ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ন্যাটো ছাড়ার হুমকি: ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা বাস্তবায়ন করতে পারবেন?  জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের  সিদ্ধিান্ত তদন্তে নতুন মোড়: গুমের পর ধলেশ্বরীতে ফেলা হয় ইলিয়াস আলীর মরদেহ জ্বালানি তেল: অরাজকতার নেপথ্যে কৃত্রিম সংকট ও দায়িত্বহীন নাগরিক স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ: মার্চে এলো প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচার : হাসিনা  আমলে বাংলাদেশ থেকে পাচার ২৩৪ বিলিয়ন ডলার: তারেক রহমান পায়ে হেঁটে সমুদ্র থেকে এভারেস্ট কৃষকের ছেলের বিস্ময়কর কীর্তি প্রাথমিকের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসন গুঁড়িয়ে দিলো ইরান, ধ্বংস বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ডিজিটাল ফুয়েল পাস, এপ্রিল থেকে চালু, জ্বালানি ব্যবস্থায় নতুন দিশা

ঈদ উদযাপন কি লকডাউন মুক্ত ?

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১ ২৮৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ময়মনসিংহে লকডাউনে দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর টলহ পরিদর্শন  করেন বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ : ছবি সংগ্রহ

‘সব কিছুই নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী’

‘ করোনার আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ৫২৫, মৃত্যু ১৬৪জন, লকডাউনের ৬ষ্ঠ দিনে গ্রেফতার ৪৬৭,  মোবাইল কোর্ট ৩০৫ জনকে ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৮০ টাকা এবং সড়ক পরিবহন আইনে ১০৮৭টি গাড়িকে ২৫ লাখ ২৯ হাজার ২৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ঈদে লকডাউন মুক্ত থাকবে কি না তার সব কিছুই নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর। মানুষকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে মানুষ যদি বিধিনিষেধ মেনে চলে, তাহলে সামনে সুফল পাওয়া যাবে। এ জন্য আমাদের সবাইকে সরকারি বিধিনিষেধ মানতে হবে।

করোনার পারদ যে হারে ঊর্ধমুখী, তাতে সামনের দিনগুলোর অবস্থা কি হবে তা এখনই কেউ কারো পক্ষে বলা সম্ভব নয়। রাত পোহালেই চোখের সামনে ভেসে ওঠসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর বিশাল চিত্র।

প্রতিদিনের এসব খবরে মানুষ ক্লান্ত, ভীত। মানুষ আর নিতে পারছে না। প্রকৃতির কাছে অসহায়ত্ব হয়ে পড়েছে মানুষ। দীর্ঘ প্রায় ষোল মাস ধরে দুয়িার মানুষ কেবল মৃত্যু মিছিল দেখেছে।

আপনজনকে স্পর্শ করা থেকেও বঞ্চিত হয়েছে হাজারো মানুষ। চোখের সামনে বাবা-মা আদরের সন্তান, মায়ের বুক খালি করে এই শব যাত্রা আর সহ্য করতে না পেরে অনেকেই মানুষিক আঘাতে জর্জরিত।

এই পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি মিলবে তা কেউ বলতে পারচে না। সর্ব একটি বাক্যই ধ্বনি-প্রতিধ্বনি হচ্ছে, সাবধান থাকো, নিয়ম মেনে চলো।

চলতি ২০ বা ২১ তারিখে  ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ঈদের দিন নির্ধারণে ১১ জুলাই বসবে চাঁদ দেখা কমিটি। ২১ জুলাই ঈদ ধরে সরকারি ছুটি ২০-২২ জুলাই (মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার) তিন দিন ধরা হলেও সরকারি ছুটি থাকবে পাঁচ দিন। ছুটিতে কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশে এই মুহুর্তে করোনা পরিস্থিতি খুবই নাজুক। মঙ্গলবার ৬ জুলাই করোনায় পনেরো মাসকে ছাপিয়ে গিয়েছে। এদিন আক্রান্তর সংখ্যা সাড়ে ১১ হাজার ছাড়ালো। আর মৃত্যু হয়েছে ১৬৪ জনের।

করোনার রুখতে সরকারের জারি করা বিধি নিষেধের ৬ষ্ঠ দিনে এই ভয়াভহ চিত্র দেখছে বাংলাদেশ। নজির গড়া মৃত্যু ও আক্রান্ত অবস্থায় পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তা বলা মুশকিল। লকডাউনে অফিস-আদালত, গণপরিবহন, মার্কেট, শপিংমল, দোকানপাট সব কিছুই  বন্ধ রাখা হয়েছে।

মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার। মাঠে কাজ করছে মোবাইল কোর্ট। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে গেলেই জেল বা জরিমানার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

১৪ দিনে কঠোর লকডাউনের মধ্য দিয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব হলে ঈদের সময়টাতে শিথিলের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। যাতে ব্যবসায়ী, গণপরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা অন্য পেশার মানুষ আনন্দ-উৎসব করতে পারে।

এই অবস্থা এক সপ্তাহ বা দশ দিন অব্যাহত রেখে হয়তো আবারও কঠোর বিধি-নিষেধ দেওয়া হতে পারে। তবে সবটাই নির্ভর করছে পরিস্থিতির ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈদ উদযাপন কি লকডাউন মুক্ত ?

