ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

Exporting SMEs : এসএমই রপ্তানি বাতিলের পাঁচ কারণ, গবেষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮০ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

ডলার সংকট দীর্ঘমেয়াদি হচ্ছে। যার প্রভাব অর্থনীতির প্রায় সকল খাতে বড় ধরনের সমস্যার ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে। জানা অজানা সমস্যাগুলো সময়ের পিঠ বেয়ে প্রকাশ্যে আসছে।

মূল্যস্ফীতির লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি ডলারের দাম বৃদ্ধি ও টাকার মান কমে যাওয়ায় বেড়ে যাচ্ছে বৈদেশিক দায়দেনা ও আমদানি ব্যয়। এ কারণে আমদানি ব্যয়ের প্রভাবে পণ্যের দাম বাড়ছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ কমে গিয়ে কর্মসংস্থানের গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ফাইল ছবি

ডলার-সংকট মোকাবিলায় রপ্তানি বাড়িয়ে এই সংকটের উত্তোরণ সম্ভব। এমন পরিস্থিতিতে পণ্য রপ্তানিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এসএমই খাতের ছোট ছোট উদ্যোক্তারা। বিশ্ব বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জামানত, উচ্চ সুদহার ও সঠিক দলিলের অভাবসহ পাঁচ কারণে বাতিল হচ্ছে এসএমইর রপ্তানি আবেদন। ডলার সংকট নিরসন ও প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করতে এসএমই সহায়ক নীতিমালা প্রয়োজন।

সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অনুষ্ঠিত এক সেমিনারের আলোচনায় এসব কথাই ওঠে আসে। অনুষ্ঠানে বিআইবিএময়ের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিবের গবেষণা প্রতিবেদন বলা হয়, ২০২১ সালে এসএমই খাতে বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যে ব্যবহার হয়েছে।

রপ্তানির লাগাম টেনে ধরায় ২০২২ সালে সেই হার নেমে এসেছে মোট এসএমই ঋণের ২১ শতাংশে। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় এই হার আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে জড়িত মোট লেনদেনের ৯ শতাংশ এসএমই উদ্যোক্তাদের অবদান।

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়।

পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, দুইটি বিদেশি ও ২৩টি বেসরকারি ব্যাংকের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণাপত্র তৈরি করা হয়েছে। অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এসএমই উদ্যোক্তারা। বিশেষ করে দরিদ্র দেশ এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে এর হার বেশি। এসএমই উদ্যোক্তারা সরাসরি বিদেশি বাজারে পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Exporting SMEs : এসএমই রপ্তানি বাতিলের পাঁচ কারণ, গবেষণা

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

ডলার সংকট দীর্ঘমেয়াদি হচ্ছে। যার প্রভাব অর্থনীতির প্রায় সকল খাতে বড় ধরনের সমস্যার ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে। জানা অজানা সমস্যাগুলো সময়ের পিঠ বেয়ে প্রকাশ্যে আসছে।

মূল্যস্ফীতির লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি ডলারের দাম বৃদ্ধি ও টাকার মান কমে যাওয়ায় বেড়ে যাচ্ছে বৈদেশিক দায়দেনা ও আমদানি ব্যয়। এ কারণে আমদানি ব্যয়ের প্রভাবে পণ্যের দাম বাড়ছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ কমে গিয়ে কর্মসংস্থানের গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ফাইল ছবি

ডলার-সংকট মোকাবিলায় রপ্তানি বাড়িয়ে এই সংকটের উত্তোরণ সম্ভব। এমন পরিস্থিতিতে পণ্য রপ্তানিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এসএমই খাতের ছোট ছোট উদ্যোক্তারা। বিশ্ব বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জামানত, উচ্চ সুদহার ও সঠিক দলিলের অভাবসহ পাঁচ কারণে বাতিল হচ্ছে এসএমইর রপ্তানি আবেদন। ডলার সংকট নিরসন ও প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করতে এসএমই সহায়ক নীতিমালা প্রয়োজন।

সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অনুষ্ঠিত এক সেমিনারের আলোচনায় এসব কথাই ওঠে আসে। অনুষ্ঠানে বিআইবিএময়ের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিবের গবেষণা প্রতিবেদন বলা হয়, ২০২১ সালে এসএমই খাতে বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যে ব্যবহার হয়েছে।

রপ্তানির লাগাম টেনে ধরায় ২০২২ সালে সেই হার নেমে এসেছে মোট এসএমই ঋণের ২১ শতাংশে। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় এই হার আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে জড়িত মোট লেনদেনের ৯ শতাংশ এসএমই উদ্যোক্তাদের অবদান।

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়।

পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, দুইটি বিদেশি ও ২৩টি বেসরকারি ব্যাংকের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণাপত্র তৈরি করা হয়েছে। অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এসএমই উদ্যোক্তারা। বিশেষ করে দরিদ্র দেশ এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে এর হার বেশি। এসএমই উদ্যোক্তারা সরাসরি বিদেশি বাজারে পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।