ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের

Gulshan-Banani : দূষণের কবলে ঢাকার  গুলশান-বনানী লেক ও খাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২২ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

অধিকাংশ পয়োবর্জ্যের লাইন ঢাকার গুলশান-বনানী লেক ও খালে : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে।

জানা গিয়েছে, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ বাসাবাড়ির কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের ড্রেনের মাধ্যমে সরাসারি এসব পয়োবর্জ্য পড়ছে খাল বা লেকে গিয়ে মিশেছে। তাতে পরিবেশ দূষণ হয়ে লেক বা খাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দূষণ ঠেকাতে রোডম্যাপ অনুসারে এলাকায় বাড়িতে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

করপোরেশন সূত্রের খবর, মূলত বাসাবাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইনের ব্যবস্থাপনা করে ঢাকা ওয়াসা। কিন্তু এসব এলাকায় বেশির ভাগ বাসাবাড়িতে লাইন না থাকায় নিরাপদ স্যানিটেশন এবং লেক-খাল বাঁচাতে ঢাকা ওয়াসা, রাজউক, আইসিডিডিআরবি, ইউনিসেফ, ডিএনসিসি এবং গুলশান, বনানী সোসাইটির লোকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে।

ইউনিসেফের অর্থায়নে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার বাড়িতে চালানো জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বাড়িতেই এই ‘কার্যকর সেপটিক ট্যাংক’ নেই। অথচ এসব এলাকার মানুষের জন্য এটি বানানো সম্ভব।

উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের সারফেস ড্রেনের মাধ্যমে এসব পয়োবর্জ্য লেকে পড়ছে। আবার এগুলো নদীতেও যাচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশেও ব্যক্তি উদ্যোগে অনেক কিছু হচ্ছে। প্রত্যেক বাসাবাড়িতে যদি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বসানো যায় তাহলে আমাদের খাল ও লেকগুলো বেঁচে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Gulshan-Banani : দূষণের কবলে ঢাকার  গুলশান-বনানী লেক ও খাল

আপডেট সময় : ১০:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২২

‘বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে।

জানা গিয়েছে, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ বাসাবাড়ির কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের ড্রেনের মাধ্যমে সরাসারি এসব পয়োবর্জ্য পড়ছে খাল বা লেকে গিয়ে মিশেছে। তাতে পরিবেশ দূষণ হয়ে লেক বা খাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দূষণ ঠেকাতে রোডম্যাপ অনুসারে এলাকায় বাড়িতে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

করপোরেশন সূত্রের খবর, মূলত বাসাবাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইনের ব্যবস্থাপনা করে ঢাকা ওয়াসা। কিন্তু এসব এলাকায় বেশির ভাগ বাসাবাড়িতে লাইন না থাকায় নিরাপদ স্যানিটেশন এবং লেক-খাল বাঁচাতে ঢাকা ওয়াসা, রাজউক, আইসিডিডিআরবি, ইউনিসেফ, ডিএনসিসি এবং গুলশান, বনানী সোসাইটির লোকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে।

ইউনিসেফের অর্থায়নে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার বাড়িতে চালানো জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বাড়িতেই এই ‘কার্যকর সেপটিক ট্যাংক’ নেই। অথচ এসব এলাকার মানুষের জন্য এটি বানানো সম্ভব।

উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের সারফেস ড্রেনের মাধ্যমে এসব পয়োবর্জ্য লেকে পড়ছে। আবার এগুলো নদীতেও যাচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশেও ব্যক্তি উদ্যোগে অনেক কিছু হচ্ছে। প্রত্যেক বাসাবাড়িতে যদি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বসানো যায় তাহলে আমাদের খাল ও লেকগুলো বেঁচে যাবে।