ঢাকা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ কমার একদিন পরই বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বেড়েছে ৩,২৬৬ টাকা বিশ্ব ঐতিহ্যের জামদানি বুনেও কষ্টের জীবন রূপগঞ্জের তাঁতিদের ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে: সিপিডি ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

BANGLADESH : বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্তর হার আশঙ্কাজনক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২২ ২৬১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সপ্তম ক্যান্সার রেজিস্ট্রি রিপোর্ট প্রকাশ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে আসা রোগীদের ৫৫ ভাগই পুরুষ, এবং ৪৫ শতাংশ নারী। নারী-পুরুষ উভয়ের সবচেয়ে বেশি ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে। যার শতকরা হার ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ’

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্তর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হলেও অধিকাংশ রোগী থাকছে শনাক্তের বাইরে। শনাক্ত রোগীর মধ্যে পুরুষদের ফুসফুস এবং নারীদের স্তন ক্যান্সার আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি।

ঢাকায় ক্যান্সার আক্রান্তর হার বেশি। স্থানভিত্তিক জনমিতি মূলক গবেষণা দরকার বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন নতুন রোগী জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আসে। তাদের মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার ৭৩৩ জনের ক্যান্সার শনাক্ত করেছে। ক্যান্সার শনাক্তর হার ৪২ দশমিক ৬ শতাংশ।

নারী-পুরুষ উভয়ের সবচেয়ে বেশি ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে। যার শতকরা হার ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ। আর লিঙ্গভেদে পুরুষ ক্যান্সার রোগীদের সবচেয়ে বেশি ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ ফুসফুসের ক্যান্সার পাওয়া যায়। আর নারীদের মধ্যে ২৯ দশমিক ৩ শতাংশ ক্যান্সার রোগী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত।

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

বুধবার ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সপ্তম ক্যান্সার রেজিস্ট্রি রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের এপিডেমোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে আসা রোগীদের ৫৫ ভাগই পুরুষ, এবং ৪৫ শতাংশ নারী।

আলোচনায় অংশ নেন ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নিজামুল হক এবং অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতর পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শামিউল ইসলাম এবং অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন।

অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন বলেন, ২০১৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জাতীয়ভাবে একবার জনসংখ্যাভিত্তিক গবেষণা করেছিল, এরপর আর হয়নি। নতুন করে গবেষণা করতে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি। এটি হওয়া জরুরি। কিন্তু তার জন্য বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একটি গবেষণা মানে রোগী শনাক্ত থেকে শুরু করে তার অবস্থা কোন পর্যায়ে, কোথায় গিয়ে থামতে পারে সব লিপিবদ্ধ করা। যেটি অনেক বেশি কঠিন।

অধ্যাপক ডা. মো. শামিউল ইসলাম বলেন, পরিবেশ ও খাদ্যাভ্যাসও ক্যান্সারের বড় একটি কারণ। চিকিৎসাসেবার উন্নয়ন হলেও ঘাটতি রয়েছে। প্রয়োজন অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ইনস্টিটিউট। নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ হচ্ছে। কিন্তু যারা করবেন তাদের যথেষ্ট প্রশিক্ষণের প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

BANGLADESH : বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্তর হার আশঙ্কাজনক

আপডেট সময় : ০৫:২১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২২

‘ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে আসা রোগীদের ৫৫ ভাগই পুরুষ, এবং ৪৫ শতাংশ নারী। নারী-পুরুষ উভয়ের সবচেয়ে বেশি ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে। যার শতকরা হার ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ’

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্তর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হলেও অধিকাংশ রোগী থাকছে শনাক্তের বাইরে। শনাক্ত রোগীর মধ্যে পুরুষদের ফুসফুস এবং নারীদের স্তন ক্যান্সার আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি।

ঢাকায় ক্যান্সার আক্রান্তর হার বেশি। স্থানভিত্তিক জনমিতি মূলক গবেষণা দরকার বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন নতুন রোগী জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আসে। তাদের মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার ৭৩৩ জনের ক্যান্সার শনাক্ত করেছে। ক্যান্সার শনাক্তর হার ৪২ দশমিক ৬ শতাংশ।

নারী-পুরুষ উভয়ের সবচেয়ে বেশি ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে। যার শতকরা হার ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ। আর লিঙ্গভেদে পুরুষ ক্যান্সার রোগীদের সবচেয়ে বেশি ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ ফুসফুসের ক্যান্সার পাওয়া যায়। আর নারীদের মধ্যে ২৯ দশমিক ৩ শতাংশ ক্যান্সার রোগী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত।

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

বুধবার ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সপ্তম ক্যান্সার রেজিস্ট্রি রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের এপিডেমোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে আসা রোগীদের ৫৫ ভাগই পুরুষ, এবং ৪৫ শতাংশ নারী।

আলোচনায় অংশ নেন ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নিজামুল হক এবং অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতর পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শামিউল ইসলাম এবং অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন।

অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন বলেন, ২০১৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জাতীয়ভাবে একবার জনসংখ্যাভিত্তিক গবেষণা করেছিল, এরপর আর হয়নি। নতুন করে গবেষণা করতে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি। এটি হওয়া জরুরি। কিন্তু তার জন্য বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একটি গবেষণা মানে রোগী শনাক্ত থেকে শুরু করে তার অবস্থা কোন পর্যায়ে, কোথায় গিয়ে থামতে পারে সব লিপিবদ্ধ করা। যেটি অনেক বেশি কঠিন।

অধ্যাপক ডা. মো. শামিউল ইসলাম বলেন, পরিবেশ ও খাদ্যাভ্যাসও ক্যান্সারের বড় একটি কারণ। চিকিৎসাসেবার উন্নয়ন হলেও ঘাটতি রয়েছে। প্রয়োজন অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ইনস্টিটিউট। নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ হচ্ছে। কিন্তু যারা করবেন তাদের যথেষ্ট প্রশিক্ষণের প্রয়োজন।