Exporting SMEs : এসএমই রপ্তানি বাতিলের পাঁচ কারণ, গবেষণা
- আপডেট সময় : ০৮:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
ডলার সংকট দীর্ঘমেয়াদি হচ্ছে। যার প্রভাব অর্থনীতির প্রায় সকল খাতে বড় ধরনের সমস্যার ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে। জানা অজানা সমস্যাগুলো সময়ের পিঠ বেয়ে প্রকাশ্যে আসছে।
মূল্যস্ফীতির লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি ডলারের দাম বৃদ্ধি ও টাকার মান কমে যাওয়ায় বেড়ে যাচ্ছে বৈদেশিক দায়দেনা ও আমদানি ব্যয়। এ কারণে আমদানি ব্যয়ের প্রভাবে পণ্যের দাম বাড়ছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ কমে গিয়ে কর্মসংস্থানের গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ডলার-সংকট মোকাবিলায় রপ্তানি বাড়িয়ে এই সংকটের উত্তোরণ সম্ভব। এমন পরিস্থিতিতে পণ্য রপ্তানিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এসএমই খাতের ছোট ছোট উদ্যোক্তারা। বিশ্ব বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জামানত, উচ্চ সুদহার ও সঠিক দলিলের অভাবসহ পাঁচ কারণে বাতিল হচ্ছে এসএমইর রপ্তানি আবেদন। ডলার সংকট নিরসন ও প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করতে এসএমই সহায়ক নীতিমালা প্রয়োজন।
সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অনুষ্ঠিত এক সেমিনারের আলোচনায় এসব কথাই ওঠে আসে। অনুষ্ঠানে বিআইবিএময়ের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিবের গবেষণা প্রতিবেদন বলা হয়, ২০২১ সালে এসএমই খাতে বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যে ব্যবহার হয়েছে।
রপ্তানির লাগাম টেনে ধরায় ২০২২ সালে সেই হার নেমে এসেছে মোট এসএমই ঋণের ২১ শতাংশে। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় এই হার আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে জড়িত মোট লেনদেনের ৯ শতাংশ এসএমই উদ্যোক্তাদের অবদান।

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়।
পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, দুইটি বিদেশি ও ২৩টি বেসরকারি ব্যাংকের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণাপত্র তৈরি করা হয়েছে। অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এসএমই উদ্যোক্তারা। বিশেষ করে দরিদ্র দেশ এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে এর হার বেশি। এসএমই উদ্যোক্তারা সরাসরি বিদেশি বাজারে পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।




