আপডেট সময় : ১০:৫২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১
ময়মনসিংহে লকডাউনে দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর টলহ পরিদর্শন  করেন বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ : ছবি সংগ্রহ

‘সব কিছুই নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী’

‘ করোনার আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ৫২৫, মৃত্যু ১৬৪জন, লকডাউনের ৬ষ্ঠ দিনে গ্রেফতার ৪৬৭,  মোবাইল কোর্ট ৩০৫ জনকে ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৮০ টাকা এবং সড়ক পরিবহন আইনে ১০৮৭টি গাড়িকে ২৫ লাখ ২৯ হাজার ২৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ঈদে লকডাউন মুক্ত থাকবে কি না তার সব কিছুই নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর। মানুষকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে মানুষ যদি বিধিনিষেধ মেনে চলে, তাহলে সামনে সুফল পাওয়া যাবে। এ জন্য আমাদের সবাইকে সরকারি বিধিনিষেধ মানতে হবে।

করোনার পারদ যে হারে ঊর্ধমুখী, তাতে সামনের দিনগুলোর অবস্থা কি হবে তা এখনই কেউ কারো পক্ষে বলা সম্ভব নয়। রাত পোহালেই চোখের সামনে ভেসে ওঠসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর বিশাল চিত্র।

প্রতিদিনের এসব খবরে মানুষ ক্লান্ত, ভীত। মানুষ আর নিতে পারছে না। প্রকৃতির কাছে অসহায়ত্ব হয়ে পড়েছে মানুষ। দীর্ঘ প্রায় ষোল মাস ধরে দুয়িার মানুষ কেবল মৃত্যু মিছিল দেখেছে।

আপনজনকে স্পর্শ করা থেকেও বঞ্চিত হয়েছে হাজারো মানুষ। চোখের সামনে বাবা-মা আদরের সন্তান, মায়ের বুক খালি করে এই শব যাত্রা আর সহ্য করতে না পেরে অনেকেই মানুষিক আঘাতে জর্জরিত।

এই পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি মিলবে তা কেউ বলতে পারচে না। সর্ব একটি বাক্যই ধ্বনি-প্রতিধ্বনি হচ্ছে, সাবধান থাকো, নিয়ম মেনে চলো।

চলতি ২০ বা ২১ তারিখে  ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ঈদের দিন নির্ধারণে ১১ জুলাই বসবে চাঁদ দেখা কমিটি। ২১ জুলাই ঈদ ধরে সরকারি ছুটি ২০-২২ জুলাই (মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার) তিন দিন ধরা হলেও সরকারি ছুটি থাকবে পাঁচ দিন। ছুটিতে কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশে এই মুহুর্তে করোনা পরিস্থিতি খুবই নাজুক। মঙ্গলবার ৬ জুলাই করোনায় পনেরো মাসকে ছাপিয়ে গিয়েছে। এদিন আক্রান্তর সংখ্যা সাড়ে ১১ হাজার ছাড়ালো। আর মৃত্যু হয়েছে ১৬৪ জনের।

করোনার রুখতে সরকারের জারি করা বিধি নিষেধের ৬ষ্ঠ দিনে এই ভয়াভহ চিত্র দেখছে বাংলাদেশ। নজির গড়া মৃত্যু ও আক্রান্ত অবস্থায় পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তা বলা মুশকিল। লকডাউনে অফিস-আদালত, গণপরিবহন, মার্কেট, শপিংমল, দোকানপাট সব কিছুই  বন্ধ রাখা হয়েছে।

মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার। মাঠে কাজ করছে মোবাইল কোর্ট। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে গেলেই জেল বা জরিমানার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

১৪ দিনে কঠোর লকডাউনের মধ্য দিয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব হলে ঈদের সময়টাতে শিথিলের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। যাতে ব্যবসায়ী, গণপরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা অন্য পেশার মানুষ আনন্দ-উৎসব করতে পারে।

এই অবস্থা এক সপ্তাহ বা দশ দিন অব্যাহত রেখে হয়তো আবারও কঠোর বিধি-নিষেধ দেওয়া হতে পারে। তবে সবটাই নির্ভর করছে পরিস্থিতির ওপর।