Bangladesh-India Army : বাংলাদেশ-ভারত সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
- আপডেট সময় : ১১:০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩ ২০৩ বার পড়া হয়েছে
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধু দেশগুলোর সামরিক বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
জানিয়েছেন
অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধু দেশগুলোর সামরিক বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। দুই প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা ও সহযোগিতা জোরদার করা উচিত। সফররত ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। খবর বাসসের।
তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা লেখক এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারত দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা উচিত।
শেখ হাসিনা তার সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট) স্থাপনের কথা উল্লেখ করে বলেন, পারস্পরিক কল্যাণে এখানে দুই দেশের মধ্যে কর্মকাণ্ড বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার, সেনাবাহিনী ও সেদেশের জনগণের সমর্থন ও ভূমিকার কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী দারিদ্র্যকে প্রধান শত্রু হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দারিদ্র্য এই অঞ্চলের জনগণের প্রধান শত্রু এবং এই অঞ্চলের দেশগুলিকে দারিদ্র্য দূর করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিরাজ করছে। এই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এশিয়ার মধ্যে বসবাসকারী মানুষের প্রধান শত্রু দারিদ্র্য। এ অঞ্চল থেকে দারিদ্র্য দূর করতে এশিয়ার দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দারিদ্র্য নিরসনে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে এক সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিষয়টি ব্রিফ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দারিদ্র্য এ অঞ্চলের দেশগুলোর প্রধান শত্রু। এই দারিদ্র্য নির্মূলে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্কে কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আছে। সেখানে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দুই দেশের এই সুসম্পর্ককে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বাংলাদেশকে অধিক ঘনবসতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করে করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদ ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সরকার দেশকে আর্থ-সামাজিকভাবে এগিয়ে নিতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে।
এছাড়া দুই প্রতিবেশী দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট) এর কথা উল্লেখ করে বলেন, পারস্পরিক কল্যাণে দুই দেশের মধ্যে এক সঙ্গে কাজ ও সহযোগিতার সুযোগ আছে।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার, সেনাবাহিনী ও জনগণের সমর্থন ও ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাতকালে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান মনোজ পাণ্ডে বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সহযোগিতা খুব ভালোভাবে এগিয়ে চলছে। আগামী দিনেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সহযোগিতা অব্যহত থাকবে। দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে কারিগরি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার সম্ভবনা আছে বলেও জানান তিনি।

পারস্পরিক সুবিধার জন্য সম্ভবনাগুলোকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেনারেল পাণ্ডে।
এ সফরে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি পরিদর্শন এবং সেখানকার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন ভারতীয় সেনাপ্রধান।
সাক্ষাতের সময় অন্যান্যদের মধ্যে সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএস শফিউদ্দিন আহমেদের আমন্ত্রণে দুই দিনের সরকারি সফরে গতকাল ঢাকায় আসেন জেনারেল মনোজ পাণ্ডে।



















