ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক

fake dollar : জাল ডলার-রুপি চক্রের চারসদস্য গোয়েন্দা জালে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২০৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ডলার, জাল নোট, ভারতীয় রুপিসহ রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুত জাল ছাফিয়ে আসছিল একটি চক্র। পুলিশ বলছে, বর্তমানে ডলার সংকটের সুযোগে ডলারের জাল নোট তৈরি করে বাজারে ছাড়ছিল চক্রটি। রুপি ও ডলারের জাল নোট তৈরি করে বিদেশে পাচারও করছিল তারা। অনেকেই কম দামে এসব ডলার কিনে প্রতারিত হচ্ছিলেন।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। বুধবার চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করে ডিবি।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা মূল্যের রুপি ও ডলারের জাল নোট, ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল নোট তৈরির বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করে পুলিশ।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, বুধবার দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা উজ্জল দাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালামের একটি বাসা থেকে রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুতকালে বাকি তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চক্রটি মতিঝিল এলাকা থেকে নোট-স্ট্যাম্প তৈরির প্রয়োজনীয় কাগজ, নয়াবাজার ও মিডফোর্ট থেকে রঙ এবং ফয়েল সংগ্রহ করতো।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে তাদের এজেন্ট রয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে এক কোটি টাকা মূল্যের রুপি-ডলারের জাল নোট ১০ লাখে, এরপর ২০ লাখ টাকা মূল্যের রুপি-ডলারের জাল নোট ৫০ লাখে বিক্রি করতো। এজেন্টদের চাহিদা অনুযায়ী যেকোনও পরিমাণের জাল নোট প্রস্তুত করে দিতো। বাংলাদেশি টাকার ক্ষেত্রে তারা ১০০ ও ২০০ টাকার নোট জাল করতো।

গোয়েন্দা প্রধান বলেন, তাদের কাছে যে পরিমাণ জাল টাকা তৈরির কাগজ এবং অন্যান্য উপকরণ পাওয়া গেছে, তা দিয়ে আগামী রমজান ও ঈদুল ফিতরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার জাল নোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প বাজারে ছাড়তে পারতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

fake dollar : জাল ডলার-রুপি চক্রের চারসদস্য গোয়েন্দা জালে

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ডলার, জাল নোট, ভারতীয় রুপিসহ রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুত জাল ছাফিয়ে আসছিল একটি চক্র। পুলিশ বলছে, বর্তমানে ডলার সংকটের সুযোগে ডলারের জাল নোট তৈরি করে বাজারে ছাড়ছিল চক্রটি। রুপি ও ডলারের জাল নোট তৈরি করে বিদেশে পাচারও করছিল তারা। অনেকেই কম দামে এসব ডলার কিনে প্রতারিত হচ্ছিলেন।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। বুধবার চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করে ডিবি।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা মূল্যের রুপি ও ডলারের জাল নোট, ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল নোট তৈরির বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করে পুলিশ।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, বুধবার দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা উজ্জল দাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালামের একটি বাসা থেকে রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুতকালে বাকি তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চক্রটি মতিঝিল এলাকা থেকে নোট-স্ট্যাম্প তৈরির প্রয়োজনীয় কাগজ, নয়াবাজার ও মিডফোর্ট থেকে রঙ এবং ফয়েল সংগ্রহ করতো।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে তাদের এজেন্ট রয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে এক কোটি টাকা মূল্যের রুপি-ডলারের জাল নোট ১০ লাখে, এরপর ২০ লাখ টাকা মূল্যের রুপি-ডলারের জাল নোট ৫০ লাখে বিক্রি করতো। এজেন্টদের চাহিদা অনুযায়ী যেকোনও পরিমাণের জাল নোট প্রস্তুত করে দিতো। বাংলাদেশি টাকার ক্ষেত্রে তারা ১০০ ও ২০০ টাকার নোট জাল করতো।

গোয়েন্দা প্রধান বলেন, তাদের কাছে যে পরিমাণ জাল টাকা তৈরির কাগজ এবং অন্যান্য উপকরণ পাওয়া গেছে, তা দিয়ে আগামী রমজান ও ঈদুল ফিতরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার জাল নোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প বাজারে ছাড়তে পারতো।