Gulshan-Banani : দূষণের কবলে ঢাকার গুলশান-বনানী লেক ও খাল
- আপডেট সময় : ১০:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২২ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে
‘বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে’
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে।
জানা গিয়েছে, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ বাসাবাড়ির কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের ড্রেনের মাধ্যমে সরাসারি এসব পয়োবর্জ্য পড়ছে খাল বা লেকে গিয়ে মিশেছে। তাতে পরিবেশ দূষণ হয়ে লেক বা খাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দূষণ ঠেকাতে রোডম্যাপ অনুসারে এলাকায় বাড়িতে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
করপোরেশন সূত্রের খবর, মূলত বাসাবাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইনের ব্যবস্থাপনা করে ঢাকা ওয়াসা। কিন্তু এসব এলাকায় বেশির ভাগ বাসাবাড়িতে লাইন না থাকায় নিরাপদ স্যানিটেশন এবং লেক-খাল বাঁচাতে ঢাকা ওয়াসা, রাজউক, আইসিডিডিআরবি, ইউনিসেফ, ডিএনসিসি এবং গুলশান, বনানী সোসাইটির লোকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে।
ইউনিসেফের অর্থায়নে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার বাড়িতে চালানো জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বাড়িতেই এই ‘কার্যকর সেপটিক ট্যাংক’ নেই। অথচ এসব এলাকার মানুষের জন্য এটি বানানো সম্ভব।
উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের সারফেস ড্রেনের মাধ্যমে এসব পয়োবর্জ্য লেকে পড়ছে। আবার এগুলো নদীতেও যাচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশেও ব্যক্তি উদ্যোগে অনেক কিছু হচ্ছে। প্রত্যেক বাসাবাড়িতে যদি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বসানো যায় তাহলে আমাদের খাল ও লেকগুলো বেঁচে যাবে।



















