ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরান যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার ইরান জয়ের ভাবনায় ট্রাম্পের সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাচ্ছে সাবেক দুই উপদেষ্টার গ্রেপ্তার দাবিতে উত্তাল কর্মসূচি ঘোষণা, রাজপথে নামছে জামায়াত চলমান জীবনের গল্প: কফির ধোঁয়ায় তিন বন্ধুর আড্ডা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত হবেন না, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি আইআরজিসির ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে চরম মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

Exporting SMEs : এসএমই রপ্তানি বাতিলের পাঁচ কারণ, গবেষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

ডলার সংকট দীর্ঘমেয়াদি হচ্ছে। যার প্রভাব অর্থনীতির প্রায় সকল খাতে বড় ধরনের সমস্যার ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে। জানা অজানা সমস্যাগুলো সময়ের পিঠ বেয়ে প্রকাশ্যে আসছে।

মূল্যস্ফীতির লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি ডলারের দাম বৃদ্ধি ও টাকার মান কমে যাওয়ায় বেড়ে যাচ্ছে বৈদেশিক দায়দেনা ও আমদানি ব্যয়। এ কারণে আমদানি ব্যয়ের প্রভাবে পণ্যের দাম বাড়ছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ কমে গিয়ে কর্মসংস্থানের গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ফাইল ছবি

ডলার-সংকট মোকাবিলায় রপ্তানি বাড়িয়ে এই সংকটের উত্তোরণ সম্ভব। এমন পরিস্থিতিতে পণ্য রপ্তানিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এসএমই খাতের ছোট ছোট উদ্যোক্তারা। বিশ্ব বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জামানত, উচ্চ সুদহার ও সঠিক দলিলের অভাবসহ পাঁচ কারণে বাতিল হচ্ছে এসএমইর রপ্তানি আবেদন। ডলার সংকট নিরসন ও প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করতে এসএমই সহায়ক নীতিমালা প্রয়োজন।

সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অনুষ্ঠিত এক সেমিনারের আলোচনায় এসব কথাই ওঠে আসে। অনুষ্ঠানে বিআইবিএময়ের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিবের গবেষণা প্রতিবেদন বলা হয়, ২০২১ সালে এসএমই খাতে বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যে ব্যবহার হয়েছে।

রপ্তানির লাগাম টেনে ধরায় ২০২২ সালে সেই হার নেমে এসেছে মোট এসএমই ঋণের ২১ শতাংশে। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় এই হার আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে জড়িত মোট লেনদেনের ৯ শতাংশ এসএমই উদ্যোক্তাদের অবদান।

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়।

পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, দুইটি বিদেশি ও ২৩টি বেসরকারি ব্যাংকের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণাপত্র তৈরি করা হয়েছে। অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এসএমই উদ্যোক্তারা। বিশেষ করে দরিদ্র দেশ এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে এর হার বেশি। এসএমই উদ্যোক্তারা সরাসরি বিদেশি বাজারে পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Exporting SMEs : এসএমই রপ্তানি বাতিলের পাঁচ কারণ, গবেষণা

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

ডলার সংকট দীর্ঘমেয়াদি হচ্ছে। যার প্রভাব অর্থনীতির প্রায় সকল খাতে বড় ধরনের সমস্যার ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে। জানা অজানা সমস্যাগুলো সময়ের পিঠ বেয়ে প্রকাশ্যে আসছে।

মূল্যস্ফীতির লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ও লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি ডলারের দাম বৃদ্ধি ও টাকার মান কমে যাওয়ায় বেড়ে যাচ্ছে বৈদেশিক দায়দেনা ও আমদানি ব্যয়। এ কারণে আমদানি ব্যয়ের প্রভাবে পণ্যের দাম বাড়ছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ কমে গিয়ে কর্মসংস্থানের গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ফাইল ছবি

ডলার-সংকট মোকাবিলায় রপ্তানি বাড়িয়ে এই সংকটের উত্তোরণ সম্ভব। এমন পরিস্থিতিতে পণ্য রপ্তানিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এসএমই খাতের ছোট ছোট উদ্যোক্তারা। বিশ্ব বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জামানত, উচ্চ সুদহার ও সঠিক দলিলের অভাবসহ পাঁচ কারণে বাতিল হচ্ছে এসএমইর রপ্তানি আবেদন। ডলার সংকট নিরসন ও প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান তৈরি করতে এসএমই সহায়ক নীতিমালা প্রয়োজন।

সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অনুষ্ঠিত এক সেমিনারের আলোচনায় এসব কথাই ওঠে আসে। অনুষ্ঠানে বিআইবিএময়ের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিবের গবেষণা প্রতিবেদন বলা হয়, ২০২১ সালে এসএমই খাতে বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যে ব্যবহার হয়েছে।

রপ্তানির লাগাম টেনে ধরায় ২০২২ সালে সেই হার নেমে এসেছে মোট এসএমই ঋণের ২১ শতাংশে। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় এই হার আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে জড়িত মোট লেনদেনের ৯ শতাংশ এসএমই উদ্যোক্তাদের অবদান।

রপ্তানির আবেদন বাতিল হওয়া এসএমই উদ্যোক্তাদের বড় বাধা। তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিলের পাঁচটি কারণ হচ্ছে, অপর্যাপ্ত জামানত। জামানতের অভাবে উদ্যোক্তাদের রপ্তানি আবেদন বাতিল হচ্ছে ৩৬ শতাংশ, উচ্চ সুদহারের কারণে বাতিল হয় ১৮ শতাংশ, আগের লেনদেনের তথ্য না থাকায় ১৭ শতাংশ, উচ্চ ঝুঁকির কারণে ১১ শতাংশ ও পর্যাপ্ত দলিলের অভাবে ১০ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়।

পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, দুইটি বিদেশি ও ২৩টি বেসরকারি ব্যাংকের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণাপত্র তৈরি করা হয়েছে। অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এসএমই উদ্যোক্তারা। বিশেষ করে দরিদ্র দেশ এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে এর হার বেশি। এসএমই উদ্যোক্তারা সরাসরি বিদেশি বাজারে পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।