ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

ভারতে তরুণীকে ধর্ষণে জড়িত ৫ বাংলাদেশিই ছিল পাসপোর্ট-ভিসা বিহীন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মে ২০২১ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের তরুণীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার পাঁচ বাংলাদেশির অবৈধভাবে গিয়েছিলো। কারোর পাসপোর্ট কিংবা ভিসা ছিল না। তেমন তথ্যই জানালেন, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ। শনিবার বিকালে শ্যামলীতে তেজগাঁও উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জানালেন, ভারতে তরুণী নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা অবৈধভাবে সেখানে গিয়েছিল। এই চক্রটি স্কুল কলেজের মেয়েদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করতো। এই পুলিশ কর্তা আরও জানান, যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ভারত এবং বাংলাদেশে পৃথকভাবে মামলা হয়েছে। রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় তাদের বিরুদ্ধে মানব পাচার ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে।

গ্রেফতার যুবকরা আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য উল্লেখ করে পুলিশের এই ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে টিকটক হৃদয় নারীদের নিয়ে ভারতের যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দিত। তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে টিকটকের মাধ্যমে উঠতি বয়সী স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের টার্গেট করা হতো।

 

পরে তাদের ভারতসহ বিভিন্ন জায়গায় পাচার করতো। এ চক্রের আরও কয়েকজনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই চক্র অনেককে পাচার করেছে, এ সংখ্যা কম নয়। ভারতের মতো করে মামলার তদন্ত করবে এবং আমরা আমাদের মতো করে তদন্ত করবো। তবে অপরাধীরা যেহেতু বাংলাদেশি, তাই দুই দেশের মধ্যে আন্তঃসমন্বয়ের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

মো. শহিদুল্লাহ বলেন, পুলিশ সন্ধান পেয়েছে, টিকটক ভিডিওর জন্য তাদের একত্রিত করে এক পর্যায়ে পাচারের কাজ করা হয়। এ চক্রের মূল আস্তানা ব্যাঙ্গালুরুর আনন্দপুর এলাকায়। পাচারের উদ্দেশ্য হচ্ছে পতিতাবৃত্তি। বিভিন্ন হোটেলের সঙ্গে চক্রটির চুক্তি রয়েছে। বিভিন্ন হোটেলে তারা মেয়েদের সরবরাহ করে এবং আর্থিক সুবিধা পায়। চক্রের সদস্যরা তরুণীদের নেশাজাতীয় দ্রব্যাদি খাইয়ে মোবাইলফোনে ভিডিও করে, পতিতাবৃত্তি করাতে বাধ্য করতো বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতে তরুণীকে ধর্ষণে জড়িত ৫ বাংলাদেশিই ছিল পাসপোর্ট-ভিসা বিহীন

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মে ২০২১

ভারতের তরুণীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার পাঁচ বাংলাদেশির অবৈধভাবে গিয়েছিলো। কারোর পাসপোর্ট কিংবা ভিসা ছিল না। তেমন তথ্যই জানালেন, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ। শনিবার বিকালে শ্যামলীতে তেজগাঁও উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জানালেন, ভারতে তরুণী নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা অবৈধভাবে সেখানে গিয়েছিল। এই চক্রটি স্কুল কলেজের মেয়েদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করতো। এই পুলিশ কর্তা আরও জানান, যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ভারত এবং বাংলাদেশে পৃথকভাবে মামলা হয়েছে। রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় তাদের বিরুদ্ধে মানব পাচার ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে।

গ্রেফতার যুবকরা আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য উল্লেখ করে পুলিশের এই ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে টিকটক হৃদয় নারীদের নিয়ে ভারতের যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দিত। তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে টিকটকের মাধ্যমে উঠতি বয়সী স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের টার্গেট করা হতো।

 

পরে তাদের ভারতসহ বিভিন্ন জায়গায় পাচার করতো। এ চক্রের আরও কয়েকজনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই চক্র অনেককে পাচার করেছে, এ সংখ্যা কম নয়। ভারতের মতো করে মামলার তদন্ত করবে এবং আমরা আমাদের মতো করে তদন্ত করবো। তবে অপরাধীরা যেহেতু বাংলাদেশি, তাই দুই দেশের মধ্যে আন্তঃসমন্বয়ের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

মো. শহিদুল্লাহ বলেন, পুলিশ সন্ধান পেয়েছে, টিকটক ভিডিওর জন্য তাদের একত্রিত করে এক পর্যায়ে পাচারের কাজ করা হয়। এ চক্রের মূল আস্তানা ব্যাঙ্গালুরুর আনন্দপুর এলাকায়। পাচারের উদ্দেশ্য হচ্ছে পতিতাবৃত্তি। বিভিন্ন হোটেলের সঙ্গে চক্রটির চুক্তি রয়েছে। বিভিন্ন হোটেলে তারা মেয়েদের সরবরাহ করে এবং আর্থিক সুবিধা পায়। চক্রের সদস্যরা তরুণীদের নেশাজাতীয় দ্রব্যাদি খাইয়ে মোবাইলফোনে ভিডিও করে, পতিতাবৃত্তি করাতে বাধ্য করতো বলে জানান তিনি।