ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌছে গেছে বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০ ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা 

বাঙালি জাতি একটি স্বাধীন দেশ পাবার পাশাপাশি মাত্র পঞ্চাশ বছরে ঈর্শনীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ এখন মাথা উচু করা অর্তনীতির দেশ। বাঙালির জাতির এই অহংকারের জায়গাটি তৈরি করতে যে দুঃসাহস পেয়েছে, সেই মানুষটির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি আমাদের জাতির পিতা। তিনি শোষিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষগুলোর অধিকার অর্জনে জীবনভর আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। কারাগারে নিক্ষেপিত হয়েছেন। তারপরও থেমে যাননি। একটি সুখিসমৃদ্ধশালী সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। তার ভাবনায় ছিলো দেশের মানুষ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে স্বাধীনভাবে বাচবে। কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে। অবশেষে তিনি আমাদের একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছেন।  তিনি দেশের মানুষকে কতটা ভালোবাসতেন তা নিজের এবং পরিবারের জীবন দিয়ে প্রমাণ দিয়েছেন। সেই বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ শোধ করবার দুঃসাহস আমাদের নেই।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার মাধ্যমেই তার প্রতি আমাদের সম্মান জানাতে হবে। আজ তারই কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের দোরগড়ায় পৌছে গেছি। শুক্রবার বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদীতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর ১০০ জন্মোৎসব’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা যাতে স্বাধীনতার স্বাদ যাতে না পাই, সে লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। আর সেই জঘন্য হত্যাকে জায়েজ করার জন্য জিয়া, এরশাদ, খালেদা যা যা করা দরকার তা করেছে। আত্মস্বীকৃত খুনিদের পুনর্বাসিত করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি। দেশপ্রমিক সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিনা বিচারে হত্যা করেছে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্যাটেলাইট, সাবমেরিণ, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ও কানেক্টিভিটিসহ একটার পর একটা মেগাপ্রকল্পের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ৭৫’র ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু অমর, তাকে হত্যা করা যায়নি। এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ নয়, বাঙলার বুকে কোটি কোটি মুজিব জন্ম নিয়েছে। আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি উল্লেখ করে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। তার নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে পরিণত হবে।
ড. আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পাবনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান লাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েব আলী বিশ্বাস, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, কবি সুজন বড়ুয়া ও কবি আসলাম সানী। দু’দিনব্যাপী এ জন্মোৎসবের উদ্বোধন করেন কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা। উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, বইমেলা, আলোচনা সভা, কবিতাপাঠ, আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌছে গেছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৩:১১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা 

বাঙালি জাতি একটি স্বাধীন দেশ পাবার পাশাপাশি মাত্র পঞ্চাশ বছরে ঈর্শনীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ এখন মাথা উচু করা অর্তনীতির দেশ। বাঙালির জাতির এই অহংকারের জায়গাটি তৈরি করতে যে দুঃসাহস পেয়েছে, সেই মানুষটির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি আমাদের জাতির পিতা। তিনি শোষিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষগুলোর অধিকার অর্জনে জীবনভর আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। কারাগারে নিক্ষেপিত হয়েছেন। তারপরও থেমে যাননি। একটি সুখিসমৃদ্ধশালী সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। তার ভাবনায় ছিলো দেশের মানুষ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে স্বাধীনভাবে বাচবে। কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে। অবশেষে তিনি আমাদের একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছেন।  তিনি দেশের মানুষকে কতটা ভালোবাসতেন তা নিজের এবং পরিবারের জীবন দিয়ে প্রমাণ দিয়েছেন। সেই বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ শোধ করবার দুঃসাহস আমাদের নেই।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার মাধ্যমেই তার প্রতি আমাদের সম্মান জানাতে হবে। আজ তারই কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের দোরগড়ায় পৌছে গেছি। শুক্রবার বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদীতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর ১০০ জন্মোৎসব’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা যাতে স্বাধীনতার স্বাদ যাতে না পাই, সে লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। আর সেই জঘন্য হত্যাকে জায়েজ করার জন্য জিয়া, এরশাদ, খালেদা যা যা করা দরকার তা করেছে। আত্মস্বীকৃত খুনিদের পুনর্বাসিত করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি। দেশপ্রমিক সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিনা বিচারে হত্যা করেছে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্যাটেলাইট, সাবমেরিণ, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ও কানেক্টিভিটিসহ একটার পর একটা মেগাপ্রকল্পের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ৭৫’র ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু অমর, তাকে হত্যা করা যায়নি। এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ নয়, বাঙলার বুকে কোটি কোটি মুজিব জন্ম নিয়েছে। আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি উল্লেখ করে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। তার নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে পরিণত হবে।
ড. আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পাবনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান লাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েব আলী বিশ্বাস, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, কবি সুজন বড়ুয়া ও কবি আসলাম সানী। দু’দিনব্যাপী এ জন্মোৎসবের উদ্বোধন করেন কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা। উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, বইমেলা, আলোচনা সভা, কবিতাপাঠ, আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।