্মসূচি পালন না করে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ কর্মসূচি কেন, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

বিদায়ী বছরের শেষের দিকে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। তার অংশ হিসেবে ৩০ ডিসেম্বরের গণমিছিল। সেদিন ঢাকায় জামায়াতও একই কর্মসূচি পালন কালে কয়েক স্থানে জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এরপর বিএনপির গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচনায় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা করেন। সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করেন। সেই দিন থেকেই দিনটি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে জামায়াত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Jamaat : বিএনপির যুগপৎ কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে জামায়াত

আপডেট সময় : ০৮:২১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ বিলুপ্তসহ ১০ দফা দাবি নিয়ে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের ডাক দেয় বিএনপি। তারই অংশ হিসাবে গণ-অবস্থান কর্মসূিচ পালন করে বিএনপি। কিন্তু তাদের এই গণ-অবস্থানে যোগ না দিয়ে আলাদা ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করে অন্যতম মিত্র জামায়াতে ইসলাম। এটা স্রেফ রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজী না দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবার চক তা সন্দেহ পোষণ করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। তারা অভিন্ন কর্মসূচি পালন না করে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ কর্মসূচি কেন, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

বিদায়ী বছরের শেষের দিকে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। তার অংশ হিসেবে ৩০ ডিসেম্বরের গণমিছিল। সেদিন ঢাকায় জামায়াতও একই কর্মসূচি পালন কালে কয়েক স্থানে জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এরপর বিএনপির গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচনায় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা করেন। সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করেন। সেই দিন থেকেই দিনটি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে জামায়াত।